alt

উপ-সম্পাদকীয়

জহুরুল ইসলাম : আপন মহিমায় ভাস্বর

মো. জিল্লুর রহমান

: সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১
image

জহুরুল ইসলাম শুধু একজন সফল শিল্পপতি বা ব্যবসায়ীই নয় বরং মানুষ হিসেবেও ছিলেন অনুকরণীয়। এই জগৎ সংসারে প্রতিদিন কত মানুষের জন্ম হয় আবার কত মানুষ প্রয়াত হন। এটাই জাগতিক নিয়ম। তবে এই জন্ম-মৃত্যুর মাঝে এমন কিছু মানুষ থাকেন যারা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও বহুকাল অমর হয়ে থাকেন তদের কর্মে, সাফল্যে ও মানবহিতৈষী ভূমিকার জন্য। জহুরুল ইসলাম এই জনপদের তেমন একজন মানুষ ছিলেন। আজ তার ২৬তম প্রয়ান দিবস। ১৯৯৫ সালের ১৯ অক্টোবর তিনি ইন্তেকাল করেন। সময়ের বিবেচনায় অনেকটা অপরিণত বয়সেই তার এই বিদায়। তবে স্বল্পসময়ের এই জীবনেই তিনি এমন কিছু কর্মের স্বাক্ষর রেখে গেছেন যে কারণে তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন। এই দেশে তার কর্ম ও সাফল্যের অসংখ্য ঘটনার কারণেই তিনি বেঁচে থাকবেন অনেক দিন।

জহুরুল ইসলাম সম্পর্কে রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক নীতিদীর্ঘ প্রবন্ধে লিখেছেনসোমবার “ব্যক্তিগত জীবনে জহুরুল ইসলাম ছিলেন আমার শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব। আমি বঙ্গবন্ধুর কাছে থাকার দুর্লভ সৌভাগ্যের অধিকারী। বঙ্গবন্ধুর স্নেহ ভালবাসায় আমার জীবন সিক্ত। জহুরুল ইসলামকে আমি ছাত্রজীবন থেকেই চিনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জহুরুল ইসলামকে ভালোবাসতেন এবং শ্রদ্ধা করতেন। বঙ্গবন্ধু যখন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি, কারাগারে বন্দি, ফাঁসির মঞ্চে দন্ডায়মানসোমবার সেই কঠিন দুঃসময়ের দিনগুলোতে জহুরুল ইসলাম আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন”।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি লিখেছেন ’৬৯-এর গণ-আন্দোলনের পরে যখন বঙ্গবন্ধুর পাশে থাকতে শুরু করি তখন দেখতাম জহুরুল ইসলাম প্রায়ই বঙ্গবন্ধুর বাসভবন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে আসতেন। বঙ্গবন্ধু গভীর আন্তরিকতা ও ভালোবাসা নিয়ে তার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কথা বলতেন। তিনি জহুরুল ইসলামকে মূল্যায়ন করেছেন এভাবে “তার মতো এমন দুরদৃষ্টি, বেগবান এবং সক্রিয় শক্তি সম্পন্ন ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা আমাদের সমাজে বিরল ও ব্যতিক্রম। তিনি ছিলেন একজন বিনয়ী পরমতসহিষ্ণু, সজ্জন ব্যক্তি”।

জহুরুল ইসলাম যখন যেমন প্রয়োজন তখন তেমনভাবে বঙ্গবন্ধুকে সহযোগিতা করেছেন। শুধু তা-ই নয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় লন্ডনে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন খোলার ক্ষেত্রেও তার অবদানের কথা জানা যায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে লন্ডনে পাকিস্তান দূতাবাসে চাকরীরত বাঙালী কূটনীতিক মহিউদ্দিন আহমদ তার লেখাতে অকপটে সে কথা জানিয়েছেন।

এদেশে এখন শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন অনেকেই, কিন্তু পাকিস্তানি জমানায় বাঙালি কোটিপতির সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও পরবর্তীতে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে, অসংখ্য বাঙালি যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি এদেশের রাজনীতিবিদদের সংসার নির্বাহে অর্থের জোগান দিতেন, কিন্তু কখনো প্রকাশ করতেন না। পাকিস্তান আমলে নানা গণআন্দোলনে তিনি প্রয়োজনীয় অর্থের জোগানসহ নানাভাবে একজন খাটি দেশ প্রেমিকের দায়িত্ব অতিশয় নিষ্ঠা আর সততার সঙ্গে পালন করে গেছেন।

জীবনের শেষ দিকে এসে তিনি তার জন্মস্থান কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুরে একটি উন্নতমানের মেডিক্যাল কলেজ, একটি নার্সিং কলেজ ও ৫০০ শয্যার একটি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। কিশোরগঞ্জ জেলা শুধু নয়, আশেপাশের জেলাগুলো থেকে প্রচুর মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন, যা অনেকের পক্ষেই রাজধানীতে এসে গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। তার প্রতিষ্ঠিত মেডিক্যাল কলেজ থেকে দেশি-বিদেশি বহু ছাত্র চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্নাতক হয়ে মানব সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করেছেন।

জহুরুল ইসলামকে এদেশে হাউজিং ব্যবসার জনক বলা হয়। রাজধানী শহর সহ দেশের বড় বড় শহরগুলীতে তার সৃষ্টি ইস্টার্ন হাউজিং এর অসংখ্য স্থাপনা চোখে পড়ে। তিনি মহানগরীতে আফতাবনগর, মহানগর, নিকেতন, বনশ্রী সহ নানা হাউজিং প্রকল্প গড়ে তুলেছেন। দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে গড়ে তুলেছেন পোলট্রি শিল্প, ওষুধ শিল্পসহ নানা প্রতিষ্ঠান। সবচেয়ে বড় সত্য হচ্ছে তিনি তার উপার্জিত অর্থের সিংহভাগ ব্যয় করেছেন দেশের মানুষের কল্যানে। ১৯৭৪ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় তিনি নিজ জেলার ১৩টি উপজেলার নানা স্থানে লঙ্গরখানা খুলে লাখ লাখ অসহায় মানুষের মুখে আহার তুলে দিয়েছেন। এই লঙ্গরখানা চালু রাখতে ব্যাংক থেকে তাকে ঋণ নিতে হয়েছিলো বলেও জানা যায়।

২৬তম প্রয়ান দিবসে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে নিঃসংকোচে একথা বলা যায় সমাজের অবহেলিত মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্নকে তিনি বাস্তব রূপ দিয়ে গেছেন। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

[লেখক : চেয়ারম্যান, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ]

ছবি

নারী জাগরণের পথিকৃৎ

পাহাড় কি শান্তিতে আছে?

আসামের ডিটেনশন সেন্টারের নাম কেন বদলাচ্ছে

বাঙালির অদম্য দেশপ্রেম

বিলুপ্তির পথে বিরল প্রজাতির হনুমান

বনগুলো কি হারিয়ে যাবে

ডিজিটাল সাম্য সমাজের বীজ বঙ্গবন্ধু বপন করেছেন

ছবি

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সংস্কৃতি

চাকরি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, বিড়ম্বনা এবং অচলায়তন

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সাফল্য কি মিলল

ভয়কে জয় করা পরীক্ষা

শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম

ভালোমন্দ বোধ বিভ্রান্ত হয়

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা

কলকাতার পুরভোট ও সমকালীন রাজনীতি

ছবি

জেলখানার চিঠি - পিতা-পুত্রের কথোপকথন

ছবি

আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস

ছবি

নদী রক্ষার আন্দোলন

ছবি

রাজধানীর বাইরের শিক্ষার্থীরা কেন ‘হাফ পাস’ পাবে না

ছবি

রাজস্ব ও দেশের উন্নয়ন

অনলাইন জন্মনিবন্ধনে সমস্যা

ছবি

করোনার আরেক আতঙ্ক ওমিক্রন

শান্তিচুক্তি ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার

পাঠ্যপুস্তক এবং আমাদের গোঁড়ামি

জগৎজ্যোতি দাস : ইতিহাসের বীরশ্রেষ্ঠ

শিক্ষা বিস্তারে সরকারিকরণ

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি

ছবি

বারবার কেন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করতে হচ্ছে

ছবি

প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন বিতর্ক

সহনশীলতা : সৃষ্টির শক্তি

ছবি

ভোগ্যপণ্যের ওপর ডলারের দামের প্রভাব

ছবি

খেলা বনাম রাজনীতি

সুবর্ণ দিনের প্রত্যাশায়

ছবি

শহীদ ডা. মিলন ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন

ভারতের কৃষি আইন, মোদির ঘোষণা এবং রাজনীতি

তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা কেন দরকার?

tab

উপ-সম্পাদকীয়

জহুরুল ইসলাম : আপন মহিমায় ভাস্বর

মো. জিল্লুর রহমান

image

সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১

জহুরুল ইসলাম শুধু একজন সফল শিল্পপতি বা ব্যবসায়ীই নয় বরং মানুষ হিসেবেও ছিলেন অনুকরণীয়। এই জগৎ সংসারে প্রতিদিন কত মানুষের জন্ম হয় আবার কত মানুষ প্রয়াত হন। এটাই জাগতিক নিয়ম। তবে এই জন্ম-মৃত্যুর মাঝে এমন কিছু মানুষ থাকেন যারা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও বহুকাল অমর হয়ে থাকেন তদের কর্মে, সাফল্যে ও মানবহিতৈষী ভূমিকার জন্য। জহুরুল ইসলাম এই জনপদের তেমন একজন মানুষ ছিলেন। আজ তার ২৬তম প্রয়ান দিবস। ১৯৯৫ সালের ১৯ অক্টোবর তিনি ইন্তেকাল করেন। সময়ের বিবেচনায় অনেকটা অপরিণত বয়সেই তার এই বিদায়। তবে স্বল্পসময়ের এই জীবনেই তিনি এমন কিছু কর্মের স্বাক্ষর রেখে গেছেন যে কারণে তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন। এই দেশে তার কর্ম ও সাফল্যের অসংখ্য ঘটনার কারণেই তিনি বেঁচে থাকবেন অনেক দিন।

জহুরুল ইসলাম সম্পর্কে রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক নীতিদীর্ঘ প্রবন্ধে লিখেছেনসোমবার “ব্যক্তিগত জীবনে জহুরুল ইসলাম ছিলেন আমার শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব। আমি বঙ্গবন্ধুর কাছে থাকার দুর্লভ সৌভাগ্যের অধিকারী। বঙ্গবন্ধুর স্নেহ ভালবাসায় আমার জীবন সিক্ত। জহুরুল ইসলামকে আমি ছাত্রজীবন থেকেই চিনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জহুরুল ইসলামকে ভালোবাসতেন এবং শ্রদ্ধা করতেন। বঙ্গবন্ধু যখন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি, কারাগারে বন্দি, ফাঁসির মঞ্চে দন্ডায়মানসোমবার সেই কঠিন দুঃসময়ের দিনগুলোতে জহুরুল ইসলাম আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন”।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি লিখেছেন ’৬৯-এর গণ-আন্দোলনের পরে যখন বঙ্গবন্ধুর পাশে থাকতে শুরু করি তখন দেখতাম জহুরুল ইসলাম প্রায়ই বঙ্গবন্ধুর বাসভবন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে আসতেন। বঙ্গবন্ধু গভীর আন্তরিকতা ও ভালোবাসা নিয়ে তার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কথা বলতেন। তিনি জহুরুল ইসলামকে মূল্যায়ন করেছেন এভাবে “তার মতো এমন দুরদৃষ্টি, বেগবান এবং সক্রিয় শক্তি সম্পন্ন ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা আমাদের সমাজে বিরল ও ব্যতিক্রম। তিনি ছিলেন একজন বিনয়ী পরমতসহিষ্ণু, সজ্জন ব্যক্তি”।

জহুরুল ইসলাম যখন যেমন প্রয়োজন তখন তেমনভাবে বঙ্গবন্ধুকে সহযোগিতা করেছেন। শুধু তা-ই নয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় লন্ডনে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন খোলার ক্ষেত্রেও তার অবদানের কথা জানা যায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে লন্ডনে পাকিস্তান দূতাবাসে চাকরীরত বাঙালী কূটনীতিক মহিউদ্দিন আহমদ তার লেখাতে অকপটে সে কথা জানিয়েছেন।

এদেশে এখন শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন অনেকেই, কিন্তু পাকিস্তানি জমানায় বাঙালি কোটিপতির সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও পরবর্তীতে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে, অসংখ্য বাঙালি যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি এদেশের রাজনীতিবিদদের সংসার নির্বাহে অর্থের জোগান দিতেন, কিন্তু কখনো প্রকাশ করতেন না। পাকিস্তান আমলে নানা গণআন্দোলনে তিনি প্রয়োজনীয় অর্থের জোগানসহ নানাভাবে একজন খাটি দেশ প্রেমিকের দায়িত্ব অতিশয় নিষ্ঠা আর সততার সঙ্গে পালন করে গেছেন।

জীবনের শেষ দিকে এসে তিনি তার জন্মস্থান কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুরে একটি উন্নতমানের মেডিক্যাল কলেজ, একটি নার্সিং কলেজ ও ৫০০ শয্যার একটি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। কিশোরগঞ্জ জেলা শুধু নয়, আশেপাশের জেলাগুলো থেকে প্রচুর মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন, যা অনেকের পক্ষেই রাজধানীতে এসে গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। তার প্রতিষ্ঠিত মেডিক্যাল কলেজ থেকে দেশি-বিদেশি বহু ছাত্র চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্নাতক হয়ে মানব সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করেছেন।

জহুরুল ইসলামকে এদেশে হাউজিং ব্যবসার জনক বলা হয়। রাজধানী শহর সহ দেশের বড় বড় শহরগুলীতে তার সৃষ্টি ইস্টার্ন হাউজিং এর অসংখ্য স্থাপনা চোখে পড়ে। তিনি মহানগরীতে আফতাবনগর, মহানগর, নিকেতন, বনশ্রী সহ নানা হাউজিং প্রকল্প গড়ে তুলেছেন। দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে গড়ে তুলেছেন পোলট্রি শিল্প, ওষুধ শিল্পসহ নানা প্রতিষ্ঠান। সবচেয়ে বড় সত্য হচ্ছে তিনি তার উপার্জিত অর্থের সিংহভাগ ব্যয় করেছেন দেশের মানুষের কল্যানে। ১৯৭৪ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় তিনি নিজ জেলার ১৩টি উপজেলার নানা স্থানে লঙ্গরখানা খুলে লাখ লাখ অসহায় মানুষের মুখে আহার তুলে দিয়েছেন। এই লঙ্গরখানা চালু রাখতে ব্যাংক থেকে তাকে ঋণ নিতে হয়েছিলো বলেও জানা যায়।

২৬তম প্রয়ান দিবসে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে নিঃসংকোচে একথা বলা যায় সমাজের অবহেলিত মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্নকে তিনি বাস্তব রূপ দিয়ে গেছেন। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

[লেখক : চেয়ারম্যান, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ]

back to top