একাত্তর বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অথচ রক্তস্নাত অধ্যায়। এটি একদিকে মুক্তির মহাকাব্য, অন্যদিকে অপমান, যন্ত্রণা ও লাঞ্ছনার ভয়াবহ ইতিহাস। নিরস্ত্র ও শান্তিপ্রিয় জাতি বাঙালির ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চালিয়েছিল অকথ্য
কাজের মধ্য দিয়ে যারা বেঁচে থাকেন সন্তোষ গুপ্ত তেমনি, আদর্শের এক বাতিঘর। বহুমাত্রিক প্রতিভাধর এই ব্যক্তিত্বের বিচরণ ছিলো শিল্পকলার প্রান্তরজুড়ে। তাকে নিয়ে বিভিন্নজনের বিভিন্ন
সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সংজ্ঞার মাঝে একটাকে বেছে নেওয়া বেশ কঠিন। প্রতিটা সংজ্ঞাতেই চিন্তার ঐক্য ও ভিন্নতা- দুই-ই রয়েছে। বিভিন্ন মতের একটি সংশ্লেষ নির্মাণ করে বলা যায় যে, সংস্কৃতি
কালে কালে নারীর স্বাধীনতা: সোনার পাথরবাটি? বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক বাস্তবতায় ‘নারী স্বাধীনতা’ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রপঞ্চ। রাজনীতিতে সর্ব ডান থেকে সর্ববাম- ‘নারী স্বাধীনতা’ ও ‘নারীর ক্ষমতায়ন’ প্রশ্নে সকল দলই নিজেদের ‘সজাগ’
পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের মধ্যে বৈচিত্র্য ও বিভাম-িত সাংস্কৃতিক আদলটি চোখের দেখায় ও মনের আলোয় সবচেয়ে ভালো অনুধাবন করা যায় তাদের লোকায়ত বা ঐতিহ্যবাহী উৎসব বা পার্বণগুলোতে। এ যেমন জাতিগতভাবে আলাদা-আলাদাভাবে
সম্প্রতি আমি একটি জিনিস আবিষ্কার করলাম। এমআইটিতে সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে আমার প্রথম তিন বছরের এবং প্রকৃতপক্ষে, একজন শিক্ষক হিসেবে
কোন মাধ্যমে সংবাদ জানতে আমি সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি? এমন প্রশ্নের উত্তরে একবাক্যে বলবো সংবাদপত্রের সংবাদ। তার সুনির্দিষ্ট কারণও রয়েছে। সবচেয়ে বড় কারণটি স্বাধীনতা।
গণতন্ত্রের জন্যে লড়াই, সংগ্রাম এ দেশে বহু বছর ধরে। কিন্তু গণতন্ত্রে কী এই চাওয়া? গণতন্ত্র শুধুমাত্র কী বাক স্বাধীনতার মধ্যে সীমাবদ্ধ? নিশ্চয়ই তা নয়। এর মূল ভিত্তি হলো জনগণের
‘সংবাদ’-এর ৭৫তম প্রতিষ্ঠা-বার্ষিকী উপলক্ষে কিছু লিখতে গিয়ে বারবার পত্রিকার সাবেক সম্পাদক জহুর হোসেন চৌধুরীর কথা মনে পড়ছে। সংবাদপত্র জগতের কিংবদন্তি জহুর হোসেন
‘সত্যকে আংশিকভাবে দেখিলে অনেক সময়ে তাহা মিথ্যার রূপান্তর ধারণ করে।’ আবার এও তো সত্য যে সত্যকে সবসময় সর্বতোভাবে দেখা বা উপলব্ধি করা যায় না। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতির
বিগত পঁচাত্তর বছরে বাঙালির সাংস্কৃতিক জাগরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই যেটা বলতে হয়, অন্নদাশঙ্কর রায়দের প্রজন্মে বায়োলজিক্যাল অবস্থিতির পর এপার বাংলায় অখ- বাঙালি জাতিসত্তার
সংবাদ বয়সের দিক থেকে বেশ পরিণত। ৭৫ বছর মানে রতœ জয়ন্তীর শুভ সময়! আমিও পরিণত। তবে প্রিয় সংবাদের চেয়ে বয়সে ১৩ বছর কম আমার। শত প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতার
১৯৪৭ সালে র্যাডক্লিফ সাহেব পাঞ্জাব ও বাংলাকে ধর্মের ভিত্তিতে মানচিত্রে রেখা টেনে বিভক্ত করে দেন দুটি ভাগে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের অংশটির নাম হয় পাকিস্তান ও সংখ্যাগরিষ্ঠ
দূর শৈশবেই সংবাদ-এর সঙ্গে পরিচয়। যতদূর মনে পড়ে ১৯৬২ সালে আমার আলিনগর প্রাইমারি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির সহপাঠী অমূল্য পোদ্দারদের বাসায় প্রথম এই পত্রিকাটি দেখি। তখন গ্রামের
গণমাধ্যম জাতীয় উন্নতির সহায়ক
পুরনো ঢাকার সেই বাড়িটি
‘সংবাদ’ এবং পূর্ববঙ্গের মধ্যবিত্ত
অ্যামফিবিয়াস
আলো, মাটি ও মানুষের বৈশাখ
সমন্বয়ের সৌধে দ্রাবিড় ও কিরাত-সংস্কৃতি
‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’
নববর্ষের কবিতা
স্বাধীনতা দিবস কবিতা
সুপ্ত প্রেম
পদাবলি
অনন্ত আকাশগ্রন্থি
আকাশের নীলিমায় সে এক রণক্ষেত্র
একাত্তরের যুদ্ধ মুক্তির নাকি স্বাধীনতার
স্বাধীনতা দিবস সংখ্যা ২০২৫
বরুন গাছ কিংবা নীলখামে চিঠি
অন্তরীণ
ঈদ পদাবলি
ফেরা না ফেরা
পথহীন পথে
ঈদ সংখ্যা কবিতা
রাজবাড়ী জেলায় ভাষা আন্দোলন
পিচফুলের পরশ
ভাষার আঞ্চলিকতা
শিশুকন্যা নুহাকে স্কুলে ভর্তি করাতে হবে। এবার প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করানো হবে লটারির মাধ্যমে। বিষয়টা নিয়ে উদ্বেগে আছে শতাব্দী।