alt

চিঠিপত্র

চিঠিপত্র : ‘পথশিশুদের প্রতি অবহেলা নয়’

রোববার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

‘পথশিশুদের প্রতি অবহেলা নয়’

ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নদীভাঙন, শৈশবে বাবা-মায়ের অকালমৃত্যুসহ নানা কারণে পথশিশু তথা সুবিধাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ বা একাধিক বিয়ে, পারিবারিক অশান্তি, শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন, হারিয়ে যাওয়াসহ নানা কারণে শিশুরা পরিণত হয় পথশিশুতে। বাংলাদেশে পথশিশুর সংখ্যা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো জরিপ নেই। তবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে কয়েক লক্ষ পথশিশু রয়েছে। ফুটপাত, রাস্তাঘাট, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, অফিস চত্বর, পার্ক, লঞ্চঘাট, সরকারি ভবনের নিচে তাদের বাস। মাথার উপর ছাদ হয়ে থাকে খোলা আকাশ। অবহেলা, অনাদরে, খেয়ে-নাখেয়ে তাদের দিন কাটে। এসব পথশিশু রাস্তায় পত্রিকা বিক্রি করে, ফুল বিক্রি করে কিংবা কিছু খাবে বলে টাকা চায়। যে বয়সে তাদের হাতে থাকা উচিৎ বই-খাতা, সে বয়সে তাদের হাতে প্লাস্টিকের বস্তা অথবা ভিক্ষার থালা। জন্মের পরপরই তারা পৃথিবীর এক অন্যরকম চিত্র দেখতে দেখতে বড় হয়ে ওঠে। এসব ভাগ্যহীন, পরিচয়হীন শিশুদের আমরা কখনো টোকাই, কখনো পথকলি, ছিন্নমূল বা পথশিশু বলে ডাকি।

জন্মের সময় কেউ পথশিশুর পরিচয় নিয়ে জন্মায় না, পরিস্থিতি তাদের পথশিশুদের তালিকায় এনে দাঁড় করায়। কিন্তু এই শিশুদের যদি যথাযথ শিক্ষা পরিবেশ অন্যান্য অধিকার দিয়ে বড় করা হয় তাহলে এরাই দেশের রত্ন। এদের অধিকার আছে অন্য শিশুদের মতো স্কুলে যাওয়ার। যে বয়সে তাদের শিক্ষার সংস্পর্শে থাকা উচিত সেখানে তারা জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলেছে। অনেকেই পথশিশুদের জন্য অনেক কিছু করেন কিন্তু এই স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগগুলো সাময়িকভাবে পথশিশুদের উপকার করে ঠিকই কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কোন সমাধান দেয় না। আন্তর্জাতিক শিশু সনদ আইনসহ দেশের প্রচলিত আইনে প্রতিটি শিশু তাদের সুষ্ঠু শারীরিক ও মানসিক বিকাশ লাভের জন্য শিক্ষা, খেলাধুলা, খাদ্য, পুষ্টি, বিনোদন পাওয়ার অধিকার রাখে।

মেহেদী হাসান অর্ণব

শিক্ষার্থী, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা

এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল প্রসঙ্গে

অনেক দামি তেল এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ আর কোকোনাট অয়েল। কিন্তু লক্ষ্য করেছেন কি সেগুলোর মেয়াদ প্রায় ৩ বছর। শরীরের জন্য ক্ষতিকর প্রিজারভেটিভ মেশানো না থাকলে ওই তেল এতদিন ভালো থাকতে পারে না। প্রিজারভেটিভ ছাড়া তেলগুলো ৩ মাস পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে।

সুতরাং উপকারী তেলে নামে ওই সব দামি তেল কেন আমদানি করা হচ্ছে? আর যারা ওসব তেল খেতে বলছেন তারা কি ঠিক কথা বলছেন? তাছাড়া তিনি খাঁটি বা অর্গানিক গরুর মাংস, দুধ, ঘি, মাখন বলতে কোন কোন বিশেষজ্ঞ কী বুঝান? সেসব কি বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়? না হলে এর সহজ বিকল্প কী? বাংলাদেশে টক দই কি অর্গানিক দুধ থেকে তৈরি? না হলে কোন কোন বিশেষজ্ঞ সেটা খেতে বলছেন কেন?

সাইদ আহমেদ

চিঠিপত্র : করোনাযুদ্ধে সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে

চিঠিপত্র : হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে

চিঠিপত্র : নদীগুলোকে বাঁচতে দিন

চিঠিপত্র : বেড়েছে শিশুশ্রম, ঝরে পড়ছে শিক্ষার্থী

চিঠিপত্র : ওষুধের অপব্যবহার রোধ করা জরুরি

চিঠিপত্র : চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলায় আমরা কি প্রস্তুত

চিঠিপত্র : অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে সচেতনতার বিকল্প নেই

চিঠিপত্র : গরমে স্বাস্থ্য সুরক্ষা জরুরি

চিঠিপত্র : টিকা আবিষ্কারের পরও আশার আলো দেখাচ্ছে প্লাজমা থেরাপি

চিঠিপত্র : বাসচালকদের রেষারেষিতে দুর্ঘটনা

চিঠিপত্র : করোনায় বিপর্যস্ত মানুষ

চিঠিপত্র : মানসিক ভারসাম্যহীনদের পুনর্বাসন প্রসঙ্গে

চিঠিপত্র : নদী বাঁচলে বাঁচবে দেশ

চিঠিপত্র : জীবিকা যেন ব্যাহত না হয়

চিঠিপত্র : করোনা প্রতিরোধে চাই জনসচেতনতা

চিঠিপত্র : ইভটিজিং

চিঠিপত্র : করোনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে

চিঠিপত্র : জলাশয় সংস্কার করে মশা নিধন ও চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করা হোক

চিঠিপত্র : সমাজ বদলাতে নারীকে সম্মান করুন

চিঠিপত্র : শিশুদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ শিক্ষায় পরিবার ও সমাজের ভূমিকা

চিঠিপত্র : সড়ক হোক নিরাপদ

চিঠিপত্র : ছাত্ররা কি আজ অসহায়?

চিঠিপত্র : দুর্নীতি ও উন্নয়ন সাংঘর্ষিক

চিঠিপত্র : শিশুদের মোবাইল ফোন থেকে দূরে রাখতে হবে

চিঠিপত্র : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে বিভ্রান্তি কাটবে কবে

চিঠিপত্র : বেতারকে অনুষ্ঠান করতে হবে শ্রোতাদের মতামত ও গবেষণার ভিত্তিতে

চিঠিপত্র : আঞ্চলিক ভাষা গৌরবের

চিঠিপত্র : অপসংস্কৃতি রোধ করুন

চিঠিপত্র : শিশুদের প্রতি সদয় হোন

চিঠিপত্র : ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতন হোন

চিঠিপত্র : নতুন দিনের প্রত্যাশায়

চিঠিপত্র : সম্ভাবনাময় কৃষি পর্যটন

চিঠিপত্র :করোনায় শিক্ষার ক্ষতি

চিঠিপত্র : নদী রক্ষায় চাই সচেতনতা

চিঠিপত্র : উদাসীন বাঙালি

চিঠিপত্র : অসহায় শিক্ষার্থীরা

tab

চিঠিপত্র

চিঠিপত্র : ‘পথশিশুদের প্রতি অবহেলা নয়’

রোববার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

‘পথশিশুদের প্রতি অবহেলা নয়’

ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নদীভাঙন, শৈশবে বাবা-মায়ের অকালমৃত্যুসহ নানা কারণে পথশিশু তথা সুবিধাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ বা একাধিক বিয়ে, পারিবারিক অশান্তি, শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন, হারিয়ে যাওয়াসহ নানা কারণে শিশুরা পরিণত হয় পথশিশুতে। বাংলাদেশে পথশিশুর সংখ্যা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো জরিপ নেই। তবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে কয়েক লক্ষ পথশিশু রয়েছে। ফুটপাত, রাস্তাঘাট, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, অফিস চত্বর, পার্ক, লঞ্চঘাট, সরকারি ভবনের নিচে তাদের বাস। মাথার উপর ছাদ হয়ে থাকে খোলা আকাশ। অবহেলা, অনাদরে, খেয়ে-নাখেয়ে তাদের দিন কাটে। এসব পথশিশু রাস্তায় পত্রিকা বিক্রি করে, ফুল বিক্রি করে কিংবা কিছু খাবে বলে টাকা চায়। যে বয়সে তাদের হাতে থাকা উচিৎ বই-খাতা, সে বয়সে তাদের হাতে প্লাস্টিকের বস্তা অথবা ভিক্ষার থালা। জন্মের পরপরই তারা পৃথিবীর এক অন্যরকম চিত্র দেখতে দেখতে বড় হয়ে ওঠে। এসব ভাগ্যহীন, পরিচয়হীন শিশুদের আমরা কখনো টোকাই, কখনো পথকলি, ছিন্নমূল বা পথশিশু বলে ডাকি।

জন্মের সময় কেউ পথশিশুর পরিচয় নিয়ে জন্মায় না, পরিস্থিতি তাদের পথশিশুদের তালিকায় এনে দাঁড় করায়। কিন্তু এই শিশুদের যদি যথাযথ শিক্ষা পরিবেশ অন্যান্য অধিকার দিয়ে বড় করা হয় তাহলে এরাই দেশের রত্ন। এদের অধিকার আছে অন্য শিশুদের মতো স্কুলে যাওয়ার। যে বয়সে তাদের শিক্ষার সংস্পর্শে থাকা উচিত সেখানে তারা জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলেছে। অনেকেই পথশিশুদের জন্য অনেক কিছু করেন কিন্তু এই স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগগুলো সাময়িকভাবে পথশিশুদের উপকার করে ঠিকই কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কোন সমাধান দেয় না। আন্তর্জাতিক শিশু সনদ আইনসহ দেশের প্রচলিত আইনে প্রতিটি শিশু তাদের সুষ্ঠু শারীরিক ও মানসিক বিকাশ লাভের জন্য শিক্ষা, খেলাধুলা, খাদ্য, পুষ্টি, বিনোদন পাওয়ার অধিকার রাখে।

মেহেদী হাসান অর্ণব

শিক্ষার্থী, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা

এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল প্রসঙ্গে

অনেক দামি তেল এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ আর কোকোনাট অয়েল। কিন্তু লক্ষ্য করেছেন কি সেগুলোর মেয়াদ প্রায় ৩ বছর। শরীরের জন্য ক্ষতিকর প্রিজারভেটিভ মেশানো না থাকলে ওই তেল এতদিন ভালো থাকতে পারে না। প্রিজারভেটিভ ছাড়া তেলগুলো ৩ মাস পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে।

সুতরাং উপকারী তেলে নামে ওই সব দামি তেল কেন আমদানি করা হচ্ছে? আর যারা ওসব তেল খেতে বলছেন তারা কি ঠিক কথা বলছেন? তাছাড়া তিনি খাঁটি বা অর্গানিক গরুর মাংস, দুধ, ঘি, মাখন বলতে কোন কোন বিশেষজ্ঞ কী বুঝান? সেসব কি বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়? না হলে এর সহজ বিকল্প কী? বাংলাদেশে টক দই কি অর্গানিক দুধ থেকে তৈরি? না হলে কোন কোন বিশেষজ্ঞ সেটা খেতে বলছেন কেন?

সাইদ আহমেদ

back to top