alt

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : চার টাকার সমাধান করবে কে?

: বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট ২০২৩

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

আরিচা এবং কাজিরহাট ঘাট এখন বঙ্গবন্ধু সেতুর বিকল্প পথ হিসেবে কাজ করছে। উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষ বঙ্গবন্ধু সেতুর বিকল্প পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন আরিচা ও কাজিরহাট ঘাট। কারণ এই পথে ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও পশ্চিমবঙ্গের মানুষের দূরত্ব এবং পরিবহন ভাড়া অনেকটাই সাশ্রয়ী করেছে।

দীর্ঘদিন আরিচা ও কাজিরহাট ঘাট বন্ধ ছিলে। বছরখানেক হল এই দুই ঘাট আবার ফেরি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। প্রথম দিকে যখন ফেরি চলাচল শুরু হয়, তখন এই ফেরি পথে জনপ্রতি ভাড়া আদায় হতো ২৫ টাকা। যা সাধারণ জনগণের জন্য ছিল দারুণ একটা সুখবর। বর্তমানে সেই ভাড়া বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ৩৬ টাকা। কিন্তু জন প্রতি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ৪০ টাকা। ৪০ টাকা ভাড়া আদায় করে হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে ৩৬ টাকা সমমূল্যের একটা টিকেট।

টিকেটের গায়ে লেখা আছে ৩৬ টাকা। আর বাড়তি আদায় করা হচ্ছে চার টাকা। এই বাড়তি আদায়কৃত চার টাকার জন্য দেয়া হচ্ছে না কোন আদায় রশিদ। অনেক যাত্রী এই বাড়তি চার টাকা দিতে না চাইলে তাদের ফেরিতে পারাপার হতে দেয়া হচ্ছে না। ফলে তাদের পরে পাড় হতে হচ্ছে স্পিড বোটে। তখন গুণতে হচ্ছে দুইশ টাকা। বাড়তি চার টাকা যারা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে, তাদের কপালে জুটছে দুর্ভোগ। কখনো যাত্রীদের মারধরও করছে তারা- যা শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকান্ড ছাড়া আর কিছু না।

দিনে ৩০০০ জন যাত্রী পারাপার হলে বছরে আদায় হয় ৪৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। সাধারণ জনগণের পকেট থেকে আদায় করা হচ্ছে এই টাকা। প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

যারা ভাড়া আদায় করছে তাদের কোন ভাড়া আদায়ের কাউন্টার নেই। আরিচা এবং কাজিরহাট ফেরি পারাপারের জন্য যে টিকেট কাটা হয় তা কোন টিকেট কাউন্টার থেকে নয়। টিকেট কাটতে হয় ব্ল্যাকারদের হাত থেকে। ব্ল্যাকারেরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিত্য যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এই বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পাবনা এবং মানিকগঞ্জ ভোক্তা অধিকার অফিসে ই-মেইল করে জানানো হলেও তার কোন সুরাহা হয়নি। এমনকি পাবনা জেলা প্রশাসকের বরাবর ই-মেইল করে জানা হয়ে ছিল। তাতেও কোন সমাধান হয়নি। বেড়া , সুজানগর, শিবালয়ের ইউএনও সাহেবদের অফিস বরাবর ই-মেইল করে বিষয়টি জানানো হয়। কিন্তু সমস্যার সমাধান আসে নাই। হতে পারে বিষয়টি তাদের কার্যক্ষমতা বাইরে। তাহলে বিষয়টি সমাধান করবে কে?

আরিচা এবং কাজিরহাট ঘাটে লঞ্চ ও স্পিড বোটের টিকেট কাউন্টারের মতো করে ফেরি ঘাটেরও টিকেট কাউন্টার করা অত্যন্ত জরুরি লঞ্চ ও স্পিড বোটে টিকেট কাউন্টারের মতো যদি ফেরি ঘাটে টিকেট কাউন্টার থাকে তাহলে যাত্রীদের এই হেনস্তায় পড়তে হবে না। টিকেট ব্ল্যাকারদের হাত থেকে সাধারণ যাত্রীদের বাঁচাতে খুব তাড়াতাড়ি ফেরি ঘাটে ফেরি পারাপারের টিকেট কাউন্টার চাই। টিকেট কাউন্টার থাকলে সাধারণ যাত্রীদের আর অতিরিক্ত গুণতে হবে না চার টাকা।

শাবলু শাহাবউদ্দিন

স্কুলে নির্যাতন: আদর্শের আড়ালে বাস্তবতা

টেলিটকে ওয়াইফাই কলিং: সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সম্ভাবনা

প্রাথমিক শিক্ষা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন

ইজি বাইক থেকে খাবারের থালা: সিসার ছায়া আমাদের চারপাশে

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মডেল: বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয় শিক্ষা ও নীতি

গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষির অবদান

শহরের পাখিরা যখন মরার প্রহর গুনে

ধর্মের নামে বর্বরতা

টেকসই শহরের একান্ত প্রয়োজন

সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি

সুন্দরবনের বাঘ ও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা : আর্শীবাদ নাকি অভিশাপ

সমুদ্রগবেষণায় পশ্চাৎপদতা মৎস্য খাতের ভবিষ্যৎকেই ঝুঁকিতে ফেলছে

কিশোর গ্যাং–সংস্কৃতি: সমাজের জন্য বাড়তে থাকা অশনি সংকেত

ডিগ্রি হাতে, চাকরি স্বপ্নে: শিক্ষিত বেকারদের মানসিক ক্ষয়

সরকারি কর্মচারীদের কর্মেই মুক্তি নাকি আন্দোলনে?

কর্মজীবী নারীর অদৃশ্য মানসিক বোঝা

নগর সংস্কৃতিতে ঐতিহ্যের বিলুপ্তি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আগাম সতর্কবার্তাই কি যথেষ্ট?

সুলতানপুরে করতোয়া নদীর তাণ্ডব: নদীভাঙনে মানুষের জীবন বিপন্ন

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সম্ভাবনা বিস্তৃত, অনিয়মের ছায়াও গভীর

গেন্ডারিয়ায় সড়ক ও ড্রেন সংস্কারে অনিয়ম: জনদূর্ভোগ বৃদ্ধি

প্রবীণদের সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি

পলিভিনাইলের ব্যবহার প্রতিরোধ জরুরি

বৈধ সনদধারীদের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি

টেকসই দুর্যোগ প্রস্তুতিতে জরুরি বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন

জলবায়ু পরিবর্তন ও নারী ও কিশোরীদের ঝুঁকি

মেধা হারাচ্ছে দেশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় : অযৌক্তিক ফি, সেশনজট ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলায় বিপর্যস্ত শিক্ষার্থী

সামাজিক মাধ্যমের ভুবনে জনতুষ্টিবাদের নতুন রূপ

ভেজাল খেজুরগুড় ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক ক্যাডারের প্রয়োজনীয়তা

প্লাস্টিক বর্জ্যে মাছের মৃত্যু: সমাধান কোথায়

খোলা ম্যানহোল: ঢাকার রাজপথে এক নীরব মরণফাঁদ

গণপরিবহন: প্রতিদিনের যন্ত্রণার শেষ কবে?

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পুনর্জাগরণ

tab

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : চার টাকার সমাধান করবে কে?

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট ২০২৩

আরিচা এবং কাজিরহাট ঘাট এখন বঙ্গবন্ধু সেতুর বিকল্প পথ হিসেবে কাজ করছে। উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষ বঙ্গবন্ধু সেতুর বিকল্প পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন আরিচা ও কাজিরহাট ঘাট। কারণ এই পথে ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও পশ্চিমবঙ্গের মানুষের দূরত্ব এবং পরিবহন ভাড়া অনেকটাই সাশ্রয়ী করেছে।

দীর্ঘদিন আরিচা ও কাজিরহাট ঘাট বন্ধ ছিলে। বছরখানেক হল এই দুই ঘাট আবার ফেরি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। প্রথম দিকে যখন ফেরি চলাচল শুরু হয়, তখন এই ফেরি পথে জনপ্রতি ভাড়া আদায় হতো ২৫ টাকা। যা সাধারণ জনগণের জন্য ছিল দারুণ একটা সুখবর। বর্তমানে সেই ভাড়া বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ৩৬ টাকা। কিন্তু জন প্রতি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ৪০ টাকা। ৪০ টাকা ভাড়া আদায় করে হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে ৩৬ টাকা সমমূল্যের একটা টিকেট।

টিকেটের গায়ে লেখা আছে ৩৬ টাকা। আর বাড়তি আদায় করা হচ্ছে চার টাকা। এই বাড়তি আদায়কৃত চার টাকার জন্য দেয়া হচ্ছে না কোন আদায় রশিদ। অনেক যাত্রী এই বাড়তি চার টাকা দিতে না চাইলে তাদের ফেরিতে পারাপার হতে দেয়া হচ্ছে না। ফলে তাদের পরে পাড় হতে হচ্ছে স্পিড বোটে। তখন গুণতে হচ্ছে দুইশ টাকা। বাড়তি চার টাকা যারা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে, তাদের কপালে জুটছে দুর্ভোগ। কখনো যাত্রীদের মারধরও করছে তারা- যা শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকান্ড ছাড়া আর কিছু না।

দিনে ৩০০০ জন যাত্রী পারাপার হলে বছরে আদায় হয় ৪৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। সাধারণ জনগণের পকেট থেকে আদায় করা হচ্ছে এই টাকা। প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

যারা ভাড়া আদায় করছে তাদের কোন ভাড়া আদায়ের কাউন্টার নেই। আরিচা এবং কাজিরহাট ফেরি পারাপারের জন্য যে টিকেট কাটা হয় তা কোন টিকেট কাউন্টার থেকে নয়। টিকেট কাটতে হয় ব্ল্যাকারদের হাত থেকে। ব্ল্যাকারেরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিত্য যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এই বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পাবনা এবং মানিকগঞ্জ ভোক্তা অধিকার অফিসে ই-মেইল করে জানানো হলেও তার কোন সুরাহা হয়নি। এমনকি পাবনা জেলা প্রশাসকের বরাবর ই-মেইল করে জানা হয়ে ছিল। তাতেও কোন সমাধান হয়নি। বেড়া , সুজানগর, শিবালয়ের ইউএনও সাহেবদের অফিস বরাবর ই-মেইল করে বিষয়টি জানানো হয়। কিন্তু সমস্যার সমাধান আসে নাই। হতে পারে বিষয়টি তাদের কার্যক্ষমতা বাইরে। তাহলে বিষয়টি সমাধান করবে কে?

আরিচা এবং কাজিরহাট ঘাটে লঞ্চ ও স্পিড বোটের টিকেট কাউন্টারের মতো করে ফেরি ঘাটেরও টিকেট কাউন্টার করা অত্যন্ত জরুরি লঞ্চ ও স্পিড বোটে টিকেট কাউন্টারের মতো যদি ফেরি ঘাটে টিকেট কাউন্টার থাকে তাহলে যাত্রীদের এই হেনস্তায় পড়তে হবে না। টিকেট ব্ল্যাকারদের হাত থেকে সাধারণ যাত্রীদের বাঁচাতে খুব তাড়াতাড়ি ফেরি ঘাটে ফেরি পারাপারের টিকেট কাউন্টার চাই। টিকেট কাউন্টার থাকলে সাধারণ যাত্রীদের আর অতিরিক্ত গুণতে হবে না চার টাকা।

শাবলু শাহাবউদ্দিন

back to top