alt

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

: শুক্রবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৩

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

প্রতিটি শহরে কমছে মাঠ ও খোলা জায়গার সংখ্যা। বড় কারণ বহুতল ভবন নির্মাণ। এতে বিনষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। শিশুদের মোবাইলবন্ধী শৈশব থেকে বের করে খেলাধূলায় আগ্রহী করতে চাইলেও শহরে নেই সেইরকম পর্যাপ্ত নিরাপদ পরিবেশ। যতটুকু আছে তাও মাদকসেবীদের কারণে নষ্ট হওয়ার পথে। ফলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিকেলে কিংবা সন্ধ্যার পর প্রাকৃতিক পরিবেশে কিছু সময় কাটানো কিংবা মাঠে খেলাধুলার জন্য পাঠাতে চাইলেও সম্ভব হচ্ছে না নিরাপদ পরিবেশ না থাকায়।

মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তবুও কমছে না মাদকসেবীর সংখ্যা। বরং দিন দিন মাদক ব্যবসা ও মাদকাসক্তের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাড়ছে। শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ, শিক্ষিত অশিক্ষিত, ভবঘুরে সব বয়স-শ্রেণীর মানুষই মাদকের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত হচ্ছে। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রেহায় পাচ্ছে না খেলার মাঠগুলো। ভোর থেকে গভীর রাত্র পর্যন্ত চট্টগ্রাম শহরের খেলার মাঠগুলোর চারপাশে মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

মাদকসেবীরা সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ববান লোক কিংবা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সতর্ক হয়ে গেলেও স্কুলের শিক্ষার্থী, পথচারী কিংবা মাঠে খেলারত ছেলেদের সামনে দেদার মাদকসেবনে মত্ত থাকে। কেউ প্রতিবাদ করে তাদের সরে যেতে বললে সরে না গিয়ে উল্টো মারমুখী আচরণ করে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ প্যারেড গ্রাউন্ড, সিটি কর্পোরেশনের অধীনস্থ লালদিঘীর মাঠ, ময়দার মিলের স্কুল মাঠসহ নগরীর প্রায় সকল উন্মুক্ত মাঠের মধ্যে মাদকসেবীর আড্ডা বৃদ্ধি পাওয়ায় কোমলমতি ছাত্রছাত্রী, শিশুদের খেলাধুলায় চরম বিঘ্ন ঘটছে। শুধু চট্টগ্রামেই নয়, ঢাকা এবং ব্যস্ত শহরগুলোতেও একই চিত্র। কর্তৃপক্ষ খেলার মাঠগুলোর সৌন্দর্য্যবৃদ্ধি করেছে। শিশুদের জন্য দোলনা সহ বিভিন্ন ধরনের খেলা সামগ্রীও স্থাপন করেছে।

কিন্তু অভিভাবকরা তাদের শিশু সন্তানদের নিয়ে মাঠে আসার পর মাদকসেবীদের আনাগোনা এবং মাদকের দুর্গন্ধের ফলে সন্তানদের নিয়ে মাঠে সময় কাটানোর পরিবর্তে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে হয়। এ নিয়ে সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে মাঠ কর্তৃপক্ষ কিংবা স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতাজারী না করায় এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করার ফলে মাদকসেবীদের আড্ডা দিন দিন বাড়ছেই।

শুধু খেলার মাঠেই নয়, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লালদিঘীর মসজিদ এলাকা ও হযরত শাহ সূফী আমানত খান (র.) মাজার এলাকা ও লালদিঘীর উত্তর-পূর্বপাড়, সিটি কর্পোরেশনের লাইব্রেরী ভবনের দক্ষিণে খেলার মাঠের পাশে, এবং আমানত শাহ মাজার গেইটের সম্মুখে অর্থাৎ জেল রোডে মাদকাসক্তদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। মাদকসেবীরাই মাদকের টাকা জোগাড়ের জন্য এলাকায় চুরি ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটায়।

কাজেই চট্টগ্রাম শহরের সকল খেলার মাঠসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পাশে মাদকসেবীদের আড্ডাখানা গুড়িয়ে দেয়ার জন্য মাঠ কর্তৃপক্ষ নাগরিক সমাজ এবং প্রশাসন মিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিশু-কিশোর, ছাত্রছাত্রীসহ ক্রীড়া-বিনোদনপ্রেমী সকল মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং খেলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

জুবায়ের আহমেদ

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

tab

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শুক্রবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৩

প্রতিটি শহরে কমছে মাঠ ও খোলা জায়গার সংখ্যা। বড় কারণ বহুতল ভবন নির্মাণ। এতে বিনষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। শিশুদের মোবাইলবন্ধী শৈশব থেকে বের করে খেলাধূলায় আগ্রহী করতে চাইলেও শহরে নেই সেইরকম পর্যাপ্ত নিরাপদ পরিবেশ। যতটুকু আছে তাও মাদকসেবীদের কারণে নষ্ট হওয়ার পথে। ফলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিকেলে কিংবা সন্ধ্যার পর প্রাকৃতিক পরিবেশে কিছু সময় কাটানো কিংবা মাঠে খেলাধুলার জন্য পাঠাতে চাইলেও সম্ভব হচ্ছে না নিরাপদ পরিবেশ না থাকায়।

মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তবুও কমছে না মাদকসেবীর সংখ্যা। বরং দিন দিন মাদক ব্যবসা ও মাদকাসক্তের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাড়ছে। শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ, শিক্ষিত অশিক্ষিত, ভবঘুরে সব বয়স-শ্রেণীর মানুষই মাদকের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত হচ্ছে। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রেহায় পাচ্ছে না খেলার মাঠগুলো। ভোর থেকে গভীর রাত্র পর্যন্ত চট্টগ্রাম শহরের খেলার মাঠগুলোর চারপাশে মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

মাদকসেবীরা সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ববান লোক কিংবা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সতর্ক হয়ে গেলেও স্কুলের শিক্ষার্থী, পথচারী কিংবা মাঠে খেলারত ছেলেদের সামনে দেদার মাদকসেবনে মত্ত থাকে। কেউ প্রতিবাদ করে তাদের সরে যেতে বললে সরে না গিয়ে উল্টো মারমুখী আচরণ করে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ প্যারেড গ্রাউন্ড, সিটি কর্পোরেশনের অধীনস্থ লালদিঘীর মাঠ, ময়দার মিলের স্কুল মাঠসহ নগরীর প্রায় সকল উন্মুক্ত মাঠের মধ্যে মাদকসেবীর আড্ডা বৃদ্ধি পাওয়ায় কোমলমতি ছাত্রছাত্রী, শিশুদের খেলাধুলায় চরম বিঘ্ন ঘটছে। শুধু চট্টগ্রামেই নয়, ঢাকা এবং ব্যস্ত শহরগুলোতেও একই চিত্র। কর্তৃপক্ষ খেলার মাঠগুলোর সৌন্দর্য্যবৃদ্ধি করেছে। শিশুদের জন্য দোলনা সহ বিভিন্ন ধরনের খেলা সামগ্রীও স্থাপন করেছে।

কিন্তু অভিভাবকরা তাদের শিশু সন্তানদের নিয়ে মাঠে আসার পর মাদকসেবীদের আনাগোনা এবং মাদকের দুর্গন্ধের ফলে সন্তানদের নিয়ে মাঠে সময় কাটানোর পরিবর্তে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে হয়। এ নিয়ে সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে মাঠ কর্তৃপক্ষ কিংবা স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতাজারী না করায় এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করার ফলে মাদকসেবীদের আড্ডা দিন দিন বাড়ছেই।

শুধু খেলার মাঠেই নয়, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লালদিঘীর মসজিদ এলাকা ও হযরত শাহ সূফী আমানত খান (র.) মাজার এলাকা ও লালদিঘীর উত্তর-পূর্বপাড়, সিটি কর্পোরেশনের লাইব্রেরী ভবনের দক্ষিণে খেলার মাঠের পাশে, এবং আমানত শাহ মাজার গেইটের সম্মুখে অর্থাৎ জেল রোডে মাদকাসক্তদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। মাদকসেবীরাই মাদকের টাকা জোগাড়ের জন্য এলাকায় চুরি ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটায়।

কাজেই চট্টগ্রাম শহরের সকল খেলার মাঠসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পাশে মাদকসেবীদের আড্ডাখানা গুড়িয়ে দেয়ার জন্য মাঠ কর্তৃপক্ষ নাগরিক সমাজ এবং প্রশাসন মিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিশু-কিশোর, ছাত্রছাত্রীসহ ক্রীড়া-বিনোদনপ্রেমী সকল মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং খেলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

জুবায়ের আহমেদ

back to top