alt

চিঠিপত্র

নবায়নযোগ্য জ্বালানি

: সোমবার, ০৮ নভেম্বর ২০২১

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

গোটা বিশ্বই বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন আর পরিবেশ নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। একদিকে উন্নত বিশ্বের অবাধে কার্বন নির্গমন অব্যাহত আর অন্যদিকে দরিদ্র জাতিগোষ্ঠীর দুর্ভোগ আর স্বাস্থ্য ঝুঁকি। এসব কারণে বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সময়োপযোগী একটি পরিবেশ বান্ধব শক্তি এবং কার্বন নিঃসরণ মুক্ত উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং একটি টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থায় পৌঁছানোর জন্য জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাপী পরিবেশবাদী দলগুলো নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের ওপর উৎসাহ ও জোর দিয়ে আসছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি এমন এক শক্তির উৎস, যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন- সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি, ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাঁটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। জীবাশ্ম জ্বালানির বিপরীতে নবায়নযোগ্য শক্তি বর্তমানে বিশ্বে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। অধিকাংশ দেশ তাদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা মেটাতে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম শিকার বাংলাদেশও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিক থেকে পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশকে জার্মানিসহ বেশ কিছু উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা এক্ষেত্রে সহায়তা করছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে প্রতিশ্রুতির অভাব, জমির সংকট, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং প্রচলিত জ্বালানির পক্ষে কঠোর আমলাতান্ত্রিক মানসিকতার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। তবে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তি এখন টেক অফ পর্যায়ে চলে এসেছে। টেক অফের পর্যায়ে সব সেক্টরকেই বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে পারলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি হবে আগামীর চালিকাশক্তি।

জিল্লুর রহমান

গেণ্ডারিয়া, ঢাকা

চিঠি : দুমকিতে বাসস্ট্যান্ড চাই

চিঠি : স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই

চিঠি : জন্মসনদে এত ভুল কেন?

চিঠি : স্পিড ব্রেকার প্রসঙ্গে

চিঠি : জাবি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবীমা নিশ্চিত করুন

চিঠি : অসতর্কতায় সড়ক দুর্ঘটনা

চিঠি : তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করুন

চিঠি : নিরাপদ সড়কের দাবি

চিঠি : বিদেশের কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের মুক্তির ব্যবস্থা নিন

চিঠি : শীতার্ত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসুন

চোরচক্র থকেে সাবধান

প্রিয়জনের চিঠি পেতে গুনতে হয় না প্রহর

চিঠি : গণপরিবহনে যাত্রী ভোগান্তি

চিঠি : হাতিয়া গণহত্যা

চিঠি : আদালতের কর্মচারীদের অবৈধ অর্থ আদায় প্রসঙ্গে

চিঠি : মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা

চিঠি : এসেছে হেমন্ত

চিঠি : বিদায় অনুষ্ঠানের একাল-সেকাল

প্লাস্টিকের বিনিময়

বন্যহাতি রক্ষা করতে হবে

চিঠি : ছিন্নমূল মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন

চিঠি : বিন্নি ধানের খই

চিঠি : অস্থায়ী আবাসনে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

চিঠি : বাকৃবির গণরুম সমস্যার সমাধান চাই

চিঠি : পরিবেশবান্ধব বাহন

চিঠি : স্মার্টফোনের দাম কমানো হোক

ফেনীতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চাই

পনির-এ আছে পুষ্টি

চিঠি : ইপিজেড : সম্ভাবনার নতুন দ্বার

চিঠি : স্বেচ্ছায় রক্তদান

চিঠি : নিরাপদ সড়ক চাই

চিঠি : বাকৃবিতে ছাত্রী হলে নিরাপত্তা সংকট

চিঠি : জানার জন্য পড়তে হবে

ডাচণ্ডবাংলা ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তি

চিঠি : তামাক কোম্পানির প্রচারের কূটকৌশল

চিঠি : কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের দুর্দশা

tab

চিঠিপত্র

নবায়নযোগ্য জ্বালানি

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

সোমবার, ০৮ নভেম্বর ২০২১

গোটা বিশ্বই বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন আর পরিবেশ নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। একদিকে উন্নত বিশ্বের অবাধে কার্বন নির্গমন অব্যাহত আর অন্যদিকে দরিদ্র জাতিগোষ্ঠীর দুর্ভোগ আর স্বাস্থ্য ঝুঁকি। এসব কারণে বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সময়োপযোগী একটি পরিবেশ বান্ধব শক্তি এবং কার্বন নিঃসরণ মুক্ত উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং একটি টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থায় পৌঁছানোর জন্য জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাপী পরিবেশবাদী দলগুলো নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের ওপর উৎসাহ ও জোর দিয়ে আসছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি এমন এক শক্তির উৎস, যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন- সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি, ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাঁটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। জীবাশ্ম জ্বালানির বিপরীতে নবায়নযোগ্য শক্তি বর্তমানে বিশ্বে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। অধিকাংশ দেশ তাদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা মেটাতে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম শিকার বাংলাদেশও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিক থেকে পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশকে জার্মানিসহ বেশ কিছু উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা এক্ষেত্রে সহায়তা করছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে প্রতিশ্রুতির অভাব, জমির সংকট, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং প্রচলিত জ্বালানির পক্ষে কঠোর আমলাতান্ত্রিক মানসিকতার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। তবে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তি এখন টেক অফ পর্যায়ে চলে এসেছে। টেক অফের পর্যায়ে সব সেক্টরকেই বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে পারলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি হবে আগামীর চালিকাশক্তি।

জিল্লুর রহমান

গেণ্ডারিয়া, ঢাকা

back to top