alt

চিঠিপত্র

চিঠি : সঠিকভাবে গুদামজাতকরণে নজর দিতে হবে

: সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শস্যমানের অবনতি রোধই গুদামজাতকরণের প্রাথমিক লক্ষ্য। কাজটি প্রত্যক্ষভাবে না করে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ, নির্বিঘ্ন বায়ু চলাচল এবং জীবাণু সংক্রমণ, কীটপতঙ্গ ও ইদুরের আক্রমণ রোধের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে কৃষকরা নিজেদের খাদ্য চাহিদা মিটানো এবং বীজ হিসেবে ব্যবহারের জন্য খাদ্যশস্য গুদামজাত করে থাকে। এভাবে সঞ্চিত শস্য মোটামুটি মোট উৎপাদনের ১০-১০০ ভাগ হতে পারে। গড় গুদামজাতকরণের পরিমাণ উৎপন্ন শস্যের প্রায় ৭০ ভাগ। খাদ্যশস্য পাত্রে বা ভাঁড়ারে রাখা হয়। বাংলাদেশে এজন্য ব্যবহৃত পাত্রের মধ্যে রয়েছে মটকা, মাটির হাঁড়ি, পাটের বস্তা ইত্যাদি। অধিক পরিমাণ শস্য রাখা হয় সনাতন গুদামজাতকরণ ব্যবস্থায় ভাঁড়ার, গোলাঘর ও সাইলো অথবা ভূগর্ভস্থ শস্যাগারে। প্রাপ্ত শস্যের প্রায় ৯০ ভাগ ভাঁড়ারে সঞ্চিত থাকে।

গ্রামাঞ্চলে গুদামজাত থাকে মোট উৎপন্ন শস্যের ৮০ ভাগ এবং তা সনাতন গুদামজাতকরণ ব্যবস্থায় সম্পন্ন হয়। গুদামজাতকরণের সনাতন কৌশল সাংস্কৃতিক রীতিনীতিতেই প্রোথিত এবং তা বংশপরম্পরায় অব্যাহত রয়েছে। খাদ্যদ্রব্যের ধরন ও শস্যাদির পরিমাণ অনুযায়ী শস্যাগারের নমুনা ও ধারণক্ষমতা নির্ধারিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশে খামার পর্যায়ে বিভিন্ন প্রকারের প্রায় ৮ ধরনের গুদামজাতকরণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে সাধারণ প্রচলিত শস্যাগারগুলো হচ্ছে ধানগোলা যা বেত বা বাঁশের তৈরি মাঝারি ও বড় আকারের চোঙাকার বা আয়তাকার পাত্র, বেড় বা বাঁশের তৈরি মাঝারি ধারণক্ষমতার চোঙাকার পাত্র ও ডোল বা স্বল্প ধারণক্ষমতার বাঁশনির্মিত চোঙাকার ভান্ড। বাঁশের তৈরি ভান্ডের মধ্যে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় ডোল ও বেড়।

বস্তাভর্তি শস্য শস্যাগারে গুদামজাত করা হয়। এগুলিকে মামুলি গুদামঘর বলা হয়ে থাকে। বস্তাভর্তি খাদ্যশস্য গুদামজাতকরণ ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে স্থানীয় মালগুদাম। গ্রামাঞ্চলে ও শহরের মহল্লা এলাকায় ও কেন্দ্রীয় মালগুদাম রয়েছে আঞ্চলিক পর্যায়ে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় মালগুদামগুলো মূলত খাদ্যশস্যের স্বল্পমেয়াদি ভান্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এসব খাদ্যশস্য ফসল কাটার মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে সংগৃহীত অথবা অন্যান্য স্থানীয় মালগুদাম, কেন্দ্রীয় মালগুদাম ও সাইলো থেকে আনা। অন্যান্য স্থানীয় মালগুদাম, কেন্দ্রীয় মালগুদাম ও রেশন দোকানগুলোতে পাঠানোর জন্য আমদানিকৃত শস্যও এগুলোতে রাখা হয়। দেশে জরুরি প্রয়োজনের সময় খাদ্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা হিসেবে খাদ্যশস্য, বিশেষত গম গুদামজাত করার জন্য সাইলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

আরাফাত রহমান

চিঠি : আকাশ সংস্কৃতি

চিঠি : বাকসু নির্বাচন চাই

চিঠি : মোবাইল আসক্তি

চিঠি : কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে

চিঠি : দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জনগণের নাভিশ্বাস

চিঠি : পদ্মা সেতুর টোল

চিঠি : অনুমোদনহীন ফার্মেসি

চিঠি : বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে

চিঠি : হালদায় দূষণ ঠেকাতে হবে

চিঠি : ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলবাসীদের দুর্ভোগ

চিঠি : সরকারি সহায়তা পেতে ভোগান্তি দূর করুন

চিঠি : ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হওয়া উচিত

চিঠি : প্রবাসী নারী শ্রমিকের নিরাপত্তা

চিঠি : মানসিক ভারসাম্যহীনদের অধিকার

চিঠি : সন্দ্বীপ নৌপথে দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান চাই

চিঠি : নজর দিতে হবে পর্যটনশিল্পে

চিঠি : পরিবেশ দূষণের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি

চিঠি :মাদকমুক্ত সুস্থ পরিবেশ চাই

চিঠি : ইডেন কলেজের আবাসন সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিন

চিঠি : শিশুদের মোবাইল ফোন আসক্তি

চিঠি : পেরেক ঠুকে গাছে বিজ্ঞাপন টাঙানো বন্ধ হোক

চিঠি : তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি : এর শেষ কোথায়

চিঠি : রাস্তায় খড় শুকানোর বিপদ

চিঠি : বজ্রপাত থেকে বাঁচতে করণীয়

চিঠি : লালপোল ক্রসিংয়ে ওভারপাস নির্মাণ করা হোক

চিঠি : সে কথা ভুলে যেও না

চিঠি : রাস্তাটি পাকা করা হোক

চিঠি : গবেষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে

চিঠি : পত্রিকা পাঠের অভ্যাস গড়ে তুলুন

চিঠি : নারীর নিরাপত্তা চাই

চিঠি : অযথা টেস্ট নয়

চিঠি : নবায়নযোগ্য জ্বালানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে

চিঠি : স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন

চিঠি : ঈদযাত্রা

চিঠি : জাকাত মানে শাড়ি-লুঙ্গি কিংবা ঈদ বোনাস নয়

চিঠি : বৃহৎ শক্তির আগ্রাসন

tab

চিঠিপত্র

চিঠি : সঠিকভাবে গুদামজাতকরণে নজর দিতে হবে

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২

শস্যমানের অবনতি রোধই গুদামজাতকরণের প্রাথমিক লক্ষ্য। কাজটি প্রত্যক্ষভাবে না করে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ, নির্বিঘ্ন বায়ু চলাচল এবং জীবাণু সংক্রমণ, কীটপতঙ্গ ও ইদুরের আক্রমণ রোধের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে কৃষকরা নিজেদের খাদ্য চাহিদা মিটানো এবং বীজ হিসেবে ব্যবহারের জন্য খাদ্যশস্য গুদামজাত করে থাকে। এভাবে সঞ্চিত শস্য মোটামুটি মোট উৎপাদনের ১০-১০০ ভাগ হতে পারে। গড় গুদামজাতকরণের পরিমাণ উৎপন্ন শস্যের প্রায় ৭০ ভাগ। খাদ্যশস্য পাত্রে বা ভাঁড়ারে রাখা হয়। বাংলাদেশে এজন্য ব্যবহৃত পাত্রের মধ্যে রয়েছে মটকা, মাটির হাঁড়ি, পাটের বস্তা ইত্যাদি। অধিক পরিমাণ শস্য রাখা হয় সনাতন গুদামজাতকরণ ব্যবস্থায় ভাঁড়ার, গোলাঘর ও সাইলো অথবা ভূগর্ভস্থ শস্যাগারে। প্রাপ্ত শস্যের প্রায় ৯০ ভাগ ভাঁড়ারে সঞ্চিত থাকে।

গ্রামাঞ্চলে গুদামজাত থাকে মোট উৎপন্ন শস্যের ৮০ ভাগ এবং তা সনাতন গুদামজাতকরণ ব্যবস্থায় সম্পন্ন হয়। গুদামজাতকরণের সনাতন কৌশল সাংস্কৃতিক রীতিনীতিতেই প্রোথিত এবং তা বংশপরম্পরায় অব্যাহত রয়েছে। খাদ্যদ্রব্যের ধরন ও শস্যাদির পরিমাণ অনুযায়ী শস্যাগারের নমুনা ও ধারণক্ষমতা নির্ধারিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশে খামার পর্যায়ে বিভিন্ন প্রকারের প্রায় ৮ ধরনের গুদামজাতকরণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে সাধারণ প্রচলিত শস্যাগারগুলো হচ্ছে ধানগোলা যা বেত বা বাঁশের তৈরি মাঝারি ও বড় আকারের চোঙাকার বা আয়তাকার পাত্র, বেড় বা বাঁশের তৈরি মাঝারি ধারণক্ষমতার চোঙাকার পাত্র ও ডোল বা স্বল্প ধারণক্ষমতার বাঁশনির্মিত চোঙাকার ভান্ড। বাঁশের তৈরি ভান্ডের মধ্যে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় ডোল ও বেড়।

বস্তাভর্তি শস্য শস্যাগারে গুদামজাত করা হয়। এগুলিকে মামুলি গুদামঘর বলা হয়ে থাকে। বস্তাভর্তি খাদ্যশস্য গুদামজাতকরণ ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে স্থানীয় মালগুদাম। গ্রামাঞ্চলে ও শহরের মহল্লা এলাকায় ও কেন্দ্রীয় মালগুদাম রয়েছে আঞ্চলিক পর্যায়ে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় মালগুদামগুলো মূলত খাদ্যশস্যের স্বল্পমেয়াদি ভান্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এসব খাদ্যশস্য ফসল কাটার মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে সংগৃহীত অথবা অন্যান্য স্থানীয় মালগুদাম, কেন্দ্রীয় মালগুদাম ও সাইলো থেকে আনা। অন্যান্য স্থানীয় মালগুদাম, কেন্দ্রীয় মালগুদাম ও রেশন দোকানগুলোতে পাঠানোর জন্য আমদানিকৃত শস্যও এগুলোতে রাখা হয়। দেশে জরুরি প্রয়োজনের সময় খাদ্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা হিসেবে খাদ্যশস্য, বিশেষত গম গুদামজাত করার জন্য সাইলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

আরাফাত রহমান

back to top