alt

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : মাদকসেবীদের আড্ডাখানা গুঁড়িয়ে দিন

: রোববার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২২

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

যুব সমাজ ধ্বংসের অন্যতম হাতিয়ার মাদক। মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরপরও কমছে না মাদকসেবীর সংখ্যা বরং দিন দিন মাদক ব্যবসা ও মাদকাসক্তের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাড়ছে। শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ, শিক্ষিত অশিক্ষিত, ভবঘুরে সব বয়স-শ্রেণীর মানুষই মাদকের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত হচ্ছে। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রেহাই পায়নি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লালদিঘীর মসজিদ এলাকা ও হযরত শাহ সূফী আমানত খান (র.) মাজার এলাকাও। লালদিঘীর উত্তর-পূর্বপাড়, সিটি কর্পোরেশনের লাইব্রেরি ভবনের দক্ষিণে খেলার মাঠের পাশে এবং আমানত শাহ মাজার গেটের সম্মুখে অর্থাৎ জেল রোডে মাদকাসক্তদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এসব মাদকাসক্তদের অধিকাংশই ভবঘুরে প্রকৃতির লোক। যারা প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকেই মাদক সেবনে ব্যস্ত হয়ে উঠে। তাদের অবাধ মাদকসেবন দেখে অনেকেই মাদকের ভয়াবহতা কিংবা আইনের কঠোরতা ভুলে মাদক সেবনের সাহস পাবে। সর্বোপরি নিষিদ্ধ মাদকের বিষয়ে ভুল বার্তা ছড়াবে।

চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘীরপাড় শহরের অত্যন্ত ব্যস্ততম এলাকা। পার্শ্ববর্তী আমানত শাহ (রা.) দরগাহ, কেন্দ্রীয় কারাগার, পুলিশ হেড কোয়ার্টার, মুসলিম হাই স্কুল, লালদিঘী জামে মসজিদ, নবনির্মিত লাইব্রেরি ভবন, টেরিবাজার, জহুর হকার্স মার্কেট, জেলা পরিষদ মার্কেটসহ কোর্টহিলে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু ভবঘুরে মাদকসেবীদের কারণে মানুষজন নির্বিঘ্নে হাঁটাচলা করতে পারেন না। মাদকসেবীরা মাদক সেবনের পাশাপাশি ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটায়। পাশেই জেলা কারাগার, পুলিশ হেড কোয়ার্টার ও কোতোয়ালি থানা থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টহল না থাকায় তাদের নাকের ডগায় মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়ছেই।

চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ এসব এলাকায় সাধারণ মানুষ যাতে সকাল-সন্ধ্যা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। উল্লেখিত স্থানসমূহে মাদকসেবীদের আড্ডাখানা গুঁড়িয়ে দিতে মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।

জুবায়ের আহমেদ

বাকলিয়া, চট্টগ্রাম

সংশোধনী : গত বৃহস্পতিবার ‘জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা জরুরি’ শীর্ষক চিঠির প্রকৃত লেখক আফরোজা আক্তার। অসাবধানতাবশত চিঠিটি ভিন্ন নামে প্রকাশিত হয়েছে। দুঃখিত। বি.স

ফুটপাথের উন্মুক্ত টয়লেট: নগর জীবনের অস্বস্তি

ধূমপান সংক্রান্ত নতুন অধ্যাদেশ কি আলোর মুখ দেখবে?

কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সংকট

ক্যাম্পাস বাসে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য: শিক্ষার্থীদের নিত্য বিড়ম্বনা

তামাক: রাজস্বের মোহে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি

স্কুলে নির্যাতন: আদর্শের আড়ালে বাস্তবতা

টেলিটকে ওয়াইফাই কলিং: সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সম্ভাবনা

প্রাথমিক শিক্ষা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন

ইজি বাইক থেকে খাবারের থালা: সিসার ছায়া আমাদের চারপাশে

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মডেল: বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয় শিক্ষা ও নীতি

গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষির অবদান

শহরের পাখিরা যখন মরার প্রহর গুনে

ধর্মের নামে বর্বরতা

টেকসই শহরের একান্ত প্রয়োজন

সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি

সুন্দরবনের বাঘ ও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা : আর্শীবাদ নাকি অভিশাপ

সমুদ্রগবেষণায় পশ্চাৎপদতা মৎস্য খাতের ভবিষ্যৎকেই ঝুঁকিতে ফেলছে

কিশোর গ্যাং–সংস্কৃতি: সমাজের জন্য বাড়তে থাকা অশনি সংকেত

ডিগ্রি হাতে, চাকরি স্বপ্নে: শিক্ষিত বেকারদের মানসিক ক্ষয়

সরকারি কর্মচারীদের কর্মেই মুক্তি নাকি আন্দোলনে?

কর্মজীবী নারীর অদৃশ্য মানসিক বোঝা

নগর সংস্কৃতিতে ঐতিহ্যের বিলুপ্তি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আগাম সতর্কবার্তাই কি যথেষ্ট?

সুলতানপুরে করতোয়া নদীর তাণ্ডব: নদীভাঙনে মানুষের জীবন বিপন্ন

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সম্ভাবনা বিস্তৃত, অনিয়মের ছায়াও গভীর

গেন্ডারিয়ায় সড়ক ও ড্রেন সংস্কারে অনিয়ম: জনদূর্ভোগ বৃদ্ধি

প্রবীণদের সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি

পলিভিনাইলের ব্যবহার প্রতিরোধ জরুরি

বৈধ সনদধারীদের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি

টেকসই দুর্যোগ প্রস্তুতিতে জরুরি বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন

জলবায়ু পরিবর্তন ও নারী ও কিশোরীদের ঝুঁকি

মেধা হারাচ্ছে দেশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় : অযৌক্তিক ফি, সেশনজট ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলায় বিপর্যস্ত শিক্ষার্থী

সামাজিক মাধ্যমের ভুবনে জনতুষ্টিবাদের নতুন রূপ

ভেজাল খেজুরগুড় ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

tab

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : মাদকসেবীদের আড্ডাখানা গুঁড়িয়ে দিন

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

রোববার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২২

যুব সমাজ ধ্বংসের অন্যতম হাতিয়ার মাদক। মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরপরও কমছে না মাদকসেবীর সংখ্যা বরং দিন দিন মাদক ব্যবসা ও মাদকাসক্তের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাড়ছে। শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ, শিক্ষিত অশিক্ষিত, ভবঘুরে সব বয়স-শ্রেণীর মানুষই মাদকের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত হচ্ছে। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রেহাই পায়নি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লালদিঘীর মসজিদ এলাকা ও হযরত শাহ সূফী আমানত খান (র.) মাজার এলাকাও। লালদিঘীর উত্তর-পূর্বপাড়, সিটি কর্পোরেশনের লাইব্রেরি ভবনের দক্ষিণে খেলার মাঠের পাশে এবং আমানত শাহ মাজার গেটের সম্মুখে অর্থাৎ জেল রোডে মাদকাসক্তদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এসব মাদকাসক্তদের অধিকাংশই ভবঘুরে প্রকৃতির লোক। যারা প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকেই মাদক সেবনে ব্যস্ত হয়ে উঠে। তাদের অবাধ মাদকসেবন দেখে অনেকেই মাদকের ভয়াবহতা কিংবা আইনের কঠোরতা ভুলে মাদক সেবনের সাহস পাবে। সর্বোপরি নিষিদ্ধ মাদকের বিষয়ে ভুল বার্তা ছড়াবে।

চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘীরপাড় শহরের অত্যন্ত ব্যস্ততম এলাকা। পার্শ্ববর্তী আমানত শাহ (রা.) দরগাহ, কেন্দ্রীয় কারাগার, পুলিশ হেড কোয়ার্টার, মুসলিম হাই স্কুল, লালদিঘী জামে মসজিদ, নবনির্মিত লাইব্রেরি ভবন, টেরিবাজার, জহুর হকার্স মার্কেট, জেলা পরিষদ মার্কেটসহ কোর্টহিলে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু ভবঘুরে মাদকসেবীদের কারণে মানুষজন নির্বিঘ্নে হাঁটাচলা করতে পারেন না। মাদকসেবীরা মাদক সেবনের পাশাপাশি ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটায়। পাশেই জেলা কারাগার, পুলিশ হেড কোয়ার্টার ও কোতোয়ালি থানা থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টহল না থাকায় তাদের নাকের ডগায় মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়ছেই।

চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ এসব এলাকায় সাধারণ মানুষ যাতে সকাল-সন্ধ্যা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। উল্লেখিত স্থানসমূহে মাদকসেবীদের আড্ডাখানা গুঁড়িয়ে দিতে মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।

জুবায়ের আহমেদ

বাকলিয়া, চট্টগ্রাম

সংশোধনী : গত বৃহস্পতিবার ‘জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা জরুরি’ শীর্ষক চিঠির প্রকৃত লেখক আফরোজা আক্তার। অসাবধানতাবশত চিঠিটি ভিন্ন নামে প্রকাশিত হয়েছে। দুঃখিত। বি.স

back to top