জাঁ-নেসার ওসমান
“হিঃ হিঃ হি... মুরগা-ষাঁড়ের গল্প, কক অ্যান্ড বল স্টোরি, নির্বাচনের আগে এইসব কক অ্যান্ড বল স্টোরি কেউ হুনবোনি?”
“ওই ব্যাটা উড় ঝুড়ে বাঙাল, এটা কক অ্যান্ড বল স্টোরি না, এটা হচ্ছে ‘কক অ্যান্ড বুল স্টোরি’ মানে গাঁজাখুরি গল্প।”
“মাইনে, এইডা আপনি কী বলচেন যে! আমিতো ভাবলাম নির্বাচনের আগে আপনে মিছিলটিছিল করার জন্য নেতাকর্মীদের মুরোগ-পুলাও খাওয়াইবেন, তাই বুঝি কক অ্যান্ড বুল মানে ষাঁড়ের গোশতের কাচ্চি বিরিয়ানি সাপ্লাই করবেন...”
“ধাৎ বেটা, হাভাতে ঘরের ফকিরনীর পুত, সবকিছুতে খালি খাই খাই, এ্যতো খাই খাই করে করে তো তোর জাতির মাথায় পর্যন্ত পাবলিক টয়লেট বানিয়ে ছাড়লি। তারপরও তোদের খাই খাই ভাব যাচ্ছে না!”
“মাথায় টয়লেট করেন বা সারা শরীরে ইয়ে করেন, মাল দেখলে বাঙালি পাবলিকস সহ্য করা পারে না। দেখলেন না ৫ আগস্টের পরে, বন্যার সময় হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ লোকে আপনাদেরে বিশ্বাস করি লক্ষ লক্ষ টাকা ডোনেশন দিলো। আর আন্নেরা হাজার লোকের ব্যেবাগ জীবন দানের কথা ভুলি টিঁয়া লই মৌজ শুরু করলেন। হাঁসের গোশত খাইলেন। হেলিকপ্টার, পাজেরো, বামার সৌরভ পাই, আরে কিয়ের ইনকিলাব, ইনকিলাব তুই তফাৎ যাও। বস্তা বস্তা টিঁয়া তুমি ঘরে আও।”
“কাজটা কি ভালো হয়েছে?”
“ভালো হয়েচে না মন্দ হয়েচে, স্যেটাতো ইতিহাসে বিচার করবে, অহন দ্যেহেন না, ব্যেবাগতের চৌকাঠ পর্যন্ত ইতিহাসে খুলি খাই হ্যালার!”
“সেতো বুঝলাম তোর ইতিহাস কোনো অন্যায়কে ক্ষমা করে না, ক্ষমা করবেও না। কিন্তু এই ত্রয়োদশ নির্বাচনে তোরা যে জাতির কাছে ওয়াদা করছিস, দুর্নীতি বন্ধ করবি, আইন সকলের জন্য সমান, তাহলে হঠাৎ কেবল দুইটা সংবাদপত্র পুড়াইলি, বাকিগুলা কি আইনের ফাঁক দিয়া বেরিয়ে গেল?”
“শুনেন ভাই বকিগুলা আইনের ফাঁক দিয়া বাইরাই নাই। অহন খালি ট্রেইলার দ্যেখাইলাম। পুরা সিনেমা অহনও বাকি। এই যে মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা, নির্বাচনের অফিসাররে গালে প্রকাশ্য পাবলিকের সামনে জুতার বাড়ি, কব্বর থ্যেইক্কা লাশ তুইল্লা পোড়ানো, শত বছরের মাজার ভাঙা, ব্যেবাগতে খালি ট্রেইলার, একবার পাবলিকে মধ্যবিত্তের আফিম খাই আমাগোরে নির্বাচিত করলে, পুরা ফুল লেন্থ্ ফিচার ফিল্ম দ্যেখামু।”
“এইসব কথা বললে কী হবে! যে সব অফিসাররা বিগত চুয়ান্ন বছর ধরে একটা ক্ষমতার পা-চাটা সিস্টেম চালু করেছে সেটা হঠাৎ করে পাল্টে যাবে? এই সব ‘কক অ্যান্ড বুল স্টোরি’ কি কেউ বিশ্বাস করবে?”
“ভাইরে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের কথা কয়েন না, আপনে দ্যেখেন না, এইযে জেন-জি না গেনঞ্জি পোলাপানগুলা আইজ কয় ধানের শীষ সাধুবাদ, কাল কয় দাঁড়িপাল্লা জিন্দাবাদ, পরশু কয় জাতীয় পার্টি আর্শীবাদ। ব্যেচারারা পোলাপান রাজনীতির কিছুই বুঝে না, বামগো মতো বুজে খালি কোই গেলে হালুয়া-রুটির পরিমাণ বেশি, হেই দিকে লৌড় পাড়ের। দেশ-মানুষ-আত্মত্যাগ ব্যেবাগতি ভুয়া ভুয়া। খালি ট্যাকা পাইলেই হুক্কাহুয়া, হুক্কাহুয়া।”
“এইভাবে একটা জাতি চলতে পারে। বল তোর নিজের দেশে, তোর নিজের দ্বীপে যাওয়ার জন্য ভিসা লাগবে এইসব মেনে একটা তরুণ সমাজ কীভাবে আগাবে বল? দেশের তরুণরা যদি সত্য ন্যায়ের পথে না চলে তাহলে আমাদের মতো বাহাত্তোরে বুড়ো খাটাসগুলো কীভাবে দেশকে আগিয়ে নিবে?”
“ধুর মিয়া ফালতু কথা কয়েন না। ভারতের মুরারজী দেশাই ৮৪ বছর বয়েসে, ভারতের পুরধান মন্ত্রী। দেশ পরিচালনার জইন্য অভিজ্ঞ মানুষ লাগে। অনভিজ্ঞ পোলাপান দিয়া আর যাইহোক দেশ পরিচালনা সম্ভবনা। সিনেট মানে বুঝেন, সিনেট মানে সাদা চুলের সমাহার। হ্যেরে কয় সিনেটার।”
“কিন্তু তোর দেশের নেতারাতো চামচা পরিবেষ্টিত হয়ে, পাল্লা দিয়ে টাকা মেপে ঘুষ গ্রহণ করে যে আনন্দ পায়, তাতো তারা আর কোথায়ও পায়না রে। নতুন টাকার সুগন্ধের যে কী আমেজ তা তোর পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের বড় বড় নেতারা প্রমাণ করেছেন। দুনিয়ার বাঙালি দেশ-জাতির কথা ভুলে, অর্ধ-শিক্ষিত, অশিক্ষিত জনগণকে সততার স্বপ্ন দেখিয়ে খালি নিজের আখের গোছাও।”
“এইবার আর হ্যেতারা হাইত্তো ন’। কারণ হ্যেতারা মাইনে ন্যেতারা দেখছে, বেশি বেশি চুরি করলে পাবলিকে হ্যেতাগোরে মারি ঘর-বাড়িত আগুনদি, পুড়ি হালার। সৎ ভাবে দেশ না চালাইলে পাবলিকে হ্যের মরা বাপেরে হুদ্দা মারি হ্যালাইবো।”
“মরা বাপকে মার বা জ্যান্ত বাপকে মার, কথা হচ্ছে বাঙালি হয়ে বাঙালি মারার রাজনীতি তোরা যদি বন্ধ না করিস তখন দেখিস পাবলিক হতাশ হয়ে ভিনদেশী বাহিনিকে ডেকে আনবে।”
“হেঁ হেঁ হেঁ, বিদেশি বাহিনী বাংলার রাস্তায়, হেঁ হেঁ হেঁ এইরাম ‘কক অ্যান্ড বুল স্টোরি’ মানে গাঞ্জাখুরি গল্প আমারে হুনায়েন না!”
“ওম্মা অলরেডি চট্টগ্রামে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গণতান্ত্রিক দেশের সোলজাররা ঘুরছে...”
“আরে মিয়া ভাই হ্যেইডাতো আন্নের দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র স্ট্যাবলিস্টের লাই হ্যেতারা দিন-রাত কাম করের।”
“কী বললি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সেনাবাহিনী! তাহলে জনগণতন্ত্রের জনগণ কোথায়? হেঁ হেঁ হেঁ তুই আমাকে এ্যমোন ‘কক অ্যান্ড বুল স্টোরি’ মানে গাঞ্জাখুরি গল্প শুনাসনা ভাই, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সেনাবাহিনী! তোর কথা শুনলে ঘোড়াও হাসবে।”
“ভাই না ভালা, আমারে ঘোড়া কন, গাধা কন, ষাঁড় কন বা মুরোগ কন, আমি কিন্তুক কয়া দিলাম আপনের দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র অশিক্ষিত জনগণ আনা পারবো না, ব্যস।”
“তাহলে কে আনবে...”
“ত্রয়োদশ নির্বাচনে দ্যেহা যাইবো, ততক্ষণ চুপ থাকেন কথা কয়েন না...”
“ওকে ওয়েটিং ফর দি ফলাফল অব ত্রয়োদশ নির্বাচন। ততক্ষণ...”
“ততক্ষণ, মুখে কুলুপ আঁটেন। শাটআপ...”
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
জাঁ-নেসার ওসমান
বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬
“হিঃ হিঃ হি... মুরগা-ষাঁড়ের গল্প, কক অ্যান্ড বল স্টোরি, নির্বাচনের আগে এইসব কক অ্যান্ড বল স্টোরি কেউ হুনবোনি?”
“ওই ব্যাটা উড় ঝুড়ে বাঙাল, এটা কক অ্যান্ড বল স্টোরি না, এটা হচ্ছে ‘কক অ্যান্ড বুল স্টোরি’ মানে গাঁজাখুরি গল্প।”
“মাইনে, এইডা আপনি কী বলচেন যে! আমিতো ভাবলাম নির্বাচনের আগে আপনে মিছিলটিছিল করার জন্য নেতাকর্মীদের মুরোগ-পুলাও খাওয়াইবেন, তাই বুঝি কক অ্যান্ড বুল মানে ষাঁড়ের গোশতের কাচ্চি বিরিয়ানি সাপ্লাই করবেন...”
“ধাৎ বেটা, হাভাতে ঘরের ফকিরনীর পুত, সবকিছুতে খালি খাই খাই, এ্যতো খাই খাই করে করে তো তোর জাতির মাথায় পর্যন্ত পাবলিক টয়লেট বানিয়ে ছাড়লি। তারপরও তোদের খাই খাই ভাব যাচ্ছে না!”
“মাথায় টয়লেট করেন বা সারা শরীরে ইয়ে করেন, মাল দেখলে বাঙালি পাবলিকস সহ্য করা পারে না। দেখলেন না ৫ আগস্টের পরে, বন্যার সময় হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ লোকে আপনাদেরে বিশ্বাস করি লক্ষ লক্ষ টাকা ডোনেশন দিলো। আর আন্নেরা হাজার লোকের ব্যেবাগ জীবন দানের কথা ভুলি টিঁয়া লই মৌজ শুরু করলেন। হাঁসের গোশত খাইলেন। হেলিকপ্টার, পাজেরো, বামার সৌরভ পাই, আরে কিয়ের ইনকিলাব, ইনকিলাব তুই তফাৎ যাও। বস্তা বস্তা টিঁয়া তুমি ঘরে আও।”
“কাজটা কি ভালো হয়েছে?”
“ভালো হয়েচে না মন্দ হয়েচে, স্যেটাতো ইতিহাসে বিচার করবে, অহন দ্যেহেন না, ব্যেবাগতের চৌকাঠ পর্যন্ত ইতিহাসে খুলি খাই হ্যালার!”
“সেতো বুঝলাম তোর ইতিহাস কোনো অন্যায়কে ক্ষমা করে না, ক্ষমা করবেও না। কিন্তু এই ত্রয়োদশ নির্বাচনে তোরা যে জাতির কাছে ওয়াদা করছিস, দুর্নীতি বন্ধ করবি, আইন সকলের জন্য সমান, তাহলে হঠাৎ কেবল দুইটা সংবাদপত্র পুড়াইলি, বাকিগুলা কি আইনের ফাঁক দিয়া বেরিয়ে গেল?”
“শুনেন ভাই বকিগুলা আইনের ফাঁক দিয়া বাইরাই নাই। অহন খালি ট্রেইলার দ্যেখাইলাম। পুরা সিনেমা অহনও বাকি। এই যে মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা, নির্বাচনের অফিসাররে গালে প্রকাশ্য পাবলিকের সামনে জুতার বাড়ি, কব্বর থ্যেইক্কা লাশ তুইল্লা পোড়ানো, শত বছরের মাজার ভাঙা, ব্যেবাগতে খালি ট্রেইলার, একবার পাবলিকে মধ্যবিত্তের আফিম খাই আমাগোরে নির্বাচিত করলে, পুরা ফুল লেন্থ্ ফিচার ফিল্ম দ্যেখামু।”
“এইসব কথা বললে কী হবে! যে সব অফিসাররা বিগত চুয়ান্ন বছর ধরে একটা ক্ষমতার পা-চাটা সিস্টেম চালু করেছে সেটা হঠাৎ করে পাল্টে যাবে? এই সব ‘কক অ্যান্ড বুল স্টোরি’ কি কেউ বিশ্বাস করবে?”
“ভাইরে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের কথা কয়েন না, আপনে দ্যেখেন না, এইযে জেন-জি না গেনঞ্জি পোলাপানগুলা আইজ কয় ধানের শীষ সাধুবাদ, কাল কয় দাঁড়িপাল্লা জিন্দাবাদ, পরশু কয় জাতীয় পার্টি আর্শীবাদ। ব্যেচারারা পোলাপান রাজনীতির কিছুই বুঝে না, বামগো মতো বুজে খালি কোই গেলে হালুয়া-রুটির পরিমাণ বেশি, হেই দিকে লৌড় পাড়ের। দেশ-মানুষ-আত্মত্যাগ ব্যেবাগতি ভুয়া ভুয়া। খালি ট্যাকা পাইলেই হুক্কাহুয়া, হুক্কাহুয়া।”
“এইভাবে একটা জাতি চলতে পারে। বল তোর নিজের দেশে, তোর নিজের দ্বীপে যাওয়ার জন্য ভিসা লাগবে এইসব মেনে একটা তরুণ সমাজ কীভাবে আগাবে বল? দেশের তরুণরা যদি সত্য ন্যায়ের পথে না চলে তাহলে আমাদের মতো বাহাত্তোরে বুড়ো খাটাসগুলো কীভাবে দেশকে আগিয়ে নিবে?”
“ধুর মিয়া ফালতু কথা কয়েন না। ভারতের মুরারজী দেশাই ৮৪ বছর বয়েসে, ভারতের পুরধান মন্ত্রী। দেশ পরিচালনার জইন্য অভিজ্ঞ মানুষ লাগে। অনভিজ্ঞ পোলাপান দিয়া আর যাইহোক দেশ পরিচালনা সম্ভবনা। সিনেট মানে বুঝেন, সিনেট মানে সাদা চুলের সমাহার। হ্যেরে কয় সিনেটার।”
“কিন্তু তোর দেশের নেতারাতো চামচা পরিবেষ্টিত হয়ে, পাল্লা দিয়ে টাকা মেপে ঘুষ গ্রহণ করে যে আনন্দ পায়, তাতো তারা আর কোথায়ও পায়না রে। নতুন টাকার সুগন্ধের যে কী আমেজ তা তোর পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের বড় বড় নেতারা প্রমাণ করেছেন। দুনিয়ার বাঙালি দেশ-জাতির কথা ভুলে, অর্ধ-শিক্ষিত, অশিক্ষিত জনগণকে সততার স্বপ্ন দেখিয়ে খালি নিজের আখের গোছাও।”
“এইবার আর হ্যেতারা হাইত্তো ন’। কারণ হ্যেতারা মাইনে ন্যেতারা দেখছে, বেশি বেশি চুরি করলে পাবলিকে হ্যেতাগোরে মারি ঘর-বাড়িত আগুনদি, পুড়ি হালার। সৎ ভাবে দেশ না চালাইলে পাবলিকে হ্যের মরা বাপেরে হুদ্দা মারি হ্যালাইবো।”
“মরা বাপকে মার বা জ্যান্ত বাপকে মার, কথা হচ্ছে বাঙালি হয়ে বাঙালি মারার রাজনীতি তোরা যদি বন্ধ না করিস তখন দেখিস পাবলিক হতাশ হয়ে ভিনদেশী বাহিনিকে ডেকে আনবে।”
“হেঁ হেঁ হেঁ, বিদেশি বাহিনী বাংলার রাস্তায়, হেঁ হেঁ হেঁ এইরাম ‘কক অ্যান্ড বুল স্টোরি’ মানে গাঞ্জাখুরি গল্প আমারে হুনায়েন না!”
“ওম্মা অলরেডি চট্টগ্রামে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গণতান্ত্রিক দেশের সোলজাররা ঘুরছে...”
“আরে মিয়া ভাই হ্যেইডাতো আন্নের দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র স্ট্যাবলিস্টের লাই হ্যেতারা দিন-রাত কাম করের।”
“কী বললি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সেনাবাহিনী! তাহলে জনগণতন্ত্রের জনগণ কোথায়? হেঁ হেঁ হেঁ তুই আমাকে এ্যমোন ‘কক অ্যান্ড বুল স্টোরি’ মানে গাঞ্জাখুরি গল্প শুনাসনা ভাই, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সেনাবাহিনী! তোর কথা শুনলে ঘোড়াও হাসবে।”
“ভাই না ভালা, আমারে ঘোড়া কন, গাধা কন, ষাঁড় কন বা মুরোগ কন, আমি কিন্তুক কয়া দিলাম আপনের দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র অশিক্ষিত জনগণ আনা পারবো না, ব্যস।”
“তাহলে কে আনবে...”
“ত্রয়োদশ নির্বাচনে দ্যেহা যাইবো, ততক্ষণ চুপ থাকেন কথা কয়েন না...”
“ওকে ওয়েটিং ফর দি ফলাফল অব ত্রয়োদশ নির্বাচন। ততক্ষণ...”
“ততক্ষণ, মুখে কুলুপ আঁটেন। শাটআপ...”
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]