ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা থেকে লুট হওয়া একটি শটগান ও এক রাউন্ড কার্তুজসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গতকাল শনিবার রাত ৭টা থেকে শুরু হওয়া বিশেষ তল্লাশি অভিযানে চরডুমুরিয়ার আনন্দপুর এলাকা থেকে শটগানসহ কেএম সোহেল রানা (৪৬) কে আটক করা হয়। তিনি আমঘাটা গ্রামের দৌলত মাষ্টারের ছেলে। পরে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে মোল্লাকান্দির আশুরান এলাকায় রতন দেওয়ানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। তবে রতন দেওয়ান পলাতক রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া শটগানটি গত জুলাইয়ের ‘গণঅভ্যুত্থান’ চলাকালে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এসব তথ্য সেনাবাহিনীর মুন্সীগঞ্জ সদর আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১০ নভেম্বর মোল্লাকান্দি এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতায় গুলিতে একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনার পর থেকেই এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, কার্তুজ এবং আটক সোহেল রানাকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনসাধারণকে সন্দেহজনক যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে মোল্লাকান্দিতে অবৈধ অস্ত্র, ককটেল ও গোলাবারুদ উদ্ধার না হওয়ায় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। গত ২০ দিনে এসব সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। একাধিক মামলা হলেও স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুই পক্ষের ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারীরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা থেকে লুট হওয়া একটি শটগান ও এক রাউন্ড কার্তুজসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গতকাল শনিবার রাত ৭টা থেকে শুরু হওয়া বিশেষ তল্লাশি অভিযানে চরডুমুরিয়ার আনন্দপুর এলাকা থেকে শটগানসহ কেএম সোহেল রানা (৪৬) কে আটক করা হয়। তিনি আমঘাটা গ্রামের দৌলত মাষ্টারের ছেলে। পরে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে মোল্লাকান্দির আশুরান এলাকায় রতন দেওয়ানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। তবে রতন দেওয়ান পলাতক রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া শটগানটি গত জুলাইয়ের ‘গণঅভ্যুত্থান’ চলাকালে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এসব তথ্য সেনাবাহিনীর মুন্সীগঞ্জ সদর আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১০ নভেম্বর মোল্লাকান্দি এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতায় গুলিতে একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনার পর থেকেই এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, কার্তুজ এবং আটক সোহেল রানাকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনসাধারণকে সন্দেহজনক যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে মোল্লাকান্দিতে অবৈধ অস্ত্র, ককটেল ও গোলাবারুদ উদ্ধার না হওয়ায় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। গত ২০ দিনে এসব সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। একাধিক মামলা হলেও স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুই পক্ষের ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারীরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।