মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মাদ্রাসা শিক্ষা। বাড়ছে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি অভিভাবকদের আগ্রহ। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত ব্যবস্থা থাকায় দুনিয়া ও আখিরাত—উভয় দিক বিবেচনা করে সচেতন পরিবারগুলো সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি বেশি আস্থা রাখছেন। উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা ঘুরে দেখা গেছে, কওমি ধারার পাশাপাশি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে জেনারেল লাইনের প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা নিয়মিত পাঠদান করছেন। এতে শিক্ষার্থীরা কুরআন-হাদিস ও ফিকহ শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞানসহ অন্যান্য সাধারণ বিষয়েও দক্ষতা অর্জন করছে। প্রাথমিক পর্যায়ে পড়ালেখা করে আবার উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হবার সুযোগ ও রয়েছে। এই সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থাই অভিভাবকদের আকৃষ্ট করছে। অন্যদিকে, অনেক সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ধরে রাখতে ধর্মীয় শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হলেও অধিকাংশ অভিভাবক সম্পূর্ণ ধর্মীয় পরিবেশ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থার কারণে সন্তানকে মাদ্রাসায় ভর্তি করাতে আগ্রহী হচ্ছেন। বিশেষ করে অনাবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে নিয়মিত পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরে যাওয়ায় অভিভাবকরাও মানসিকভাবে স্বস্তি পাচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক দশকে লৌহজং উপজেলায় নতুন করে প্রায় অর্ধশতাধিক মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে।
একই সময়ে অনেক স্কুল ও কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি কমলেও মাদ্রাসাগুলোতে ভর্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, নৈতিক শিক্ষা, নিরাপদ পরিবেশ এবং নিয়মিত তত্ত্বাবধানের কারণে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। তাঁদের মতে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নৈতিক ও শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে মাদ্রাসা শিক্ষা এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মাদ্রাসা শিক্ষা। বাড়ছে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি অভিভাবকদের আগ্রহ। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত ব্যবস্থা থাকায় দুনিয়া ও আখিরাত—উভয় দিক বিবেচনা করে সচেতন পরিবারগুলো সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি বেশি আস্থা রাখছেন। উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা ঘুরে দেখা গেছে, কওমি ধারার পাশাপাশি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে জেনারেল লাইনের প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা নিয়মিত পাঠদান করছেন। এতে শিক্ষার্থীরা কুরআন-হাদিস ও ফিকহ শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞানসহ অন্যান্য সাধারণ বিষয়েও দক্ষতা অর্জন করছে। প্রাথমিক পর্যায়ে পড়ালেখা করে আবার উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হবার সুযোগ ও রয়েছে। এই সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থাই অভিভাবকদের আকৃষ্ট করছে। অন্যদিকে, অনেক সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ধরে রাখতে ধর্মীয় শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হলেও অধিকাংশ অভিভাবক সম্পূর্ণ ধর্মীয় পরিবেশ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থার কারণে সন্তানকে মাদ্রাসায় ভর্তি করাতে আগ্রহী হচ্ছেন। বিশেষ করে অনাবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে নিয়মিত পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরে যাওয়ায় অভিভাবকরাও মানসিকভাবে স্বস্তি পাচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক দশকে লৌহজং উপজেলায় নতুন করে প্রায় অর্ধশতাধিক মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে।
একই সময়ে অনেক স্কুল ও কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি কমলেও মাদ্রাসাগুলোতে ভর্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, নৈতিক শিক্ষা, নিরাপদ পরিবেশ এবং নিয়মিত তত্ত্বাবধানের কারণে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। তাঁদের মতে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নৈতিক ও শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে মাদ্রাসা শিক্ষা এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।