alt

অর্থ-বাণিজ্য

রপ্তানির পালে লেগেছে বড় হাওয়া লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়ালো নভেম্বরে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১

রপ্তানির পালে হাওয়া এবার জোরে সোরে লাগতে শুরু করেছে। দীর্ঘ সময় করোনার কারণে রপ্তানি কমছিল। এবার সেই তলানিতে থাকা রপ্তানিতে বড় উত্থান দেখা যাচ্ছে। গত নভেম্বরে আগের আয়ের চেয়ে তো বেশি হয়েছেই, এই মাসের লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়েছে।

এই মাসে ৪০৪ কোটি ১৪ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ৩৪ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা যা গত বছরের নভেম্বরের চেয়ে ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। আর চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের পাঁচ মাসের (জুলাই-নভেম্বর) হিসাবে প্রায় ২০ বিলিয়ন (১ হাজার ৯৭৯ কোটি) ডলার রপ্তানি আয় দেশে এসেছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। আর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ২৭ শতাংশ।

তবে এই সুবাসের মধ্যে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তা। রপ্তানিকারকরা বলছেন, যদি করোনার এই নতুন ধরন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে রপ্তানি বাণিজ্যেও আগের মতো নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বৃহস্পতিবার রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বরে) ১ হাজার ৯৭৯ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা টাকার হিসাবে ১ লাখ ৬৮ হাজার ২১৫ কোটি টাকা। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। এ পাঁচ মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৭৪৭ কোটি ডলার। এ হিসাবেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ২৭ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জুলাই-নভেম্বর সময়ে তৈরি পোশাক ছাড়াও কৃষি প্রক্রিয়াজাত, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্য ও হস্তশিল্প রপ্তানি বেড়েছে। ফলে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় কমেছে সাড়ে ১৭ শতাংশ।

মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে ১ হাজার ৫৮৫ কোটি ডলার এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২২ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া ৫৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের কৃষি প্রক্রিয়াজাত, ৫৬ কোটি ৩৬ লাখ ডলারের হোম টেক্সটাইল, ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ ডলার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ ডলার পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে ৮০ দশমিক ১১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক থেকে। এর মধ্যে নিট পোশাক থেকে এসেছে ৮৯৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ। লক্ষ্যের চেয়ে বেশি এসেছে ১৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ওভেন পোশাক থেকে এসেছে ৬৮৭ কোটি ডলার। আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের মোট লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৪৩ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাত থেকে আয়ের লক্ষ্য ধরা আছে ৩৫ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার। গত ২০২০-২১ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩৮ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার আয় করে বাংলাদেশ, যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৬৭ কোটি (৩৩.৬৭ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ শতাংশ কম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স কমছেই। সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ১৫৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত দেড় বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। আর গত বছরের নভেম্বরের চেয়ে কম ২৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। আগের মাস অক্টোবরের চেয়ে কম এসেছে ৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক কমেছে ২১ শতাংশ।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে এক বছর সময় চায় ব্যাংক মালিকরা

ছবি

প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রেতা আসছে না, বাণিজ্য মেলায় টিকিট বিক্রি কম

প্রাক-বাজেট আলোচনা শুরু ৬ ফেব্রুয়ারি

আগামী বছরই উৎপাদনে যাচ্ছে জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল

ব্যাংকে সব নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

তিন সপ্তাহ পর শেয়ারবাজারে পতন, মূলধন কমলো ২ হাজার ৩শ’ কোটি টাকা

ছবি

ঘুরে দাঁড়িয়েছে শিল্প-অবকাঠামো খাত, বৈশ্বিক ইস্পাত উৎপাদনে বড় উত্থান

ছবি

জেএমআই হসপিটালের আইপিওর আবেদন শুরু ২৭ ফেব্রুয়ারি

ছবি

শ্রীলঙ্কায় বেক্সিমকো ফার্মার বিনিয়োগের পথ সহজ হলো

ছবি

সাশ্রয়ী দামের ফাস্ট চার্জিং স্মার্টফোন ভিশন ৩

আরও ১২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা গ্রামীণফোনের

ব্লক মার্কেটে ৩০ কোটি টাকার লেনদেন

খারাপ পরিস্থিতিতেও চলবে ব্যাংকে লেনদেন

ছবি

বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দিয়ে বিধিমালা জারি

সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন

বাজেট প্রস্তাব চেয়েছে এনবিআর

ছবি

অর্থবছর শেষে মাথাপিছু আয় হবে দুই হাজার ৭৮৫ ডলার

ডিএসইতে সূচক বাড়লেও সিএসইতে পতন

কঠোর আইনের মাধ্যমে অর্থপাচার রোধ করেছে দ.কোরিয়া, বাংলাদেশেও দরকার

কিউকমে আটকে থাকা টাকা ফেরত পেতে শুরু করেছে গ্রাহকরা

ছবি

ব্যাংকারদের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় মালিকপক্ষ

এটিএম বুথ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নগদ টাকা বাড়ানোর নির্দেশ

বাস্তবায়ন হচ্ছে না বেসরকারি ব্যাংকের নতুন বেতন

পেপারবিহীন যুগে ডিএসই

পাঁচ ব্যাংকের সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

ডিএসইতে সূচক বাড়লেও সিএসইতে পতন

ছবি

এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ

আদালত মনোনীত ফার্ম দিয়ে ইভ্যালির অডিট করানো যাবে

অদক্ষতার অজুহাতে পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

ফ্রিজ, এসি আমদানিতে স্ট্যান্ডার্ড এনার্জি রেটিং আরোপের দাবি

ইউনিয়ন ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন শুরু

বাণিজ্য মেলা বন্ধের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

ছবি

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংককর্মীকে পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না

ছবি

করোনা মোকাবিলায় সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

মূল্য সংশোধন শেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার

কিউকম গ্রাহকদের আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেয়া শুরু

tab

অর্থ-বাণিজ্য

রপ্তানির পালে লেগেছে বড় হাওয়া লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়ালো নভেম্বরে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১

রপ্তানির পালে হাওয়া এবার জোরে সোরে লাগতে শুরু করেছে। দীর্ঘ সময় করোনার কারণে রপ্তানি কমছিল। এবার সেই তলানিতে থাকা রপ্তানিতে বড় উত্থান দেখা যাচ্ছে। গত নভেম্বরে আগের আয়ের চেয়ে তো বেশি হয়েছেই, এই মাসের লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়েছে।

এই মাসে ৪০৪ কোটি ১৪ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ৩৪ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা যা গত বছরের নভেম্বরের চেয়ে ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। আর চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের পাঁচ মাসের (জুলাই-নভেম্বর) হিসাবে প্রায় ২০ বিলিয়ন (১ হাজার ৯৭৯ কোটি) ডলার রপ্তানি আয় দেশে এসেছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। আর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ২৭ শতাংশ।

তবে এই সুবাসের মধ্যে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তা। রপ্তানিকারকরা বলছেন, যদি করোনার এই নতুন ধরন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে রপ্তানি বাণিজ্যেও আগের মতো নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বৃহস্পতিবার রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বরে) ১ হাজার ৯৭৯ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা টাকার হিসাবে ১ লাখ ৬৮ হাজার ২১৫ কোটি টাকা। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। এ পাঁচ মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৭৪৭ কোটি ডলার। এ হিসাবেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ২৭ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জুলাই-নভেম্বর সময়ে তৈরি পোশাক ছাড়াও কৃষি প্রক্রিয়াজাত, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্য ও হস্তশিল্প রপ্তানি বেড়েছে। ফলে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় কমেছে সাড়ে ১৭ শতাংশ।

মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে ১ হাজার ৫৮৫ কোটি ডলার এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২২ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া ৫৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের কৃষি প্রক্রিয়াজাত, ৫৬ কোটি ৩৬ লাখ ডলারের হোম টেক্সটাইল, ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ ডলার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ ডলার পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে ৮০ দশমিক ১১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক থেকে। এর মধ্যে নিট পোশাক থেকে এসেছে ৮৯৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ। লক্ষ্যের চেয়ে বেশি এসেছে ১৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ওভেন পোশাক থেকে এসেছে ৬৮৭ কোটি ডলার। আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের মোট লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৪৩ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাত থেকে আয়ের লক্ষ্য ধরা আছে ৩৫ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার। গত ২০২০-২১ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩৮ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার আয় করে বাংলাদেশ, যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৬৭ কোটি (৩৩.৬৭ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ শতাংশ কম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স কমছেই। সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ১৫৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত দেড় বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। আর গত বছরের নভেম্বরের চেয়ে কম ২৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। আগের মাস অক্টোবরের চেয়ে কম এসেছে ৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক কমেছে ২১ শতাংশ।

back to top