alt

মতামত » চিঠিপত্র

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

: সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রাবি অন্যতম সবুজ ও নীরব ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে শব্দদূষণের মতো অসহনীয় পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। দিনে দিনে ক্যাম্পাসের নীরবতা যেন কোলাহলে রূপ নিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর,প্যারিস রোড, একাডেমিক ভবন ও আবাসিক হল এলাকায় শব্দদূষণ বেড়েই চলেছে। শব্দ দূষণের অনেকগুলো উৎস চিহ্নিত করা যায়। যেমন মাইক ব্যবহার করে রাজনৈতিক কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ছাত্র সংগঠনের সভা-সমাবেশ, অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের হর্ন। এছাড়াও মাঝেমধ্যে কন্সার্ট হওয়ার কারণে মারাত্মক শব্দদূষণ হচ্ছে। কন্সার্টে ব্যবহৃত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সাউন্ড সিস্টেম থেকে উৎপন্ন শব্দ অনেক সময় (৮০–১০০ ডেসিবেল) ছাড়িয়ে যায়, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অনুমোদিত মাত্রার (৩৫–৪৫ ডেসিবেল) অনেক বেশি। এসব কন্সার্ট সাধারণত সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলায় আশেপাশের হল ও আবাসিক এলাকায় পড়াশোনা ও বিশ্রাম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই সমস্ত শব্দের ফলে শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি ও রিডিং রুমে পড়াশোনা করতে পারছেন না। বিভিন্ন সংগঠনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্যেও সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যাটি দীর্ঘমেয়াদে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে এর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। অতিরিক্ত শব্দের কারণে মানুষের শ্রবণশক্তি কমে যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, মনোযোগ কমে যায় এবং চাপ বেড়ে যায়। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নিতে হবে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে উচ্চ আওয়াজে মাইকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সর্বোপরি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, রাকসু প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীদের একসাথে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা করতে হবে।

লোটাস জাহাঙ্গীর

শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

পৃথিবী বাঁচানোর লড়াইয়ে অণুজীব

ছবি

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাস্তা সংস্কার চাই

নদী বাণিজ্য: শক্তি ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ

যন্ত্রের মেধা মানুষের হাত

দক্ষিণ কোরিয়ার ‘সফট পাওয়ার’ মডেলে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাজনীতি হোক মানুষের জন্য, মানুষ নিয়ে নয়

দূরদর্শী সিদ্ধান্তে রক্ষা পেতে পারে শিক্ষাব্যবস্থা

সামাজিক আন্দোলন: প্রতিবাদ নাকি ট্রেন্ড?

নগর সভ্যতায় নিঃসঙ্গতার মহামারি

আবাসন সংকট

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হোক কর্মসংস্থান

জেন্ডার-নিরপেক্ষ ন্যায়বিচার দরকার

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

tab

মতামত » চিঠিপত্র

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রাবি অন্যতম সবুজ ও নীরব ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে শব্দদূষণের মতো অসহনীয় পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। দিনে দিনে ক্যাম্পাসের নীরবতা যেন কোলাহলে রূপ নিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর,প্যারিস রোড, একাডেমিক ভবন ও আবাসিক হল এলাকায় শব্দদূষণ বেড়েই চলেছে। শব্দ দূষণের অনেকগুলো উৎস চিহ্নিত করা যায়। যেমন মাইক ব্যবহার করে রাজনৈতিক কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ছাত্র সংগঠনের সভা-সমাবেশ, অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের হর্ন। এছাড়াও মাঝেমধ্যে কন্সার্ট হওয়ার কারণে মারাত্মক শব্দদূষণ হচ্ছে। কন্সার্টে ব্যবহৃত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সাউন্ড সিস্টেম থেকে উৎপন্ন শব্দ অনেক সময় (৮০–১০০ ডেসিবেল) ছাড়িয়ে যায়, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অনুমোদিত মাত্রার (৩৫–৪৫ ডেসিবেল) অনেক বেশি। এসব কন্সার্ট সাধারণত সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলায় আশেপাশের হল ও আবাসিক এলাকায় পড়াশোনা ও বিশ্রাম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই সমস্ত শব্দের ফলে শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি ও রিডিং রুমে পড়াশোনা করতে পারছেন না। বিভিন্ন সংগঠনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্যেও সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যাটি দীর্ঘমেয়াদে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে এর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। অতিরিক্ত শব্দের কারণে মানুষের শ্রবণশক্তি কমে যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, মনোযোগ কমে যায় এবং চাপ বেড়ে যায়। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নিতে হবে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে উচ্চ আওয়াজে মাইকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সর্বোপরি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, রাকসু প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীদের একসাথে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা করতে হবে।

লোটাস জাহাঙ্গীর

শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

back to top