মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
প্রতিদিনের বাজার থেকে শুরু করে নানা ধরনের কেনাকাটা ও টিকিট কাউন্টার প্রতিক্ষেত্রেই খুচরো নিয়ে সমস্যার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে অধিকাংশ পাঁচ টাকা, দশ টাকা ও কুড়ি টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা তো আছেই, এছাড়া জোড়াতালি রয়েছে। জোড়াতালি রয়েছে একশো টাকা, পাঁচশো টাকার নোটেও। জোড়াতালি বা স্কচটেপ লাগানো থাকলে তা কেউই নিতে চায় না। এদিকে এটিএম থেকে ১০০০, ৫০০ এবং ১০০ টাকার নোট পাওয়া যায়।
৫, ১০ কিংবা ২০ টাকার নোট ব্যাঙ্কের কাউন্টার থেকে খুব একটা পাওয়া যায় না। আধাশহর ও গ্রামের বহু এলাকার বাজার থেকে ৫, ১০ ও ২০ টাকার নোট উধাও হয়ে গেছে, থাকলেও শতছিন্ন অবস্থায়। ছোট ছোট ব্যবসা খুব ধাক্কা খাচ্ছে, সবাই তো এখনও পর্যন্ত স্ক্যানার ব্যবহারে উপযুক্ত হয়ে উঠতে পারেনি। অটোরিকশা, টোটো বা বাসে ভাড়া দেওয়ার সময় নোটের হতশ্রী অবস্থা নিয়ে বচসা - তর্কাতর্কি এখন বেশ নিয়মিত ব্যাপার হয়ে উঠেছে। আসলে দেশে ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধি পেলেও নগদে লেনদেনও কম হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ছোট ছোট নোট অপরিহার্য হয়ে ওঠে। এক টাকা, দুই টাকার নোট তো পাওয়াই যায় না। কয়েনের অবস্থার কোনও হেরফের হয়নি। সত্যি কথা বলতে কি, জরুরিকালীন ভিত্তিতে ব্যাঙ্কগুলির ইতিবাচক হস্তক্ষেপ করা দরকার। অবশ্যই ছোট ছোট নোট ও কয়েনের সংখ্যা বাড়ানো হোক।
লিয়াকত হোসেন খোকন
রূপনগর, ঢাকা
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
প্রতিদিনের বাজার থেকে শুরু করে নানা ধরনের কেনাকাটা ও টিকিট কাউন্টার প্রতিক্ষেত্রেই খুচরো নিয়ে সমস্যার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে অধিকাংশ পাঁচ টাকা, দশ টাকা ও কুড়ি টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা তো আছেই, এছাড়া জোড়াতালি রয়েছে। জোড়াতালি রয়েছে একশো টাকা, পাঁচশো টাকার নোটেও। জোড়াতালি বা স্কচটেপ লাগানো থাকলে তা কেউই নিতে চায় না। এদিকে এটিএম থেকে ১০০০, ৫০০ এবং ১০০ টাকার নোট পাওয়া যায়।
৫, ১০ কিংবা ২০ টাকার নোট ব্যাঙ্কের কাউন্টার থেকে খুব একটা পাওয়া যায় না। আধাশহর ও গ্রামের বহু এলাকার বাজার থেকে ৫, ১০ ও ২০ টাকার নোট উধাও হয়ে গেছে, থাকলেও শতছিন্ন অবস্থায়। ছোট ছোট ব্যবসা খুব ধাক্কা খাচ্ছে, সবাই তো এখনও পর্যন্ত স্ক্যানার ব্যবহারে উপযুক্ত হয়ে উঠতে পারেনি। অটোরিকশা, টোটো বা বাসে ভাড়া দেওয়ার সময় নোটের হতশ্রী অবস্থা নিয়ে বচসা - তর্কাতর্কি এখন বেশ নিয়মিত ব্যাপার হয়ে উঠেছে। আসলে দেশে ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধি পেলেও নগদে লেনদেনও কম হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ছোট ছোট নোট অপরিহার্য হয়ে ওঠে। এক টাকা, দুই টাকার নোট তো পাওয়াই যায় না। কয়েনের অবস্থার কোনও হেরফের হয়নি। সত্যি কথা বলতে কি, জরুরিকালীন ভিত্তিতে ব্যাঙ্কগুলির ইতিবাচক হস্তক্ষেপ করা দরকার। অবশ্যই ছোট ছোট নোট ও কয়েনের সংখ্যা বাড়ানো হোক।
লিয়াকত হোসেন খোকন
রূপনগর, ঢাকা