মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সাগরভিত্তিক কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদন নয়, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ের নতুন সুযোগও তৈরি করতে পারে। শৈবাল, সি-উইড, ঝিনুক, শামুক, কাঁকড়া ও লবণসহ নানা সামুদ্রিক সম্পদ পরিকল্পিতভাবে চাষ করলে উপকূলীয় মানুষের জীবিকা নিরাপদ করা সম্ভব। বিশ্বে শৈবালভিত্তিক কৃষি ইতোমধ্যেই পুষ্টিকর খাদ্য, ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল জোগাচ্ছে, তবে বাংলাদেশ এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ের বাইরে যেতে পারিনি।
সমস্যার মূল কারণ হলো রাষ্ট্রীয় নীতির অগ্রাধিকারহীনতা, গবেষণা ও প্রযুক্তির ঘাটতি, প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার অভাব এবং সমন্বয়ের ত্রুটি। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততার ভয়ও উপকূলীয় চাষিকে ঝুঁকিতে ফেলে। ফলে সম্ভাবনাময় এই খাত টেকসই উন্নয়নের মূল স্রোতে যুক্ত হতে পারছে না।
টেকসই সাগরভিত্তিক কৃষির জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি নীতি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা এবং পরিবেশবান্ধব চাষপদ্ধতি। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এই খাতকে নিরাপদ ও লাভজনকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। সাগরকে কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, পরিকল্পিত কৃষির ক্ষেত্র হিসেবে দেখা এবং রাষ্ট্রীয় নীতি, গবেষণা, বিনিয়োগ ও জনগণের অংশগ্রহণ একত্রে কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশ সত্যিকারের টেকসই সাগরভিত্তিক কৃষিতে প্রবেশ করতে পারবে।
সানিয়া তাসনিম লামিয়া
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সাগরভিত্তিক কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদন নয়, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ের নতুন সুযোগও তৈরি করতে পারে। শৈবাল, সি-উইড, ঝিনুক, শামুক, কাঁকড়া ও লবণসহ নানা সামুদ্রিক সম্পদ পরিকল্পিতভাবে চাষ করলে উপকূলীয় মানুষের জীবিকা নিরাপদ করা সম্ভব। বিশ্বে শৈবালভিত্তিক কৃষি ইতোমধ্যেই পুষ্টিকর খাদ্য, ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল জোগাচ্ছে, তবে বাংলাদেশ এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ের বাইরে যেতে পারিনি।
সমস্যার মূল কারণ হলো রাষ্ট্রীয় নীতির অগ্রাধিকারহীনতা, গবেষণা ও প্রযুক্তির ঘাটতি, প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার অভাব এবং সমন্বয়ের ত্রুটি। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততার ভয়ও উপকূলীয় চাষিকে ঝুঁকিতে ফেলে। ফলে সম্ভাবনাময় এই খাত টেকসই উন্নয়নের মূল স্রোতে যুক্ত হতে পারছে না।
টেকসই সাগরভিত্তিক কৃষির জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি নীতি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা এবং পরিবেশবান্ধব চাষপদ্ধতি। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এই খাতকে নিরাপদ ও লাভজনকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। সাগরকে কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, পরিকল্পিত কৃষির ক্ষেত্র হিসেবে দেখা এবং রাষ্ট্রীয় নীতি, গবেষণা, বিনিয়োগ ও জনগণের অংশগ্রহণ একত্রে কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশ সত্যিকারের টেকসই সাগরভিত্তিক কৃষিতে প্রবেশ করতে পারবে।
সানিয়া তাসনিম লামিয়া