alt

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠিপত্র : উদাসীন বাঙালি

: রোববার, ১০ জানুয়ারী ২০২১

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

উদাসীন বাঙালি

বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে বাংলাদেশও। তার সাথে বেড়েছে বিদেশি সংস্কৃতির চর্চা। বিদেশি সংস্কৃতির ভিড়ে বাংলা ভাষার চর্চা তেমন চোখে পড়ে না। বায়ান্নোতে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের আরবি হরফে বাংলা লেখার সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ করেছিল যে জাতি, সে জাতির উত্তরসূরি হয়েও আজ আমরা ইংরেজি লিপিতে বাংলা লেখার অভ্যাস গড়ে তুলেছি।

বাংলা ভাষার বর্তমান চর্চিত রূপ অনেক ক্ষেত্রেই অশুদ্ধ বা বিকৃত। আর ভাষার এ অবস্থার জন্য অনেকেই দায়ী করে থাকেন নতুন প্রজন্মের ভাষা বিষয়ক অজ্ঞতাকে। উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েদের কথাবার্তায় এমন কিছু অদ্ভুত শব্দ শোনা যায়, যে শব্দের কোনো আভিধানিক অর্থ খুঁজে পাওয়া যাবে না। শব্দগুলো বিদেশি শব্দও নয়। নতুন প্রজন্ম সবসময় ভাষাকে ধারণ করেছে নিজেদের ব্যবহারিক সুবিধা অনুযায়ী। কিন্তু তাদের এ প্রবণতা অনেক ক্ষেত্রে ভাষার শুদ্ধতাকে বিনষ্ট করে।

দেশে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। বহির্বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে ইংরেজি শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে সত্য; কিন্তু বাংলাকে বুকে ধারণ করা তার থেকেও বেশি প্রয়োজন নয় কি? বাংলাদেশে যতটা না চর্চা হয় বাংলা ভাষার, তার থেকে বেশি চর্চা হয় How can I improve my English-এর। শিক্ষিত মধ্যবিত্ত এবং উচ্চ-মধ্যবিত্তরা তাদের সন্তানদের আর বাংলা মাধ্যমের স্কুলে পড়ায় না। পড়ানো হয় ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে। এসব স্কুলে বাংলা চর্চা শুধুমাত্র বাংলা সাহিত্যে ও বাংলা ব্যাকরণ বইয়ের মলাটে সীমাবদ্ধ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারগুলোতে বাংলা ভাষার গবেষণামূলক বই নেই। বাংলা জানার আগ্রহ আছে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

বাংলাভাষা আমাদের নিজেদের ভাষা। এ ভাষাকে ভালোবাসতেই হবে। এখনও যদি আমরা মাতৃভাষায় শুদ্ধ করে কথা বলার চেষ্টা না করি এবং এ ব্যাপারে সচেতন না হই, তাহলে ভাষার জন্য আমাদের অহংকার টিকবে না। বাংলা ভাষার স্বকীয়তা ধরে রাখতে হলে শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলার ও বাংলা লিপিতে বাংলা লেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি পরিবারের উচিত শুদ্ধ বাংলা ভাষার চর্চা করা এবং সন্তানকে বাংলা ভাষায় শিক্ষিত করে তোলা। আমরা বাংলাদেশি, আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি- এটাই আমাদের পরিচয়। দেশ, ভাষা, মা- তিনটি শব্দকে আমাদের সম্মান জানাতেই হবে।

সুদীপ্ত বর্মণ

শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর

পথশিশুর পাশে দাঁড়ান

তীব্র শীতে বিপর্যস্ত পথশিশুরা। তাদের দেখার কেউ যেন নেই। ফুটপাতে হাজারো শিশু খালি গায়ে ধুলা-ময়লা জড়িয়ে পড়ে থাকে। প্রচন্ড শীতে তাদের জীবন হয়ে উঠে দুর্বিষহ। দরিদ্রদের কাছে এই মৌসুমটি খুবই কষ্টকর। যাদের গরম কাপড় নেই তাদের কাবু করে রেখেছে শীত।

কেউ কেউ প্লাস্টিকের বস্তা গায়ে দিয়ে শীতে কাঁপতে কাঁপতে রাতযাপন করছে। অনেকেই ছেঁড়া কাঁথা গায়ে দিচ্ছে। আবার অনেকে আগুনের পাশে বসে থাকছে।

পথশিশুদের সহায়তায় সবার এগিয়ে আসা উচিত। যাদের সামর্থ্য রয়েছে তারা যদি অসহার শিশুদের পাশে দাঁড়ান তাহলে অনেকেই শীতের তীব্রতা থেকে মুক্তি পাবে।

মেহেদী হাসান

অনুমতি উঠে গেল, বিবেক কি ছুটিতে?

খেজুর রসে স্বাস্থ্যঝুঁকি

তাড়াইলের হাওরে বক শিকার: পরিবেশের জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পানির তীব্র সংকট

কারাকাসে মার্কিন হামলার মূল লক্ষ্য কী?

শীতের তীব্রতায় মানবিকতার আলো জ্বালাই

আইনশৃঙ্খলার অবনতি: কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

চাকরির বিজ্ঞাপন আছে, চাকরি নেই

উন্নয়নের গল্পের আড়ালে শ্রমিকের বেদনা

ফুটপাথের উন্মুক্ত টয়লেট: নগর জীবনের অস্বস্তি

ধূমপান সংক্রান্ত নতুন অধ্যাদেশ কি আলোর মুখ দেখবে?

কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সংকট

ক্যাম্পাস বাসে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য: শিক্ষার্থীদের নিত্য বিড়ম্বনা

তামাক: রাজস্বের মোহে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি

স্কুলে নির্যাতন: আদর্শের আড়ালে বাস্তবতা

টেলিটকে ওয়াইফাই কলিং: সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সম্ভাবনা

প্রাথমিক শিক্ষা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন

ইজি বাইক থেকে খাবারের থালা: সিসার ছায়া আমাদের চারপাশে

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মডেল: বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয় শিক্ষা ও নীতি

গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষির অবদান

শহরের পাখিরা যখন মরার প্রহর গুনে

ধর্মের নামে বর্বরতা

টেকসই শহরের একান্ত প্রয়োজন

সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি

সুন্দরবনের বাঘ ও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা : আর্শীবাদ নাকি অভিশাপ

সমুদ্রগবেষণায় পশ্চাৎপদতা মৎস্য খাতের ভবিষ্যৎকেই ঝুঁকিতে ফেলছে

কিশোর গ্যাং–সংস্কৃতি: সমাজের জন্য বাড়তে থাকা অশনি সংকেত

ডিগ্রি হাতে, চাকরি স্বপ্নে: শিক্ষিত বেকারদের মানসিক ক্ষয়

সরকারি কর্মচারীদের কর্মেই মুক্তি নাকি আন্দোলনে?

কর্মজীবী নারীর অদৃশ্য মানসিক বোঝা

নগর সংস্কৃতিতে ঐতিহ্যের বিলুপ্তি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আগাম সতর্কবার্তাই কি যথেষ্ট?

সুলতানপুরে করতোয়া নদীর তাণ্ডব: নদীভাঙনে মানুষের জীবন বিপন্ন

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সম্ভাবনা বিস্তৃত, অনিয়মের ছায়াও গভীর

গেন্ডারিয়ায় সড়ক ও ড্রেন সংস্কারে অনিয়ম: জনদূর্ভোগ বৃদ্ধি

tab

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠিপত্র : উদাসীন বাঙালি

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

রোববার, ১০ জানুয়ারী ২০২১

উদাসীন বাঙালি

বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে বাংলাদেশও। তার সাথে বেড়েছে বিদেশি সংস্কৃতির চর্চা। বিদেশি সংস্কৃতির ভিড়ে বাংলা ভাষার চর্চা তেমন চোখে পড়ে না। বায়ান্নোতে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের আরবি হরফে বাংলা লেখার সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ করেছিল যে জাতি, সে জাতির উত্তরসূরি হয়েও আজ আমরা ইংরেজি লিপিতে বাংলা লেখার অভ্যাস গড়ে তুলেছি।

বাংলা ভাষার বর্তমান চর্চিত রূপ অনেক ক্ষেত্রেই অশুদ্ধ বা বিকৃত। আর ভাষার এ অবস্থার জন্য অনেকেই দায়ী করে থাকেন নতুন প্রজন্মের ভাষা বিষয়ক অজ্ঞতাকে। উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েদের কথাবার্তায় এমন কিছু অদ্ভুত শব্দ শোনা যায়, যে শব্দের কোনো আভিধানিক অর্থ খুঁজে পাওয়া যাবে না। শব্দগুলো বিদেশি শব্দও নয়। নতুন প্রজন্ম সবসময় ভাষাকে ধারণ করেছে নিজেদের ব্যবহারিক সুবিধা অনুযায়ী। কিন্তু তাদের এ প্রবণতা অনেক ক্ষেত্রে ভাষার শুদ্ধতাকে বিনষ্ট করে।

দেশে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। বহির্বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে ইংরেজি শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে সত্য; কিন্তু বাংলাকে বুকে ধারণ করা তার থেকেও বেশি প্রয়োজন নয় কি? বাংলাদেশে যতটা না চর্চা হয় বাংলা ভাষার, তার থেকে বেশি চর্চা হয় How can I improve my English-এর। শিক্ষিত মধ্যবিত্ত এবং উচ্চ-মধ্যবিত্তরা তাদের সন্তানদের আর বাংলা মাধ্যমের স্কুলে পড়ায় না। পড়ানো হয় ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে। এসব স্কুলে বাংলা চর্চা শুধুমাত্র বাংলা সাহিত্যে ও বাংলা ব্যাকরণ বইয়ের মলাটে সীমাবদ্ধ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারগুলোতে বাংলা ভাষার গবেষণামূলক বই নেই। বাংলা জানার আগ্রহ আছে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

বাংলাভাষা আমাদের নিজেদের ভাষা। এ ভাষাকে ভালোবাসতেই হবে। এখনও যদি আমরা মাতৃভাষায় শুদ্ধ করে কথা বলার চেষ্টা না করি এবং এ ব্যাপারে সচেতন না হই, তাহলে ভাষার জন্য আমাদের অহংকার টিকবে না। বাংলা ভাষার স্বকীয়তা ধরে রাখতে হলে শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলার ও বাংলা লিপিতে বাংলা লেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি পরিবারের উচিত শুদ্ধ বাংলা ভাষার চর্চা করা এবং সন্তানকে বাংলা ভাষায় শিক্ষিত করে তোলা। আমরা বাংলাদেশি, আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি- এটাই আমাদের পরিচয়। দেশ, ভাষা, মা- তিনটি শব্দকে আমাদের সম্মান জানাতেই হবে।

সুদীপ্ত বর্মণ

শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর

পথশিশুর পাশে দাঁড়ান

তীব্র শীতে বিপর্যস্ত পথশিশুরা। তাদের দেখার কেউ যেন নেই। ফুটপাতে হাজারো শিশু খালি গায়ে ধুলা-ময়লা জড়িয়ে পড়ে থাকে। প্রচন্ড শীতে তাদের জীবন হয়ে উঠে দুর্বিষহ। দরিদ্রদের কাছে এই মৌসুমটি খুবই কষ্টকর। যাদের গরম কাপড় নেই তাদের কাবু করে রেখেছে শীত।

কেউ কেউ প্লাস্টিকের বস্তা গায়ে দিয়ে শীতে কাঁপতে কাঁপতে রাতযাপন করছে। অনেকেই ছেঁড়া কাঁথা গায়ে দিচ্ছে। আবার অনেকে আগুনের পাশে বসে থাকছে।

পথশিশুদের সহায়তায় সবার এগিয়ে আসা উচিত। যাদের সামর্থ্য রয়েছে তারা যদি অসহার শিশুদের পাশে দাঁড়ান তাহলে অনেকেই শীতের তীব্রতা থেকে মুক্তি পাবে।

মেহেদী হাসান

back to top