আর কে রুবেল
আধুনিক যে কোন জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রের জনগণের প্রধান চাহিদা ও অধিকার হলো পাঁচটি মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন। পাঁচটি মৌলিক অধিকার হলোথ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। এগুলোর ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্রের চারিত্র্য ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারিত হয়। এই পাঁচটি মৌলিক অধিকারের মধ্যে যদি কোন একটি অপূর্ণ থাকে তাহলে সেই রাষ্ট্রের চারিত্র্য ও বৈশিষ্ট্যের দিকটি সুস্পষ্ট হয় না। শিক্ষার অধিকারটি এ কারণেই প্রণিধানযোগ্য যে একটি রাষ্ট্রের জনসমষ্টির সিংহভাগ সুশিক্ষিত না হলে সেই দেশটি সামাজিক-মানবিক-অর্থনৈতিক সূচকের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকে এবং সারা বিশ্বে এই দেশটির আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়।
একটি উন্নত দেশ শিক্ষার ক্ষেত্রে শতকরা হিসেবে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। আমরা লক্ষ্য করি যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একমাত্র শ্রীলংকায় শিক্ষার হার শতকরা হিসেবে একশত ছুঁই ছুঁই। এই শ্রীলংকা অতি সম্প্রতি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একেবারে বিধ্বস্ত ও দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার পরও বিস্ময়করভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং ধ্বসে পড়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে আগের চেয়েও ভালো অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সমর্থ হয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে এ কারণে যে সেই দেশের মানুষ শতভাগ শিক্ষিত বিধায় তারা দেশের পুনর্গঠনে নিজেকে শতভাগ নিবেদিত করে নিখাদ দেশপ্রেমের ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষিতের হার বাড়লেও শিক্ষার মানদ- প্রতিবেশী দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে। সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হলো যে বাংলাদেশে এখনো গণমুখী, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, মেধা ও উৎপাদনমুখী সর্বজনীন একটি শিক্ষানীতি বিদ্যমান নয়। স্বাধীনতার পর পরই এদেশে প্রথম শিক্ষানীতিটি ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট হিসেবে পরিচিত হলেও অজ্ঞাত কারণে এটি বাস্তবায়ন হয়নি। সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ মহল জানেন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে কয়টি শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়েছে বা তাদের রিপোর্ট প্রণীত হয়েছে- এগুলোর তুলনায় কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট অধিকতর গণমুখী ও সর্বজনীন।
বর্তমানে আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাটি কোন মানদ-ে এখন পর্যন্ত বিদ্যমান তার তুলনামূলক চিত্র অস্পষ্ট এবং অনেক ক্ষেত্রেই ভারসাম্যহীন। বর্তমানে একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে শিক্ষা ব্যবস্থাটি তিনটি স্তরে বিভক্ত এবং কোনটি সর্বজনীন ও গণমুখী নয়। কেননা আমরা দেখি যে এদেশে মাদ্রাসা ও কওমি শিক্ষা, ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা এবং সাধারণ শিক্ষাকারিকুলামে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা পাঠ নি”েছ। অর্থাৎ এই শিক্ষা ব্যবস্থায় শ্রেণি বিভক্তিও বৈষম্যমূলক চেহারা সুষ্পষ্ট। ফলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটি শ্রেণি বিভক্তি ও বৈষম্য সৃষ্টির অনুকুল হলেও তা মোটেও সর্বজনীন ও গণমুখী নয়। ফলে আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় শ্রেণিগত অবস্থান অনুযায়ী মানুষ তৈরি হ”েছ ভিন্ন ভিন্ন কারিকুলামে; যা কখনো অভিন্ন মানব সম্পদ তৈরির ক্ষেত্রে সহায়ক নয়।
গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলÑ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। প্রথমে কোটা নয়, মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন ও জীবিকার সংস্থান- কিন্তু আসলে তা কি হয়েছে? শিক্ষাক্ষেত্রে যে বৈষম্যটি জুলাই অভ্যুত্থানের আগে যা ছিল তা থেকে উত্তরণ ঘটেছে কি? আমরা এখনো দেখতে পাচ্ছি যে, শিক্ষা পাঠক্রম এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার বইপত্রে কি বিষয়গুলো স্থান পাবে এবং কোন বিষয়গুলো নতুনভাবে সংযুক্ত হবে সেক্ষেত্রে এখনো একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার জায়গায় এই শিক্ষা ব্যবস্থাটি দাঁড়াতে পারেনি। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এখনো শিক্ষা পাঠক্রমের সব বই পায়নি। তাই নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হলেও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা অনেকেই সরকারি বই ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। এমনকি অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিমুখ হয়ে পড়েছে।
এতে প্রতীয়মান হয় যে, আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার স্থিতি নড়বড়ে। এ অবস্থার স্থায়িত্ব চলমান থাকলে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। পতিত সরকারের আমলে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের যে উদ্যোগটি শুরু করেছিল তা নিয়েও নানান প্রশ্ন ছিল। কেননা তৎকালীন সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সংস্কার সাধনের চেষ্টা চালালেও সুষ্পষ্ট কোন নীতিমালা ছাড়াই অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার মতো লক্ষ্যহীন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে; যার ফলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়েও চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন।
আমরা অবশ্যই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছ থেকে খুব বেশি আশা করতে পারি না। কেননা তারা একটি প্রচলিত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে খুব একটা বেশি সময় পাবেন না। তাই এইটুকু অন্তত তারা করতে পারেন যে শিক্ষা ক্ষেত্রে যেন কোন ধরনের জট ও অচলায়তনের সৃষ্টি না হয় সেক্ষেত্রে একটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এমন একটি রোডম্যাপ দেবেন, যাতে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে গতিশীলতা চলমান থাকে। পাশাপাশি বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের পরামর্শ নিয়ে দ্রুত এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেবেন যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষের অপচয় না ঘটে এবং শিক্ষাবর্ষটি নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বাধাহীনভাবে অগ্রসর হতে পারে।
[লেখক : সাংস্কৃতিক সংগঠক, চিকিৎসক]
আর কে রুবেল
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
আধুনিক যে কোন জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রের জনগণের প্রধান চাহিদা ও অধিকার হলো পাঁচটি মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন। পাঁচটি মৌলিক অধিকার হলোথ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। এগুলোর ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্রের চারিত্র্য ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারিত হয়। এই পাঁচটি মৌলিক অধিকারের মধ্যে যদি কোন একটি অপূর্ণ থাকে তাহলে সেই রাষ্ট্রের চারিত্র্য ও বৈশিষ্ট্যের দিকটি সুস্পষ্ট হয় না। শিক্ষার অধিকারটি এ কারণেই প্রণিধানযোগ্য যে একটি রাষ্ট্রের জনসমষ্টির সিংহভাগ সুশিক্ষিত না হলে সেই দেশটি সামাজিক-মানবিক-অর্থনৈতিক সূচকের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকে এবং সারা বিশ্বে এই দেশটির আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়।
একটি উন্নত দেশ শিক্ষার ক্ষেত্রে শতকরা হিসেবে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। আমরা লক্ষ্য করি যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একমাত্র শ্রীলংকায় শিক্ষার হার শতকরা হিসেবে একশত ছুঁই ছুঁই। এই শ্রীলংকা অতি সম্প্রতি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একেবারে বিধ্বস্ত ও দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার পরও বিস্ময়করভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং ধ্বসে পড়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে আগের চেয়েও ভালো অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সমর্থ হয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে এ কারণে যে সেই দেশের মানুষ শতভাগ শিক্ষিত বিধায় তারা দেশের পুনর্গঠনে নিজেকে শতভাগ নিবেদিত করে নিখাদ দেশপ্রেমের ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষিতের হার বাড়লেও শিক্ষার মানদ- প্রতিবেশী দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে। সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হলো যে বাংলাদেশে এখনো গণমুখী, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, মেধা ও উৎপাদনমুখী সর্বজনীন একটি শিক্ষানীতি বিদ্যমান নয়। স্বাধীনতার পর পরই এদেশে প্রথম শিক্ষানীতিটি ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট হিসেবে পরিচিত হলেও অজ্ঞাত কারণে এটি বাস্তবায়ন হয়নি। সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ মহল জানেন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে কয়টি শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়েছে বা তাদের রিপোর্ট প্রণীত হয়েছে- এগুলোর তুলনায় কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট অধিকতর গণমুখী ও সর্বজনীন।
বর্তমানে আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাটি কোন মানদ-ে এখন পর্যন্ত বিদ্যমান তার তুলনামূলক চিত্র অস্পষ্ট এবং অনেক ক্ষেত্রেই ভারসাম্যহীন। বর্তমানে একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে শিক্ষা ব্যবস্থাটি তিনটি স্তরে বিভক্ত এবং কোনটি সর্বজনীন ও গণমুখী নয়। কেননা আমরা দেখি যে এদেশে মাদ্রাসা ও কওমি শিক্ষা, ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা এবং সাধারণ শিক্ষাকারিকুলামে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা পাঠ নি”েছ। অর্থাৎ এই শিক্ষা ব্যবস্থায় শ্রেণি বিভক্তিও বৈষম্যমূলক চেহারা সুষ্পষ্ট। ফলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটি শ্রেণি বিভক্তি ও বৈষম্য সৃষ্টির অনুকুল হলেও তা মোটেও সর্বজনীন ও গণমুখী নয়। ফলে আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় শ্রেণিগত অবস্থান অনুযায়ী মানুষ তৈরি হ”েছ ভিন্ন ভিন্ন কারিকুলামে; যা কখনো অভিন্ন মানব সম্পদ তৈরির ক্ষেত্রে সহায়ক নয়।
গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলÑ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। প্রথমে কোটা নয়, মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন ও জীবিকার সংস্থান- কিন্তু আসলে তা কি হয়েছে? শিক্ষাক্ষেত্রে যে বৈষম্যটি জুলাই অভ্যুত্থানের আগে যা ছিল তা থেকে উত্তরণ ঘটেছে কি? আমরা এখনো দেখতে পাচ্ছি যে, শিক্ষা পাঠক্রম এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার বইপত্রে কি বিষয়গুলো স্থান পাবে এবং কোন বিষয়গুলো নতুনভাবে সংযুক্ত হবে সেক্ষেত্রে এখনো একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার জায়গায় এই শিক্ষা ব্যবস্থাটি দাঁড়াতে পারেনি। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এখনো শিক্ষা পাঠক্রমের সব বই পায়নি। তাই নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হলেও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা অনেকেই সরকারি বই ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। এমনকি অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিমুখ হয়ে পড়েছে।
এতে প্রতীয়মান হয় যে, আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার স্থিতি নড়বড়ে। এ অবস্থার স্থায়িত্ব চলমান থাকলে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। পতিত সরকারের আমলে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের যে উদ্যোগটি শুরু করেছিল তা নিয়েও নানান প্রশ্ন ছিল। কেননা তৎকালীন সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সংস্কার সাধনের চেষ্টা চালালেও সুষ্পষ্ট কোন নীতিমালা ছাড়াই অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার মতো লক্ষ্যহীন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে; যার ফলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়েও চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন।
আমরা অবশ্যই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছ থেকে খুব বেশি আশা করতে পারি না। কেননা তারা একটি প্রচলিত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে খুব একটা বেশি সময় পাবেন না। তাই এইটুকু অন্তত তারা করতে পারেন যে শিক্ষা ক্ষেত্রে যেন কোন ধরনের জট ও অচলায়তনের সৃষ্টি না হয় সেক্ষেত্রে একটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এমন একটি রোডম্যাপ দেবেন, যাতে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে গতিশীলতা চলমান থাকে। পাশাপাশি বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের পরামর্শ নিয়ে দ্রুত এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেবেন যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষের অপচয় না ঘটে এবং শিক্ষাবর্ষটি নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বাধাহীনভাবে অগ্রসর হতে পারে।
[লেখক : সাংস্কৃতিক সংগঠক, চিকিৎসক]