একটি দল কখনই দেশের মঙ্গল চায় না, তারা ৪৭ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, ৭১ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে। ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করা ওই দলটি এখন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন মির্জা আব্বাস। ওই দলটিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘একটি দল ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপির ষড়যন্ত্রের কোনো ইতিহাস নাই। পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো ইতিহাস নাই, বরং আপনারা বারবার চেষ্টা করেছেন ১৯৪৭ সাল থেকে। সেই সময় স্বাধীনতা আন্দোলন আপনারা করেন নাই, জনগণের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। ৭১ সালে জনগণের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। এখনও জনগণের বিরুদ্ধে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।’
রোববার, (৩০ নভেম্বর ২০২৫) নয়াপল্টনস্থ আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় এক দোয়া মাহফিলে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরতে না পারায় আক্ষেপ করে বলেন, ‘আজকে দেশনেত্রী মারাত্মক অসুস্থ। অথচ এই সময়ে তারেক রহমান আসতে পারছেন না। এটা যে কতো যন্ত্রণার তা সন্তান ছাড়া কেউ বুঝবে না। তবে আপনাকে (তারেক রহমান) আশ্বস্ত করতে চাই আমরা উনাকে (খালেদা জিয়া) বুঝতে দিবো না তার সন্তান অনেক দূরে। উনি আমাদের সবার মা। আমরা লাখো সন্তান আছি। রোববার, এবং আজকেও সারাদেশে দলমত, জাতিধর্ম নির্বিশেষে সবাই দেশনেত্রীর জন্য দোয়া করেছেন।’
বিএনপির নীতিনির্ধারণী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আজ একটি দল দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তারা ধর্মীয়ভাবে দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মা-বোনকে বিভ্রান্ত করছে। এরা কাদিয়ানীর দ্বিতীয় সংস্কার। এরা বলেন, পুলিশ ও প্রশাসনকে আমাদের কথা মতো চলতে হবে, কথামতো ছাড়তে হবে। এ দলটি কখনই দেশের মঙ্গল চায় নি। ৪৭ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, ৭১ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি একমাত্র দল যে দল সব ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। বিএনপির হাতে দেশ ও জনগণ নিরাপদ। যারা মুসলমানের লেবাস পড়ে মন্দিরে গিয়ে নাচানাচি করে তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।’ জামায়াত আমীরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘তার মধ্যে দেশপ্রেম আছে কিনা জানা নেই। থাকলে দেশে বিভ্রান্তি ছড়াতেন না।’
মির্জা আব্বাস আওয়ামী লীগের বিষোদাগার করে বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান যদি দেশে গণতন্ত্র প্রবর্তন না করতেন আর খালেদা জিয়া যদি গণতন্ত্র লালন না করতেন তাহলে এ দেশ গণতন্ত্রের সুবাতাস পেত না। এ দেশে যখনই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় তখনই দেশের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করে।
১৯৯১ সালে যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখনও শেখ হাসিনা বলেছিলেন একদিনের জন্য শান্তিতে থাকতে দিবো না। তিনি তাই করেছিলেন।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনুর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এছাড়া ঢাকা মহানগরের বিভিন্নস্তরের নেতাকর্মীরাও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
একটি দল কখনই দেশের মঙ্গল চায় না, তারা ৪৭ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, ৭১ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে। ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করা ওই দলটি এখন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন মির্জা আব্বাস। ওই দলটিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘একটি দল ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপির ষড়যন্ত্রের কোনো ইতিহাস নাই। পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো ইতিহাস নাই, বরং আপনারা বারবার চেষ্টা করেছেন ১৯৪৭ সাল থেকে। সেই সময় স্বাধীনতা আন্দোলন আপনারা করেন নাই, জনগণের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। ৭১ সালে জনগণের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। এখনও জনগণের বিরুদ্ধে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।’
রোববার, (৩০ নভেম্বর ২০২৫) নয়াপল্টনস্থ আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় এক দোয়া মাহফিলে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরতে না পারায় আক্ষেপ করে বলেন, ‘আজকে দেশনেত্রী মারাত্মক অসুস্থ। অথচ এই সময়ে তারেক রহমান আসতে পারছেন না। এটা যে কতো যন্ত্রণার তা সন্তান ছাড়া কেউ বুঝবে না। তবে আপনাকে (তারেক রহমান) আশ্বস্ত করতে চাই আমরা উনাকে (খালেদা জিয়া) বুঝতে দিবো না তার সন্তান অনেক দূরে। উনি আমাদের সবার মা। আমরা লাখো সন্তান আছি। রোববার, এবং আজকেও সারাদেশে দলমত, জাতিধর্ম নির্বিশেষে সবাই দেশনেত্রীর জন্য দোয়া করেছেন।’
বিএনপির নীতিনির্ধারণী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আজ একটি দল দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তারা ধর্মীয়ভাবে দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মা-বোনকে বিভ্রান্ত করছে। এরা কাদিয়ানীর দ্বিতীয় সংস্কার। এরা বলেন, পুলিশ ও প্রশাসনকে আমাদের কথা মতো চলতে হবে, কথামতো ছাড়তে হবে। এ দলটি কখনই দেশের মঙ্গল চায় নি। ৪৭ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, ৭১ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি একমাত্র দল যে দল সব ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। বিএনপির হাতে দেশ ও জনগণ নিরাপদ। যারা মুসলমানের লেবাস পড়ে মন্দিরে গিয়ে নাচানাচি করে তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।’ জামায়াত আমীরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘তার মধ্যে দেশপ্রেম আছে কিনা জানা নেই। থাকলে দেশে বিভ্রান্তি ছড়াতেন না।’
মির্জা আব্বাস আওয়ামী লীগের বিষোদাগার করে বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান যদি দেশে গণতন্ত্র প্রবর্তন না করতেন আর খালেদা জিয়া যদি গণতন্ত্র লালন না করতেন তাহলে এ দেশ গণতন্ত্রের সুবাতাস পেত না। এ দেশে যখনই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় তখনই দেশের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করে।
১৯৯১ সালে যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখনও শেখ হাসিনা বলেছিলেন একদিনের জন্য শান্তিতে থাকতে দিবো না। তিনি তাই করেছিলেন।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনুর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এছাড়া ঢাকা মহানগরের বিভিন্নস্তরের নেতাকর্মীরাও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।