মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
বাংলাদেশে সরকারি প্রকল্পের টেন্ডার দুর্নীতি এখন আর নতুন কোনো বিষয় নয়। রাজধানীর আজিমপুরের গণপূর্ত প্রকল্পে পিপিআর ২০২৫ সংশোধনের পরও এলটিএম ও ওটিএম টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ ওঠা এটিই প্রমাণ করছে। ৭৭৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা দেয়া, প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান বাতিল করা এবং শর্ত পরিবর্তনের ঘটনা দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন।
টিআইবি ও বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় অপচয় হয়; যার বড় অংশই ঘটে টেন্ডার পর্যায়ের কারসাজি ও প্রশাসনিক অনিয়মের কারণে। এর প্রভাব শুধু অর্থনৈতিক নয়; আজিমপুরের মতো উচ্চ জনঘনত্বপূর্ণ এলাকায় এটি নগর পরিবেশ, গাছপালা, পার্ক ও নাগরিক সেবার ওপরও চাপ সৃষ্টি করে।
সরকার ই-জিপি ও পিপিআর সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে জবাবদিহির অভাব প্রকল্পের সুফলকে সীমিত করছে। তাই এখন স্বাধীন তদারকি, প্রকৃত প্রতিযোগিতা এবং প্রকল্প অগ্রগতি ও ব্যয়ের তথ্য সর্বজনীন প্রকাশ অতীব জরুরি। তা না হলে উন্নয়ন বাজেটের বিপুল অর্থ কেবল অদক্ষ ব্যয়ে অপচয় হবে।
নাগরিকদের স্বার্থে এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি রোধে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
অর্জিতা সূত্রধর
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
বাংলাদেশে সরকারি প্রকল্পের টেন্ডার দুর্নীতি এখন আর নতুন কোনো বিষয় নয়। রাজধানীর আজিমপুরের গণপূর্ত প্রকল্পে পিপিআর ২০২৫ সংশোধনের পরও এলটিএম ও ওটিএম টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ ওঠা এটিই প্রমাণ করছে। ৭৭৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা দেয়া, প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান বাতিল করা এবং শর্ত পরিবর্তনের ঘটনা দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন।
টিআইবি ও বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় অপচয় হয়; যার বড় অংশই ঘটে টেন্ডার পর্যায়ের কারসাজি ও প্রশাসনিক অনিয়মের কারণে। এর প্রভাব শুধু অর্থনৈতিক নয়; আজিমপুরের মতো উচ্চ জনঘনত্বপূর্ণ এলাকায় এটি নগর পরিবেশ, গাছপালা, পার্ক ও নাগরিক সেবার ওপরও চাপ সৃষ্টি করে।
সরকার ই-জিপি ও পিপিআর সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে জবাবদিহির অভাব প্রকল্পের সুফলকে সীমিত করছে। তাই এখন স্বাধীন তদারকি, প্রকৃত প্রতিযোগিতা এবং প্রকল্প অগ্রগতি ও ব্যয়ের তথ্য সর্বজনীন প্রকাশ অতীব জরুরি। তা না হলে উন্নয়ন বাজেটের বিপুল অর্থ কেবল অদক্ষ ব্যয়ে অপচয় হবে।
নাগরিকদের স্বার্থে এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি রোধে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
অর্জিতা সূত্রধর