ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ফরিঙ্গাদিঘী, কাশিপুর, ধর্মগড় ও বাহেরপাড়ায় বনের ৫১৯.৩২ একর জমি দখলে নিয়েছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। দখল করা জমিতে তারা ঘরবাড়ি ও অন্যান্যা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বনভূমি উদ্ধারে কোনো তৎপরতাও নেই। এ নিয়ে গত বুধবার সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
একটি দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। জীববৈচিত্র্য ও প্রকৃতির ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য এটা জরুরি। দেশে বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৩ লাখ হেক্টর; যা দেশের আয়তনের শতকরা ১৫ দশমিক ৫৮ ভাগ। প্রতিটি রাষ্ট্রে মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকতে হবে- এটা জাতিসংঘের বেঁধে দেয়া লক্ষ্যমাত্রা; কিন্তু বাংলাদেশে বনভূমি উজাড় হতে হতে এখন ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে।
সারাদেশে বনভূমির প্রায় ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫২ একর জায়গা এখন প্রভাবশালীদের দখলে। দেশে বনভূমি দখলদারের সংখ্যা ৯০ হাজার; কিন্তু এসব দখলদারের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে তেমন জোরালো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় না। লোকবলের অভাব, আইনী জটিলতা, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে উদ্ধার করা যাচ্ছে না বনের দখলি জমি- এমন অজুহাত প্রায়ই দেখায় বনবিভাগ। কিন্তু প্রশাসনকে বনের জায়গা উদ্ধারের ক্ষমতাও ইতোমধ্যে দিয়েছে সরকার। দখলমুক্ত করতে প্রশাসন ও বন বিভাগের জোর তৎপরতা চালালে বনভূমির জায়গা উদ্ধার করা এমন কোনো কঠিন কাজ নয় বলে আমরা মনে করি।
বনবিভাগ একেবারেই যে আইনি ব্যবস্থা নেয় না তা নয়। মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সে অভিযানে কাউকে কাউকে ধরা হয়। জেল-জরিমানাও হয়; কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান প্রভাবশালীরা।
রানীশৈংকলে বেদখল হয়ে যাওয়া বনের জমি উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে- এমন কথা বলেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বন কর্তৃপক্ষ বলছে ডিসিকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। আমরা আশা করব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বন রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
রাণীশংকৈলে বনবিভাগের একশ্রেণীর অসাধু ব্যক্তিরর যোগসাজশে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বনের জায়গা দখল করছে বলে যে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেটা আমলে নিতে হবে। এ অপকর্মের সঙ্গে বনবিভাগের কারও যোগসাজশ আছে কিনা তা তদন্ত করে বের করতে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ফরিঙ্গাদিঘী, কাশিপুর, ধর্মগড় ও বাহেরপাড়ায় বনের ৫১৯.৩২ একর জমি দখলে নিয়েছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। দখল করা জমিতে তারা ঘরবাড়ি ও অন্যান্যা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বনভূমি উদ্ধারে কোনো তৎপরতাও নেই। এ নিয়ে গত বুধবার সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
একটি দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। জীববৈচিত্র্য ও প্রকৃতির ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য এটা জরুরি। দেশে বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৩ লাখ হেক্টর; যা দেশের আয়তনের শতকরা ১৫ দশমিক ৫৮ ভাগ। প্রতিটি রাষ্ট্রে মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকতে হবে- এটা জাতিসংঘের বেঁধে দেয়া লক্ষ্যমাত্রা; কিন্তু বাংলাদেশে বনভূমি উজাড় হতে হতে এখন ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে।
সারাদেশে বনভূমির প্রায় ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫২ একর জায়গা এখন প্রভাবশালীদের দখলে। দেশে বনভূমি দখলদারের সংখ্যা ৯০ হাজার; কিন্তু এসব দখলদারের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে তেমন জোরালো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় না। লোকবলের অভাব, আইনী জটিলতা, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে উদ্ধার করা যাচ্ছে না বনের দখলি জমি- এমন অজুহাত প্রায়ই দেখায় বনবিভাগ। কিন্তু প্রশাসনকে বনের জায়গা উদ্ধারের ক্ষমতাও ইতোমধ্যে দিয়েছে সরকার। দখলমুক্ত করতে প্রশাসন ও বন বিভাগের জোর তৎপরতা চালালে বনভূমির জায়গা উদ্ধার করা এমন কোনো কঠিন কাজ নয় বলে আমরা মনে করি।
বনবিভাগ একেবারেই যে আইনি ব্যবস্থা নেয় না তা নয়। মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সে অভিযানে কাউকে কাউকে ধরা হয়। জেল-জরিমানাও হয়; কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান প্রভাবশালীরা।
রানীশৈংকলে বেদখল হয়ে যাওয়া বনের জমি উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে- এমন কথা বলেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বন কর্তৃপক্ষ বলছে ডিসিকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। আমরা আশা করব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বন রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
রাণীশংকৈলে বনবিভাগের একশ্রেণীর অসাধু ব্যক্তিরর যোগসাজশে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বনের জায়গা দখল করছে বলে যে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেটা আমলে নিতে হবে। এ অপকর্মের সঙ্গে বনবিভাগের কারও যোগসাজশ আছে কিনা তা তদন্ত করে বের করতে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।