মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
শিক্ষাক্ষেত্রে স্মার্ট ক্লাসরুম, অনলাইন লার্নিং, ডিজিটাল কনটেন্ট ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় ও সহজ করতে হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলবে এবং মূল্যায়ন শুধু পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে নয়, বরং শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা, শ্রেণিকক্ষের অংশগ্রহণ, নৈতিক মূল্যবোধ ও ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা উচিত। এতে প্রকৃত জ্ঞানার্জনের মান বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে প্রতিটি স্তরে কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা চালু করা জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাসামগ্রীর ঘাটতি দূর করা প্রয়োজন।
তাছড়া সরকারকে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন, দেশপ্রেম, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ শেখানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করতে হবে, পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সুযোগও দিতে হবে। এছাড়া আরবি, জাপানি, ফারসি ও ফরাসি ভাষা শেখার সুযোগ বৃদ্ধি করা হলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে এবং বেকারত্ব কমবে। প্রকৃত শিক্ষা শুধুমাত্র বই পড়া বা পরীক্ষার ভালো ফল নয়, বরং তা হলো মানুষকে দক্ষ, নৈতিক, এবং সমাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা। তাই বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী, ব্যবহারিক ও দক্ষতাভিত্তিক করে গড়ে তোলাই সময়ের দাবি।
তুহিন
শিক্ষার্থী, আইন ও ভূমি প্রশাসন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
শিক্ষাক্ষেত্রে স্মার্ট ক্লাসরুম, অনলাইন লার্নিং, ডিজিটাল কনটেন্ট ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় ও সহজ করতে হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলবে এবং মূল্যায়ন শুধু পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে নয়, বরং শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা, শ্রেণিকক্ষের অংশগ্রহণ, নৈতিক মূল্যবোধ ও ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা উচিত। এতে প্রকৃত জ্ঞানার্জনের মান বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে প্রতিটি স্তরে কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা চালু করা জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাসামগ্রীর ঘাটতি দূর করা প্রয়োজন।
তাছড়া সরকারকে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন, দেশপ্রেম, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ শেখানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করতে হবে, পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সুযোগও দিতে হবে। এছাড়া আরবি, জাপানি, ফারসি ও ফরাসি ভাষা শেখার সুযোগ বৃদ্ধি করা হলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে এবং বেকারত্ব কমবে। প্রকৃত শিক্ষা শুধুমাত্র বই পড়া বা পরীক্ষার ভালো ফল নয়, বরং তা হলো মানুষকে দক্ষ, নৈতিক, এবং সমাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা। তাই বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী, ব্যবহারিক ও দক্ষতাভিত্তিক করে গড়ে তোলাই সময়ের দাবি।
তুহিন
শিক্ষার্থী, আইন ও ভূমি প্রশাসন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়