alt

মতামত » চিঠিপত্র

গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষির অবদান

: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

কৃষি গ্রামীণ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।আমাদের দেশের গ্রামগুলোর বেশিরভাগ মানুষ আজও কোনো না কোনোভাবে কৃষির ওপর নির্ভর করে জীবন চালায়। কেউ চাষাবাদ করে, কেউ মাছ ধরে, কেউ গবাদিপশু পালন করে আবার কেউ কৃষিপণ্য কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত থাকে। তাই কৃষিকে বলা যায় গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড।

কৃষির মাধ্যমে গ্রামে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। জমি প্রস্তুত করা, বীজ বোনা, ফসলের যত্ন নেওয়া, ফসল কাটা-এই প্রতিটি ধাপে বহু মানুষের কাজ জোটে। শুধু তাই নয়, ফসল কাটার পর তা সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাত করার কাজেও অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। এসব কাজ ঘিরেই গ্রামে হাট-বাজার গড়ে ওঠে এবং ছোট ছোট ব্যবসার সৃষ্টি হয়, যা পুরো গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখে।

কৃষি গ্রামবাসীর খাদ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গ্রামের মানুষ নিজের এলাকায় উৎপাদিত ধান, শাকসবজি, মাছ, দুধ ও মাংসের মাধ্যমে দৈনন্দিন খাদ্য জোগাড় করতে পারে। এতে শহরের ওপর নির্ভরতা কমে এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। একই সঙ্গে গ্রামের মানুষ তুলনামূলক কম খরচে পুষ্টিকর খাবার পায়।

কৃষি থেকে পাওয়া আয় গ্রামীণ পরিবারের জীবনমান উন্নত করতেও সাহায্য করে। কৃষকেরা ফসল বিক্রি করে যে আয় পায়, তা দিয়ে সন্তানের পড়ালেখা, চিকিৎসা, ঘরবাড়ি মেরামতসহ নানা প্রয়োজন মেটায়। ধীরে ধীরে গ্রামের মানুষের সচেতনতা বাড়ে এবং সামাজিক অবস্থারও পরিবর্তন আসে।

সবশেষে বলা যায়, কৃষি ছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতি অচল। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, আধুনিক চাষপদ্ধতির প্রসার এবং পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা দিলে কৃষি আরও লাভজনক হবে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নও টেকসই হবে।

কাজী মাধুর্য রহমান

শিক্ষার্থী,লোকপ্রশাসন বিভাগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

রাজনীতি হোক মানুষের জন্য, মানুষ নিয়ে নয়

দূরদর্শী সিদ্ধান্তে রক্ষা পেতে পারে শিক্ষাব্যবস্থা

সামাজিক আন্দোলন: প্রতিবাদ নাকি ট্রেন্ড?

নগর সভ্যতায় নিঃসঙ্গতার মহামারি

আবাসন সংকট

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হোক কর্মসংস্থান

জেন্ডার-নিরপেক্ষ ন্যায়বিচার দরকার

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

tab

মতামত » চিঠিপত্র

গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষির অবদান

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

কৃষি গ্রামীণ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।আমাদের দেশের গ্রামগুলোর বেশিরভাগ মানুষ আজও কোনো না কোনোভাবে কৃষির ওপর নির্ভর করে জীবন চালায়। কেউ চাষাবাদ করে, কেউ মাছ ধরে, কেউ গবাদিপশু পালন করে আবার কেউ কৃষিপণ্য কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত থাকে। তাই কৃষিকে বলা যায় গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড।

কৃষির মাধ্যমে গ্রামে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। জমি প্রস্তুত করা, বীজ বোনা, ফসলের যত্ন নেওয়া, ফসল কাটা-এই প্রতিটি ধাপে বহু মানুষের কাজ জোটে। শুধু তাই নয়, ফসল কাটার পর তা সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাত করার কাজেও অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। এসব কাজ ঘিরেই গ্রামে হাট-বাজার গড়ে ওঠে এবং ছোট ছোট ব্যবসার সৃষ্টি হয়, যা পুরো গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখে।

কৃষি গ্রামবাসীর খাদ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গ্রামের মানুষ নিজের এলাকায় উৎপাদিত ধান, শাকসবজি, মাছ, দুধ ও মাংসের মাধ্যমে দৈনন্দিন খাদ্য জোগাড় করতে পারে। এতে শহরের ওপর নির্ভরতা কমে এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। একই সঙ্গে গ্রামের মানুষ তুলনামূলক কম খরচে পুষ্টিকর খাবার পায়।

কৃষি থেকে পাওয়া আয় গ্রামীণ পরিবারের জীবনমান উন্নত করতেও সাহায্য করে। কৃষকেরা ফসল বিক্রি করে যে আয় পায়, তা দিয়ে সন্তানের পড়ালেখা, চিকিৎসা, ঘরবাড়ি মেরামতসহ নানা প্রয়োজন মেটায়। ধীরে ধীরে গ্রামের মানুষের সচেতনতা বাড়ে এবং সামাজিক অবস্থারও পরিবর্তন আসে।

সবশেষে বলা যায়, কৃষি ছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতি অচল। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, আধুনিক চাষপদ্ধতির প্রসার এবং পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা দিলে কৃষি আরও লাভজনক হবে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নও টেকসই হবে।

কাজী মাধুর্য রহমান

শিক্ষার্থী,লোকপ্রশাসন বিভাগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

back to top