alt

মতামত » চিঠিপত্র

আইনশৃঙ্খলার অবনতি: কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

: শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

দেশে আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। খুন, সন্ত্রাস, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের ঘটনা বাড়ছে, যা সাধারণ মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘনিষ্ঠতায় রাজনৈতিক সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনাও বেড়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের প্রার্থী ও সমর্থকরাও উদ্বিগ্ন, প্রশাসনও সতর্ক। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নির্বাচন সংক্রান্ত কর্মকান্ডে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বেশি জড়িত হলে মাঠ পর্যায়ে শূন্যতা তৈরি হতে পারে এবং অপরাধীরা সেই সুযোগে অপরাধের মাত্রা বাড়াতে পারে।

অন্তর্বর্তী সরকার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যাঁদের কাছে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, তাদের অস্ত্র জমা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব’ ও ‘চূড়ান্ত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের’ জন্য নতুন লাইসেন্স প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত অন্তত ১৫-১৬ জন রাজনীতিবিদ এবং ২০ জনের বেশি উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা অস্ত্রের লাইসেন্স বা গানম্যান চেয়ে আবেদন করেছেন। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ২৩০-এর বেশি ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, এদের মধ্যে ৮০-এর বেশি নিহত হয়েছেন। এতে রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধির একটি বড় কারণ হলো গত বছরের ৫ আগস্টের আগে ও পরে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলির যথাযথ উদ্ধার না হওয়া। এছাড়া সীমান্তপথে প্রতিনিয়ত অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক প্রবেশ করছে। সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসেবে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত থেকে ২৬টি শক্তিশালী ইলেকট্রিক ডেটোনেটর উদ্ধার এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি মাদরাসায় বিস্ফোরণে চারজন আহত হওয়া উল্লেখযোগ্য।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে এখন থেকেই তৎপর হতে হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা এবং সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা অপরিহার্য। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কৌশলগত ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

মুহিবুল হাসান রাফি

চট্টগ্রাম

রাজনীতি হোক মানুষের জন্য, মানুষ নিয়ে নয়

দূরদর্শী সিদ্ধান্তে রক্ষা পেতে পারে শিক্ষাব্যবস্থা

সামাজিক আন্দোলন: প্রতিবাদ নাকি ট্রেন্ড?

নগর সভ্যতায় নিঃসঙ্গতার মহামারি

আবাসন সংকট

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হোক কর্মসংস্থান

জেন্ডার-নিরপেক্ষ ন্যায়বিচার দরকার

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

tab

মতামত » চিঠিপত্র

আইনশৃঙ্খলার অবনতি: কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। খুন, সন্ত্রাস, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের ঘটনা বাড়ছে, যা সাধারণ মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘনিষ্ঠতায় রাজনৈতিক সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনাও বেড়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের প্রার্থী ও সমর্থকরাও উদ্বিগ্ন, প্রশাসনও সতর্ক। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নির্বাচন সংক্রান্ত কর্মকান্ডে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বেশি জড়িত হলে মাঠ পর্যায়ে শূন্যতা তৈরি হতে পারে এবং অপরাধীরা সেই সুযোগে অপরাধের মাত্রা বাড়াতে পারে।

অন্তর্বর্তী সরকার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যাঁদের কাছে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, তাদের অস্ত্র জমা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব’ ও ‘চূড়ান্ত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের’ জন্য নতুন লাইসেন্স প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত অন্তত ১৫-১৬ জন রাজনীতিবিদ এবং ২০ জনের বেশি উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা অস্ত্রের লাইসেন্স বা গানম্যান চেয়ে আবেদন করেছেন। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ২৩০-এর বেশি ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, এদের মধ্যে ৮০-এর বেশি নিহত হয়েছেন। এতে রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধির একটি বড় কারণ হলো গত বছরের ৫ আগস্টের আগে ও পরে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলির যথাযথ উদ্ধার না হওয়া। এছাড়া সীমান্তপথে প্রতিনিয়ত অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক প্রবেশ করছে। সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসেবে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত থেকে ২৬টি শক্তিশালী ইলেকট্রিক ডেটোনেটর উদ্ধার এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি মাদরাসায় বিস্ফোরণে চারজন আহত হওয়া উল্লেখযোগ্য।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে এখন থেকেই তৎপর হতে হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা এবং সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা অপরিহার্য। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কৌশলগত ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

মুহিবুল হাসান রাফি

চট্টগ্রাম

back to top