alt

মতামত » চিঠিপত্র

শীতের তীব্রতায় মানবিকতার আলো জ্বালাই

: শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শীতকালের আগমন আমাদের জীবনে শুধু ঠান্ডা নয়, অসহায় ও গরিব মানুষের জন্য এটি হয়ে ওঠে এক বড় চ্যালেঞ্জ। রাতের তীব্র ঠান্ডা, কুয়াশা ও ঝড়-বৃষ্টিতে গৃহহীন, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে।

অনেকের কাছে কম্বল, গরম কাপড় বা উষ্ণ খাবার পাওয়াটা অনেক সময় সম্ভব হয় না। এই সময়ে মানুষের ছোট্ট সহযোগিতাই তাদের জীবনে বড় আশার আলো হয়ে দাঁড়ায়।

একটি কম্বল বা গরম কাপড় একজন শীতার্ত মানুষকে রাতের কেঁপে ওঠা থেকে রক্ষা করতে পারে।

শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাই স্থানীয় কমিউনিটি সেন্টার, মসজিদ বা বিদ্যালয়গুলোতে শীতবস্ত্র বিতরণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। শুধু কাপড় নয়, গরম খাবার, সেদ্ধ ডাল, ভাত বা সুপের ব্যবস্থা তাদের শক্তি ও উষ্ণতা দিতে পারে। প্রতিদিন কিছু মানুষের জন্য খাবার পৌঁছে দেওয়াও তাদের জীবনকে অনেকটাই সহজ করে।

তবে সহানুভূতি মানে শুধু সামগ্রী বিতরণ নয়। আমাদের চাইলে প্রতিবেশী বা পরিচিতি মধ্যে শীতার্ত মানুষদের খুঁজে বের করতে পারি। একজন বৃদ্ধ বা গৃহহীন মানুষকে খুঁজে তাদের পাশে দাঁড়ানো, প্রয়োজনমতো সহায়তা করা কিংবা শুধু সঙ্গে বসে গল্প করা – এই ছোট্ট মানবিকতা অনেক বড় প্রভাব ফেলে।

শীত মানে শুধু ঠান্ডা নয়; শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা মানবিক দায়বদ্ধতা পূরণ করি।

সমাজে সহমর্মিতা, সৌজন্য ও মানবিক উষ্ণতা বজায় রাখতে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। ছোট ছোট উদ্যোগ – কম্বল দেওয়া, গরম খাবার পৌঁছে দেওয়া, পাশে থাকা – এগুলো শীতার কষ্ট কমায় এবং মানুষকে একে অপরের প্রতি দায়বদ্ধ হতে শেখায়।

আসুন, আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শীতার্তদের পাশে দাঁড়াই। এক ছোট্ট সাহায্য, একটা কম্বল বা এক কাপ গরম চা – অনেকের জন্য হতে পারে জীবনের তাপ ও নিরাপত্তার প্রতীক। শীতের তীব্রতায় মানবিকতার আলো জ্বালাই, এবং আমাদের সমাজকে আরও সহমর্মী ও শক্তিশালী করি।

আইনশৃঙ্খলার অবনতি: কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

চাকরির বিজ্ঞাপন আছে, চাকরি নেই

উন্নয়নের গল্পের আড়ালে শ্রমিকের বেদনা

ফুটপাথের উন্মুক্ত টয়লেট: নগর জীবনের অস্বস্তি

ধূমপান সংক্রান্ত নতুন অধ্যাদেশ কি আলোর মুখ দেখবে?

কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সংকট

ক্যাম্পাস বাসে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য: শিক্ষার্থীদের নিত্য বিড়ম্বনা

তামাক: রাজস্বের মোহে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি

স্কুলে নির্যাতন: আদর্শের আড়ালে বাস্তবতা

টেলিটকে ওয়াইফাই কলিং: সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সম্ভাবনা

প্রাথমিক শিক্ষা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন

ইজি বাইক থেকে খাবারের থালা: সিসার ছায়া আমাদের চারপাশে

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মডেল: বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয় শিক্ষা ও নীতি

গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষির অবদান

শহরের পাখিরা যখন মরার প্রহর গুনে

ধর্মের নামে বর্বরতা

টেকসই শহরের একান্ত প্রয়োজন

সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি

সুন্দরবনের বাঘ ও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা : আর্শীবাদ নাকি অভিশাপ

সমুদ্রগবেষণায় পশ্চাৎপদতা মৎস্য খাতের ভবিষ্যৎকেই ঝুঁকিতে ফেলছে

কিশোর গ্যাং–সংস্কৃতি: সমাজের জন্য বাড়তে থাকা অশনি সংকেত

ডিগ্রি হাতে, চাকরি স্বপ্নে: শিক্ষিত বেকারদের মানসিক ক্ষয়

সরকারি কর্মচারীদের কর্মেই মুক্তি নাকি আন্দোলনে?

কর্মজীবী নারীর অদৃশ্য মানসিক বোঝা

নগর সংস্কৃতিতে ঐতিহ্যের বিলুপ্তি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আগাম সতর্কবার্তাই কি যথেষ্ট?

সুলতানপুরে করতোয়া নদীর তাণ্ডব: নদীভাঙনে মানুষের জীবন বিপন্ন

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সম্ভাবনা বিস্তৃত, অনিয়মের ছায়াও গভীর

গেন্ডারিয়ায় সড়ক ও ড্রেন সংস্কারে অনিয়ম: জনদূর্ভোগ বৃদ্ধি

প্রবীণদের সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি

পলিভিনাইলের ব্যবহার প্রতিরোধ জরুরি

বৈধ সনদধারীদের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি

টেকসই দুর্যোগ প্রস্তুতিতে জরুরি বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন

জলবায়ু পরিবর্তন ও নারী ও কিশোরীদের ঝুঁকি

মেধা হারাচ্ছে দেশ

tab

মতামত » চিঠিপত্র

শীতের তীব্রতায় মানবিকতার আলো জ্বালাই

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

শীতকালের আগমন আমাদের জীবনে শুধু ঠান্ডা নয়, অসহায় ও গরিব মানুষের জন্য এটি হয়ে ওঠে এক বড় চ্যালেঞ্জ। রাতের তীব্র ঠান্ডা, কুয়াশা ও ঝড়-বৃষ্টিতে গৃহহীন, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে।

অনেকের কাছে কম্বল, গরম কাপড় বা উষ্ণ খাবার পাওয়াটা অনেক সময় সম্ভব হয় না। এই সময়ে মানুষের ছোট্ট সহযোগিতাই তাদের জীবনে বড় আশার আলো হয়ে দাঁড়ায়।

একটি কম্বল বা গরম কাপড় একজন শীতার্ত মানুষকে রাতের কেঁপে ওঠা থেকে রক্ষা করতে পারে।

শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাই স্থানীয় কমিউনিটি সেন্টার, মসজিদ বা বিদ্যালয়গুলোতে শীতবস্ত্র বিতরণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। শুধু কাপড় নয়, গরম খাবার, সেদ্ধ ডাল, ভাত বা সুপের ব্যবস্থা তাদের শক্তি ও উষ্ণতা দিতে পারে। প্রতিদিন কিছু মানুষের জন্য খাবার পৌঁছে দেওয়াও তাদের জীবনকে অনেকটাই সহজ করে।

তবে সহানুভূতি মানে শুধু সামগ্রী বিতরণ নয়। আমাদের চাইলে প্রতিবেশী বা পরিচিতি মধ্যে শীতার্ত মানুষদের খুঁজে বের করতে পারি। একজন বৃদ্ধ বা গৃহহীন মানুষকে খুঁজে তাদের পাশে দাঁড়ানো, প্রয়োজনমতো সহায়তা করা কিংবা শুধু সঙ্গে বসে গল্প করা – এই ছোট্ট মানবিকতা অনেক বড় প্রভাব ফেলে।

শীত মানে শুধু ঠান্ডা নয়; শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা মানবিক দায়বদ্ধতা পূরণ করি।

সমাজে সহমর্মিতা, সৌজন্য ও মানবিক উষ্ণতা বজায় রাখতে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। ছোট ছোট উদ্যোগ – কম্বল দেওয়া, গরম খাবার পৌঁছে দেওয়া, পাশে থাকা – এগুলো শীতার কষ্ট কমায় এবং মানুষকে একে অপরের প্রতি দায়বদ্ধ হতে শেখায়।

আসুন, আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শীতার্তদের পাশে দাঁড়াই। এক ছোট্ট সাহায্য, একটা কম্বল বা এক কাপ গরম চা – অনেকের জন্য হতে পারে জীবনের তাপ ও নিরাপত্তার প্রতীক। শীতের তীব্রতায় মানবিকতার আলো জ্বালাই, এবং আমাদের সমাজকে আরও সহমর্মী ও শক্তিশালী করি।

back to top