মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
বাংলার শীতকাল মানেই খেজুরের রস। হাজার বছর ধরে খেজুরের রস খাদ্য সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে। এই রসে রয়েছে শর্করা, খনিজ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরে শক্তি যোগায়, দুর্বলতা দূর করে ও কার্যকারিতা বাড়ায়। সব উপকারের পাশাপাশি কিছু সতর্কতার জায়গায়ও আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর রসের হাঁড়িতে বাদুড় ও পোকামাকড়ের লালা বা মল মিশে নিপাহ ভাইরাসের মতো মারাত্মক জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। বিশ্বে প্রথম ১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়া ও ২০০১ সালে বাংলাদেশে এ ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছিল। আইইডিসিআর এর তথ্যমতে, ২০০১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশে ৩০৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বমি দেখা দেয়। খোলা হাঁড়িতে রাখা রস দ্রুত ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। তাই অপরিশোধিত ও খোলা অবস্থায় সংগৃহীত কাঁচা রস সরাসরি পান করা ঝুঁকিপূর্ণ। পুরোপুরি বর্জন না করে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পান করতে পারি। রস সংগ্রহের সময় হাঁড়ির চারপাশে প্রতিরক্ষামূলক আবরণ ব্যবহার করতে হবে। রস খাওয়ার আগে ভালো ভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। রাতের বেলায় বাদুড় তাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
খেজুর রসে উচ্চমাত্রায় চিনি থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের না খাওয়ায় উচিত। নিপাহ ভাইরাসের প্রতিশেধোক আবিষ্কার না হওয়ায় মৃত্যু ঝুঁকি বেশি।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
বাংলার শীতকাল মানেই খেজুরের রস। হাজার বছর ধরে খেজুরের রস খাদ্য সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে। এই রসে রয়েছে শর্করা, খনিজ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরে শক্তি যোগায়, দুর্বলতা দূর করে ও কার্যকারিতা বাড়ায়। সব উপকারের পাশাপাশি কিছু সতর্কতার জায়গায়ও আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর রসের হাঁড়িতে বাদুড় ও পোকামাকড়ের লালা বা মল মিশে নিপাহ ভাইরাসের মতো মারাত্মক জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। বিশ্বে প্রথম ১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়া ও ২০০১ সালে বাংলাদেশে এ ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছিল। আইইডিসিআর এর তথ্যমতে, ২০০১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশে ৩০৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বমি দেখা দেয়। খোলা হাঁড়িতে রাখা রস দ্রুত ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। তাই অপরিশোধিত ও খোলা অবস্থায় সংগৃহীত কাঁচা রস সরাসরি পান করা ঝুঁকিপূর্ণ। পুরোপুরি বর্জন না করে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পান করতে পারি। রস সংগ্রহের সময় হাঁড়ির চারপাশে প্রতিরক্ষামূলক আবরণ ব্যবহার করতে হবে। রস খাওয়ার আগে ভালো ভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। রাতের বেলায় বাদুড় তাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
খেজুর রসে উচ্চমাত্রায় চিনি থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের না খাওয়ায় উচিত। নিপাহ ভাইরাসের প্রতিশেধোক আবিষ্কার না হওয়ায় মৃত্যু ঝুঁকি বেশি।