মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
বহুল কাক্সিক্ষত প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান নিয়োগ সরকারিভাবে হবে এটা ভাবতেই আনন্দে চোখ ছল ছল করে। এটা আপামর জনতার দাবিও ছিল বটে। এতে প্রতিষ্ঠান যেমন দক্ষ, চৌকস ও যোগ্য ব্যক্তিকে পাবে, তেমনি নিভৃতচারী শিক্ষকরা তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা, জ্ঞান, এবং সৃজনশীলতা দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট হবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্বে তুলনামূলক অধিক মেধাবীদের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীদের রাজনৈতিক বিবেচনায় এনে নিয়োগ দেয়া হতো।
ঘুষের ছড়াছড়ি শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করতে দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছিল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের এ উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। পাশাপাশি শুধু এমসিকিও পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন কোন কোন ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি হবে বলে স্বজ্জন সমাজ মনে করে। এছাড়া প্রশ্নফাসের ভয়াবহতাও এদেশে নতুন নয়। এমসিকিও+ লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ পরীক্ষাটি এনটিআরসিএ গ্রহনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে জাতির বিশ্বাস।
একইসঙ্গে এমপিও নীতিমালা সর্বশেষ প্রকাশিত হয়েছে ২০২৫ সালে। এখানে কিছু অসংগতি দেখে যে কারো অবাক লাগার কথা। আমরা এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে অনুপাত প্রথা নামক কালো আইনকে বাতিল করে সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশের বিনীত অনুরোধ জানাই। এবার আসি নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষের বেলায় ৩ (তিন) বছরের সহকারি অধ্যাপক সহ ১২ বছরের কলেজ লেভেলে প্রভাষকের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এটা একটা খামোখা সিদ্ধান্ত! কারণ অনেক প্রতিষ্ঠানে ৫০% সহকারী অধ্যাপক নামক একটি কালো আইন বলবৎ্ আছে, যা কলেজ শিক্ষকদের জন্য অভিশাপ। কালো আইন বাতিল করে অনতিবিলম্বে ১২ বছরের এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষক / প্রভাষকদের সবাইকে সহকারী অধ্যাপকের (গ্রেড-০৬) দিতে হবে।
পাশাপাশি ১২ বছর কলেজ লেভেল শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সবাইকে অধ্যক্ষ,উপাধ্যক্ষ পদে পরীক্ষার আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। শিক্ষা প্রশাসনের আমুল পরিবর্তন জরুরি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
মুহাম্মদ আবদুল হক নাঈম
কলেজ শিক্ষক
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বহুল কাক্সিক্ষত প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান নিয়োগ সরকারিভাবে হবে এটা ভাবতেই আনন্দে চোখ ছল ছল করে। এটা আপামর জনতার দাবিও ছিল বটে। এতে প্রতিষ্ঠান যেমন দক্ষ, চৌকস ও যোগ্য ব্যক্তিকে পাবে, তেমনি নিভৃতচারী শিক্ষকরা তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা, জ্ঞান, এবং সৃজনশীলতা দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট হবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্বে তুলনামূলক অধিক মেধাবীদের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীদের রাজনৈতিক বিবেচনায় এনে নিয়োগ দেয়া হতো।
ঘুষের ছড়াছড়ি শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করতে দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছিল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের এ উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। পাশাপাশি শুধু এমসিকিও পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন কোন কোন ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি হবে বলে স্বজ্জন সমাজ মনে করে। এছাড়া প্রশ্নফাসের ভয়াবহতাও এদেশে নতুন নয়। এমসিকিও+ লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ পরীক্ষাটি এনটিআরসিএ গ্রহনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে জাতির বিশ্বাস।
একইসঙ্গে এমপিও নীতিমালা সর্বশেষ প্রকাশিত হয়েছে ২০২৫ সালে। এখানে কিছু অসংগতি দেখে যে কারো অবাক লাগার কথা। আমরা এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে অনুপাত প্রথা নামক কালো আইনকে বাতিল করে সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশের বিনীত অনুরোধ জানাই। এবার আসি নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষের বেলায় ৩ (তিন) বছরের সহকারি অধ্যাপক সহ ১২ বছরের কলেজ লেভেলে প্রভাষকের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এটা একটা খামোখা সিদ্ধান্ত! কারণ অনেক প্রতিষ্ঠানে ৫০% সহকারী অধ্যাপক নামক একটি কালো আইন বলবৎ্ আছে, যা কলেজ শিক্ষকদের জন্য অভিশাপ। কালো আইন বাতিল করে অনতিবিলম্বে ১২ বছরের এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষক / প্রভাষকদের সবাইকে সহকারী অধ্যাপকের (গ্রেড-০৬) দিতে হবে।
পাশাপাশি ১২ বছর কলেজ লেভেল শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সবাইকে অধ্যক্ষ,উপাধ্যক্ষ পদে পরীক্ষার আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। শিক্ষা প্রশাসনের আমুল পরিবর্তন জরুরি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
মুহাম্মদ আবদুল হক নাঈম
কলেজ শিক্ষক