alt

মতামত » চিঠিপত্র

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

: বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বহুল কাক্সিক্ষত প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান নিয়োগ সরকারিভাবে হবে এটা ভাবতেই আনন্দে চোখ ছল ছল করে। এটা আপামর জনতার দাবিও ছিল বটে। এতে প্রতিষ্ঠান যেমন দক্ষ, চৌকস ও যোগ্য ব্যক্তিকে পাবে, তেমনি নিভৃতচারী শিক্ষকরা তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা, জ্ঞান, এবং সৃজনশীলতা দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট হবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্বে তুলনামূলক অধিক মেধাবীদের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীদের রাজনৈতিক বিবেচনায় এনে নিয়োগ দেয়া হতো।

ঘুষের ছড়াছড়ি শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করতে দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছিল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের এ উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। পাশাপাশি শুধু এমসিকিও পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন কোন কোন ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি হবে বলে স্বজ্জন সমাজ মনে করে। এছাড়া প্রশ্নফাসের ভয়াবহতাও এদেশে নতুন নয়। এমসিকিও+ লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ পরীক্ষাটি এনটিআরসিএ গ্রহনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে জাতির বিশ্বাস।

একইসঙ্গে এমপিও নীতিমালা সর্বশেষ প্রকাশিত হয়েছে ২০২৫ সালে। এখানে কিছু অসংগতি দেখে যে কারো অবাক লাগার কথা। আমরা এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে অনুপাত প্রথা নামক কালো আইনকে বাতিল করে সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশের বিনীত অনুরোধ জানাই। এবার আসি নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষের বেলায় ৩ (তিন) বছরের সহকারি অধ্যাপক সহ ১২ বছরের কলেজ লেভেলে প্রভাষকের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এটা একটা খামোখা সিদ্ধান্ত! কারণ অনেক প্রতিষ্ঠানে ৫০% সহকারী অধ্যাপক নামক একটি কালো আইন বলবৎ্ আছে, যা কলেজ শিক্ষকদের জন্য অভিশাপ। কালো আইন বাতিল করে অনতিবিলম্বে ১২ বছরের এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষক / প্রভাষকদের সবাইকে সহকারী অধ্যাপকের (গ্রেড-০৬) দিতে হবে।

পাশাপাশি ১২ বছর কলেজ লেভেল শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সবাইকে অধ্যক্ষ,উপাধ্যক্ষ পদে পরীক্ষার আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। শিক্ষা প্রশাসনের আমুল পরিবর্তন জরুরি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

মুহাম্মদ আবদুল হক নাঈম

কলেজ শিক্ষক

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

পর্যটন শহরগুলো কেন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে

বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি: শহরের মানুষের নীরব আর্তনাদ

গণযোগাযোগ কোর্সে অপর্যাপ্ত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ

নদীকেন্দ্রিক পর্যটন: সম্ভাবনার অপমৃত্যু ও আমাদের দায়

অনুমতি উঠে গেল, বিবেক কি ছুটিতে?

খেজুর রসে স্বাস্থ্যঝুঁকি

তাড়াইলের হাওরে বক শিকার: পরিবেশের জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পানির তীব্র সংকট

কারাকাসে মার্কিন হামলার মূল লক্ষ্য কী?

শীতের তীব্রতায় মানবিকতার আলো জ্বালাই

আইনশৃঙ্খলার অবনতি: কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

চাকরির বিজ্ঞাপন আছে, চাকরি নেই

উন্নয়নের গল্পের আড়ালে শ্রমিকের বেদনা

ফুটপাথের উন্মুক্ত টয়লেট: নগর জীবনের অস্বস্তি

ধূমপান সংক্রান্ত নতুন অধ্যাদেশ কি আলোর মুখ দেখবে?

কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সংকট

ক্যাম্পাস বাসে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য: শিক্ষার্থীদের নিত্য বিড়ম্বনা

tab

মতামত » চিঠিপত্র

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বহুল কাক্সিক্ষত প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান নিয়োগ সরকারিভাবে হবে এটা ভাবতেই আনন্দে চোখ ছল ছল করে। এটা আপামর জনতার দাবিও ছিল বটে। এতে প্রতিষ্ঠান যেমন দক্ষ, চৌকস ও যোগ্য ব্যক্তিকে পাবে, তেমনি নিভৃতচারী শিক্ষকরা তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা, জ্ঞান, এবং সৃজনশীলতা দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট হবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্বে তুলনামূলক অধিক মেধাবীদের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীদের রাজনৈতিক বিবেচনায় এনে নিয়োগ দেয়া হতো।

ঘুষের ছড়াছড়ি শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করতে দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছিল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের এ উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। পাশাপাশি শুধু এমসিকিও পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন কোন কোন ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি হবে বলে স্বজ্জন সমাজ মনে করে। এছাড়া প্রশ্নফাসের ভয়াবহতাও এদেশে নতুন নয়। এমসিকিও+ লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ পরীক্ষাটি এনটিআরসিএ গ্রহনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে জাতির বিশ্বাস।

একইসঙ্গে এমপিও নীতিমালা সর্বশেষ প্রকাশিত হয়েছে ২০২৫ সালে। এখানে কিছু অসংগতি দেখে যে কারো অবাক লাগার কথা। আমরা এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে অনুপাত প্রথা নামক কালো আইনকে বাতিল করে সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশের বিনীত অনুরোধ জানাই। এবার আসি নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষের বেলায় ৩ (তিন) বছরের সহকারি অধ্যাপক সহ ১২ বছরের কলেজ লেভেলে প্রভাষকের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এটা একটা খামোখা সিদ্ধান্ত! কারণ অনেক প্রতিষ্ঠানে ৫০% সহকারী অধ্যাপক নামক একটি কালো আইন বলবৎ্ আছে, যা কলেজ শিক্ষকদের জন্য অভিশাপ। কালো আইন বাতিল করে অনতিবিলম্বে ১২ বছরের এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষক / প্রভাষকদের সবাইকে সহকারী অধ্যাপকের (গ্রেড-০৬) দিতে হবে।

পাশাপাশি ১২ বছর কলেজ লেভেল শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সবাইকে অধ্যক্ষ,উপাধ্যক্ষ পদে পরীক্ষার আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। শিক্ষা প্রশাসনের আমুল পরিবর্তন জরুরি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

মুহাম্মদ আবদুল হক নাঈম

কলেজ শিক্ষক

back to top