alt

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে

: বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

মাদক বর্তমান সময়ে মারাত্মক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুব সমাজ দলে দলে ঝুঁকছে মাদকের দিকে। শহর কিংবা গ্রামের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে গেছে মাদক। মাদকের থাবায় ঘায়েল হয়ে যাচ্ছে আবেগ প্রবণ যুব সমাজ। তাই মাদক মুক্ত সমাজ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। মাদক শুধু একজন মানুষকে ধ্বংস করে না। একটা পরিবারকে বিনষ্ট করে দেয়ে, এই পরিবারে ধস নেমে আসে অচিরেই। পরিবারে অশান্তি হয় রাবণের চিতার মতো। মাদকাশক্ত ব্যক্তিও জীবনে শান্তি বা সুখের দেখা পায় না। মাদকের মাধ্যমে জলন্ত আগুনে নিজেকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। জীবনে অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই থাকে না। মাদকের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে পুরো সমাজে।

মানসিক অশান্তি, ব্যক্তিগত জীবনে হতাশা নেমে আসা, প্রিয় মানুষদের দ্বারা প্রতারণার শিকার হওয়া, কোন সম্পর্ক মাঝপথে থেমে যাওয়া ছাড়াও নানা কারণে মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে যায়। তাই সবার উচিত একাকিত্ব বা এ কঠিন সময়ে মানুষের পাশে থাকা। সে যাতে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস জোগাতে পারে। পাশাপাশি সমাজের মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তবেই সমাজ হবে মাদক মুক্ত। সমাজে ফিরে আসবে শান্তি ও সুখ।

জুবায়েদ মোস্তফা

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

পর্যটন শহরগুলো কেন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে

বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি: শহরের মানুষের নীরব আর্তনাদ

গণযোগাযোগ কোর্সে অপর্যাপ্ত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ

নদীকেন্দ্রিক পর্যটন: সম্ভাবনার অপমৃত্যু ও আমাদের দায়

অনুমতি উঠে গেল, বিবেক কি ছুটিতে?

খেজুর রসে স্বাস্থ্যঝুঁকি

তাড়াইলের হাওরে বক শিকার: পরিবেশের জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পানির তীব্র সংকট

কারাকাসে মার্কিন হামলার মূল লক্ষ্য কী?

শীতের তীব্রতায় মানবিকতার আলো জ্বালাই

আইনশৃঙ্খলার অবনতি: কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

চাকরির বিজ্ঞাপন আছে, চাকরি নেই

উন্নয়নের গল্পের আড়ালে শ্রমিকের বেদনা

ফুটপাথের উন্মুক্ত টয়লেট: নগর জীবনের অস্বস্তি

ধূমপান সংক্রান্ত নতুন অধ্যাদেশ কি আলোর মুখ দেখবে?

কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সংকট

ক্যাম্পাস বাসে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য: শিক্ষার্থীদের নিত্য বিড়ম্বনা

তামাক: রাজস্বের মোহে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি

স্কুলে নির্যাতন: আদর্শের আড়ালে বাস্তবতা

tab

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২

মাদক বর্তমান সময়ে মারাত্মক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুব সমাজ দলে দলে ঝুঁকছে মাদকের দিকে। শহর কিংবা গ্রামের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে গেছে মাদক। মাদকের থাবায় ঘায়েল হয়ে যাচ্ছে আবেগ প্রবণ যুব সমাজ। তাই মাদক মুক্ত সমাজ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। মাদক শুধু একজন মানুষকে ধ্বংস করে না। একটা পরিবারকে বিনষ্ট করে দেয়ে, এই পরিবারে ধস নেমে আসে অচিরেই। পরিবারে অশান্তি হয় রাবণের চিতার মতো। মাদকাশক্ত ব্যক্তিও জীবনে শান্তি বা সুখের দেখা পায় না। মাদকের মাধ্যমে জলন্ত আগুনে নিজেকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। জীবনে অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই থাকে না। মাদকের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে পুরো সমাজে।

মানসিক অশান্তি, ব্যক্তিগত জীবনে হতাশা নেমে আসা, প্রিয় মানুষদের দ্বারা প্রতারণার শিকার হওয়া, কোন সম্পর্ক মাঝপথে থেমে যাওয়া ছাড়াও নানা কারণে মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে যায়। তাই সবার উচিত একাকিত্ব বা এ কঠিন সময়ে মানুষের পাশে থাকা। সে যাতে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস জোগাতে পারে। পাশাপাশি সমাজের মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তবেই সমাজ হবে মাদক মুক্ত। সমাজে ফিরে আসবে শান্তি ও সুখ।

জুবায়েদ মোস্তফা

back to top