alt

মতামত » চিঠিপত্র

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

: সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বর্তমানে বাংলাদেশে গভীর সংকট গুলোর মধ্যে অন্যতম লাগামহীন মূল্যস্ফীতি। দেশের প্রায় ২০% জনগোষ্ঠী মধ্যবিত্ত, যা প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষ। মধ্যবিত্ত শ্রেণি দেশের ভোগ চাহিদা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি। কিন্তু এখন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ক্রয় ক্ষমতা তাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। চাল, ডাল, তেল, সবজি, ডিম থেকে শুরু করে বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ, গ্যাস, যাতায়াত, চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যয়- সবকিছুই মধ্যবিত্ত লোকজনের সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন দিনমজুর, রিকশা চালক, হকার, কৃষক ও স্বল্প বেতনের বেসরকারি-চাকরিজীবী লোকজন।

মূল্যস্ফীতির পেছনে কয়েকটি কারণকে দায়ী করা যায়- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, ডলার সংকট, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া, বাজার সিন্ডিকেট ও প্রশাসনের যথাযথ তদারকির অভাব। এছাড়াও ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণেও মূল্যস্ফীতি দেখা দিচ্ছে।

দুঃখজনক হলো, সরকার নির্ধারিত দামের সাথে খুচরা বাজারের দামের কোন মিল নেই। খুচরা বিক্রেতারা সিন্ডিকেট তৈরি করে নিজেরা দাম নির্ধারণ করে পণ্য বিক্রি করছেন। কোন পণ্যের সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিলে দাম বেড়ে যায়। কিন্তু পরে সেই পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও দাম আর কমে না। বিধায় নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষজন বিভিন্নভাবে চাপের মুখে পড়ছেন। মাঝেমধ্যে ভোক্তা অধিকার থেকে অভিযানে নামলেও এর স্থায়ী কোন সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। মূল্যস্ফীতি সমস্যাটি যদি নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তাহলে মধ্যবিত্ত শ্রেণি হতাশ হয়ে পড়বেন এবং একদিন এটি উচ্চকন্ঠ ক্ষোভে রূপ নিবে। তাই রাষ্ট্রের কাছে একটাই দাবি জানাচ্ছি, সমস্যাটি সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিন।

লোটাস জাহাঙ্গীর

শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

পর্যটন শহরগুলো কেন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে

বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি: শহরের মানুষের নীরব আর্তনাদ

গণযোগাযোগ কোর্সে অপর্যাপ্ত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ

নদীকেন্দ্রিক পর্যটন: সম্ভাবনার অপমৃত্যু ও আমাদের দায়

অনুমতি উঠে গেল, বিবেক কি ছুটিতে?

খেজুর রসে স্বাস্থ্যঝুঁকি

তাড়াইলের হাওরে বক শিকার: পরিবেশের জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পানির তীব্র সংকট

কারাকাসে মার্কিন হামলার মূল লক্ষ্য কী?

শীতের তীব্রতায় মানবিকতার আলো জ্বালাই

আইনশৃঙ্খলার অবনতি: কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

চাকরির বিজ্ঞাপন আছে, চাকরি নেই

উন্নয়নের গল্পের আড়ালে শ্রমিকের বেদনা

ফুটপাথের উন্মুক্ত টয়লেট: নগর জীবনের অস্বস্তি

ধূমপান সংক্রান্ত নতুন অধ্যাদেশ কি আলোর মুখ দেখবে?

কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সংকট

ক্যাম্পাস বাসে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য: শিক্ষার্থীদের নিত্য বিড়ম্বনা

তামাক: রাজস্বের মোহে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি

স্কুলে নির্যাতন: আদর্শের আড়ালে বাস্তবতা

টেলিটকে ওয়াইফাই কলিং: সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সম্ভাবনা

tab

মতামত » চিঠিপত্র

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বর্তমানে বাংলাদেশে গভীর সংকট গুলোর মধ্যে অন্যতম লাগামহীন মূল্যস্ফীতি। দেশের প্রায় ২০% জনগোষ্ঠী মধ্যবিত্ত, যা প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষ। মধ্যবিত্ত শ্রেণি দেশের ভোগ চাহিদা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি। কিন্তু এখন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ক্রয় ক্ষমতা তাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। চাল, ডাল, তেল, সবজি, ডিম থেকে শুরু করে বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ, গ্যাস, যাতায়াত, চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যয়- সবকিছুই মধ্যবিত্ত লোকজনের সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন দিনমজুর, রিকশা চালক, হকার, কৃষক ও স্বল্প বেতনের বেসরকারি-চাকরিজীবী লোকজন।

মূল্যস্ফীতির পেছনে কয়েকটি কারণকে দায়ী করা যায়- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, ডলার সংকট, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া, বাজার সিন্ডিকেট ও প্রশাসনের যথাযথ তদারকির অভাব। এছাড়াও ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণেও মূল্যস্ফীতি দেখা দিচ্ছে।

দুঃখজনক হলো, সরকার নির্ধারিত দামের সাথে খুচরা বাজারের দামের কোন মিল নেই। খুচরা বিক্রেতারা সিন্ডিকেট তৈরি করে নিজেরা দাম নির্ধারণ করে পণ্য বিক্রি করছেন। কোন পণ্যের সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিলে দাম বেড়ে যায়। কিন্তু পরে সেই পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও দাম আর কমে না। বিধায় নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষজন বিভিন্নভাবে চাপের মুখে পড়ছেন। মাঝেমধ্যে ভোক্তা অধিকার থেকে অভিযানে নামলেও এর স্থায়ী কোন সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। মূল্যস্ফীতি সমস্যাটি যদি নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তাহলে মধ্যবিত্ত শ্রেণি হতাশ হয়ে পড়বেন এবং একদিন এটি উচ্চকন্ঠ ক্ষোভে রূপ নিবে। তাই রাষ্ট্রের কাছে একটাই দাবি জানাচ্ছি, সমস্যাটি সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিন।

লোটাস জাহাঙ্গীর

শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

back to top