মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
আমরা বর্তমানে অবস্থান করছি এমন এক পৃথিবীতে যেখানে প্রতিটি দেশ তৈরি হচ্ছে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে । যেখানে অস্ত্র কথা বলবে দেশের হয়ে । এক দেশের মানুষ ছুঁড়বে আরেক দেশের মানুষের বুকে । অথচ আমরা উভয়ই এই পৃথিবীর মানুষ ।
রাশিয়া- ইউক্রেনে যুদ্ধ চলমান, থামেনি ইসরায়েল- গাঁজা যুদ্ধ, ইরান- ইসরায়েলে কাটেনি যুদ্ধের রেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিচ্ছে ডেনমার্কের গ্রীনল্যান্ড দখলের, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতিকে তুলে এনেছে, ভারত- বাংলাদেশে চলছে সহিংসতা । প্রতিটি দেশ ঝুঁকে পড়ছে সামরিক অস্ত্র বাড়াতে । সব দেশের একটাই লক্ষ্য নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা । অন্য দেশকে নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখিয়ে ঠেসে রাখা । তৈরি হচ্ছে নতুন জোট,যুদ্ধে নিজেদের হয়ে কাজ করার ।
কিন্তু পৃথিবীর এই যুদ্ধকে থামানোর জন্য নেই তেমন কোন প্রস্তুতি । জাতিসংঘ যেন এ যুদ্ধের নিরব দর্শক । বড় বড় দেশগুলো এ সুযোগে বেঁচে নিচ্ছে যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির বানিজ্য । তবে চারদিকে যুদ্ধের দামামায় ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি এই পৃথিবী নিরাপদ ? নিজের শক্তির প্রতিযোগিতায় আমরা ভুলে গেছি সুকান্ত ভট্টাচার্যের অমর বানী ‘আমি এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব’ । আমরা কি আসলেই ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য একটা নিরাপদ পৃথিবী রেখে যাচ্ছি ? বাবা-মা’রা কি সত্যিই চাইবে এমন এক পৃথিবীতে তাঁদের সন্তান রেখে যেতে যেখানে ঘুম ভাঙে মিসাইলের শব্দে, যেখানে আকাশের চাঁদ দেখাতে যাওয়া মাকে দেখতে হয় যুদ্ধ বিমানের হুইসেল । তবে কি আমাদের উচিত নয় এগিয়ে আসার! প্রয়োজন নেই পৃথিবীবাসীকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের বানী শোনানোর, ‘আমি এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব।
মিজানুর রহমান
শিক্ষার্থী
মার্কেটিং বিভাগ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আমরা বর্তমানে অবস্থান করছি এমন এক পৃথিবীতে যেখানে প্রতিটি দেশ তৈরি হচ্ছে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে । যেখানে অস্ত্র কথা বলবে দেশের হয়ে । এক দেশের মানুষ ছুঁড়বে আরেক দেশের মানুষের বুকে । অথচ আমরা উভয়ই এই পৃথিবীর মানুষ ।
রাশিয়া- ইউক্রেনে যুদ্ধ চলমান, থামেনি ইসরায়েল- গাঁজা যুদ্ধ, ইরান- ইসরায়েলে কাটেনি যুদ্ধের রেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিচ্ছে ডেনমার্কের গ্রীনল্যান্ড দখলের, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতিকে তুলে এনেছে, ভারত- বাংলাদেশে চলছে সহিংসতা । প্রতিটি দেশ ঝুঁকে পড়ছে সামরিক অস্ত্র বাড়াতে । সব দেশের একটাই লক্ষ্য নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা । অন্য দেশকে নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখিয়ে ঠেসে রাখা । তৈরি হচ্ছে নতুন জোট,যুদ্ধে নিজেদের হয়ে কাজ করার ।
কিন্তু পৃথিবীর এই যুদ্ধকে থামানোর জন্য নেই তেমন কোন প্রস্তুতি । জাতিসংঘ যেন এ যুদ্ধের নিরব দর্শক । বড় বড় দেশগুলো এ সুযোগে বেঁচে নিচ্ছে যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির বানিজ্য । তবে চারদিকে যুদ্ধের দামামায় ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি এই পৃথিবী নিরাপদ ? নিজের শক্তির প্রতিযোগিতায় আমরা ভুলে গেছি সুকান্ত ভট্টাচার্যের অমর বানী ‘আমি এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব’ । আমরা কি আসলেই ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য একটা নিরাপদ পৃথিবী রেখে যাচ্ছি ? বাবা-মা’রা কি সত্যিই চাইবে এমন এক পৃথিবীতে তাঁদের সন্তান রেখে যেতে যেখানে ঘুম ভাঙে মিসাইলের শব্দে, যেখানে আকাশের চাঁদ দেখাতে যাওয়া মাকে দেখতে হয় যুদ্ধ বিমানের হুইসেল । তবে কি আমাদের উচিত নয় এগিয়ে আসার! প্রয়োজন নেই পৃথিবীবাসীকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের বানী শোনানোর, ‘আমি এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব।
মিজানুর রহমান
শিক্ষার্থী
মার্কেটিং বিভাগ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়