alt

মতামত » চিঠিপত্র

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

: সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

একসময় কীর্তনখোলা নদীর তীরে বিকেলের বাতাসে শান্তি খুঁজতো মানুষ।আজ সেই বরিশালের বুকে বয়ে চলা নদী আজ মৃতপ্রায়-দূষণের ভারে নুয়ে পড়েছে। বরিশাল মানুষের কাছে এই নদী ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।মানুষ নদী সচেতনভাবে কীর্তনখোলা নদীকে ব্যবহার না করে।তবে শত শত বছর ধরে চলে আসা নদী অচিরেই বুড়িগঙ্গার ন্যায় রূপ নেবে।নদীতে বর্জ্য ও প্লাস্টিক নিক্ষেপ অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন,নগর এলাকার ড্রেনের ময়লা ও শিল্পকারখানার বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে।তাছাড়া নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা তার নাব্যতা নষ্ট করছে প্রতিনিয়ত।স্থানীয়দের অভিযোগ -নদী রক্ষায় প্রশাসনের কিছু উদ্যোগ থাকলেও তা স্থায়ী সমাধান আনতে পারেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র প্রশাসনিক নয়,নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ ছাড়া নদী বাঁচানো সম্ভব নয়।কারণ নদী কেবল একটি জলধারা নয়- এটি একটি শহরের সংস্কৃতি,ঐতিহ্য ও জীবনের প্রতিচ্ছবি।

কীর্তনখোলা নদীকে বাঁচানো মানে বরিশালের অতীত,বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রক্ষা করা।আমরা যদি নদীকে রক্ষা করতে না পারি।তবে এ গল্পের কাহিনীর সমাপ্তি নিশ্চিত।

ওরাইনা খাঁন চৌধুরী

শিক্ষার্থী

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

পর্যটন শহরগুলো কেন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে

বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি: শহরের মানুষের নীরব আর্তনাদ

গণযোগাযোগ কোর্সে অপর্যাপ্ত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ

নদীকেন্দ্রিক পর্যটন: সম্ভাবনার অপমৃত্যু ও আমাদের দায়

অনুমতি উঠে গেল, বিবেক কি ছুটিতে?

খেজুর রসে স্বাস্থ্যঝুঁকি

তাড়াইলের হাওরে বক শিকার: পরিবেশের জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পানির তীব্র সংকট

কারাকাসে মার্কিন হামলার মূল লক্ষ্য কী?

শীতের তীব্রতায় মানবিকতার আলো জ্বালাই

আইনশৃঙ্খলার অবনতি: কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

চাকরির বিজ্ঞাপন আছে, চাকরি নেই

tab

মতামত » চিঠিপত্র

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একসময় কীর্তনখোলা নদীর তীরে বিকেলের বাতাসে শান্তি খুঁজতো মানুষ।আজ সেই বরিশালের বুকে বয়ে চলা নদী আজ মৃতপ্রায়-দূষণের ভারে নুয়ে পড়েছে। বরিশাল মানুষের কাছে এই নদী ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।মানুষ নদী সচেতনভাবে কীর্তনখোলা নদীকে ব্যবহার না করে।তবে শত শত বছর ধরে চলে আসা নদী অচিরেই বুড়িগঙ্গার ন্যায় রূপ নেবে।নদীতে বর্জ্য ও প্লাস্টিক নিক্ষেপ অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন,নগর এলাকার ড্রেনের ময়লা ও শিল্পকারখানার বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে।তাছাড়া নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা তার নাব্যতা নষ্ট করছে প্রতিনিয়ত।স্থানীয়দের অভিযোগ -নদী রক্ষায় প্রশাসনের কিছু উদ্যোগ থাকলেও তা স্থায়ী সমাধান আনতে পারেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র প্রশাসনিক নয়,নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ ছাড়া নদী বাঁচানো সম্ভব নয়।কারণ নদী কেবল একটি জলধারা নয়- এটি একটি শহরের সংস্কৃতি,ঐতিহ্য ও জীবনের প্রতিচ্ছবি।

কীর্তনখোলা নদীকে বাঁচানো মানে বরিশালের অতীত,বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রক্ষা করা।আমরা যদি নদীকে রক্ষা করতে না পারি।তবে এ গল্পের কাহিনীর সমাপ্তি নিশ্চিত।

ওরাইনা খাঁন চৌধুরী

শিক্ষার্থী

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

back to top