alt

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : শনিবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৩

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

অবসরের পর অনেকেই পেনশন বিক্রি করেছিলেন ভুল বুঝে। তাদের অর্থকষ্ট দেখে প্রধানমন্ত্রী আবার পেনশন চালু করেছেন। যাদের অবসরে যাওয়ার বয়স ১৫ বছর পার হয়েছে তারা এই সুযোগ পাবেন। কিন্তু প্রশ্ন জাগে অবসরের পর কতজন ১৫ বছর বেঁচে থাকেন। তার মানে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স হতে হবে ৭২ বছর। যারা ৫৭ বছরে অবসর নিয়েছেন।

যদিও পরে ৫৯ বছর অবসরের বয়স নির্ধারণ করা হয়। ৭০ বছর বয়স হওয়ার আগেই অধিকাংশ ব্যক্তি পরপারে চলে যান বা চলে গেছেন। এখনও যে কয়েকজন বেঁচে আছেন বা যাদের অবসরের বয়সসীমা ১৫ বছর হয়নি তারা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। কারো কাছে হাত পাততে পারে না তারা। একটু ভুলের জন্য সারাজীবন চাকরি করে তাদের জীবনটা হয়ে গেছে আজ অবহেলিত এবং তাদের জীবন এলোমেলো।

সদাশয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, আবার যদি অবসরপ্রাপ্ত পেনশন বিক্রিত ব্যক্তিদের সময়সীমা কমিয়ে ১৫ বছরের পরিবর্তে ১০ বছরের পর আপবার পেনশন চালু করেন তবে তারা বাকি জীবনটা কিছুটা শান্তিতে কাটাতে পারবেন। আপনার কৃপায় এই দুর্মূল্যের বাজারে ডাল-ভাত খেয়ে বাঁচতে পারবে তারা। তাদের অসহায়ত্বের কথা না বলাই ভালো। এই অসহায় মানুষের দোয়া, আশীর্বাদ আপনার পাথেয় হিসেবে থাকবে।

প্রকাশ থাকে যে এজন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদে এই বোঝা বহন করতে হবে না। ভুক্তভোগী যতদিন বেঁচে আছেন ততদিনই পেনশন চলছে প্রচলিত নিয়মে।

প্রতাপ চন্দ্র সরকার

৮৮/সি,কে, ঘোষ

রোড, ময়মনসিংহ।

দূরদর্শী সিদ্ধান্তে রক্ষা পেতে পারে শিক্ষাব্যবস্থা

সামাজিক আন্দোলন: প্রতিবাদ নাকি ট্রেন্ড?

নগর সভ্যতায় নিঃসঙ্গতার মহামারি

আবাসন সংকট

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হোক কর্মসংস্থান

জেন্ডার-নিরপেক্ষ ন্যায়বিচার দরকার

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

tab

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠি : প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শনিবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৩

অবসরের পর অনেকেই পেনশন বিক্রি করেছিলেন ভুল বুঝে। তাদের অর্থকষ্ট দেখে প্রধানমন্ত্রী আবার পেনশন চালু করেছেন। যাদের অবসরে যাওয়ার বয়স ১৫ বছর পার হয়েছে তারা এই সুযোগ পাবেন। কিন্তু প্রশ্ন জাগে অবসরের পর কতজন ১৫ বছর বেঁচে থাকেন। তার মানে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স হতে হবে ৭২ বছর। যারা ৫৭ বছরে অবসর নিয়েছেন।

যদিও পরে ৫৯ বছর অবসরের বয়স নির্ধারণ করা হয়। ৭০ বছর বয়স হওয়ার আগেই অধিকাংশ ব্যক্তি পরপারে চলে যান বা চলে গেছেন। এখনও যে কয়েকজন বেঁচে আছেন বা যাদের অবসরের বয়সসীমা ১৫ বছর হয়নি তারা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। কারো কাছে হাত পাততে পারে না তারা। একটু ভুলের জন্য সারাজীবন চাকরি করে তাদের জীবনটা হয়ে গেছে আজ অবহেলিত এবং তাদের জীবন এলোমেলো।

সদাশয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, আবার যদি অবসরপ্রাপ্ত পেনশন বিক্রিত ব্যক্তিদের সময়সীমা কমিয়ে ১৫ বছরের পরিবর্তে ১০ বছরের পর আপবার পেনশন চালু করেন তবে তারা বাকি জীবনটা কিছুটা শান্তিতে কাটাতে পারবেন। আপনার কৃপায় এই দুর্মূল্যের বাজারে ডাল-ভাত খেয়ে বাঁচতে পারবে তারা। তাদের অসহায়ত্বের কথা না বলাই ভালো। এই অসহায় মানুষের দোয়া, আশীর্বাদ আপনার পাথেয় হিসেবে থাকবে।

প্রকাশ থাকে যে এজন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদে এই বোঝা বহন করতে হবে না। ভুক্তভোগী যতদিন বেঁচে আছেন ততদিনই পেনশন চলছে প্রচলিত নিয়মে।

প্রতাপ চন্দ্র সরকার

৮৮/সি,কে, ঘোষ

রোড, ময়মনসিংহ।

back to top