alt

মতামত » চিঠিপত্র

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের আগে, পেছনে এবং পাশে সর্বত্র যে লোকগুলো দাঁড়িয়ে থাকে, তাদের দিকে তাকালে দেখা যায় যে প্রায় সবাই নেতার সম্মানকে চুষে খাওয়ার জন্য প্রস্তুত একটি দল। বক্তৃতার সময়ও তাকে ঘিরে ধরে সেলফি তোলার দৃষ্টান্ত অনেক আছে, আছে পেছনে দাঁড়িয়ে ঘনিষ্ঠজন পরিচয় দেয়ার মতো হীনমন্য মানুষ। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা কি এটাই পছন্দ করেন? এ কারণেই কি সঠিক ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হয়? বিচার সালিশ ছাড়া রাজনৈতিক ব্যক্তিরা মানুষের কতগুলো সমস্যার কথা জানেন এখন কি আর সময় আছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবকিছু দেখার একজন এমপি যিনি পুরো আসনের সবকিছু দেখার কথা, তিনি কার মাধ্যমে এটি দেখবেন নিশ্চয়ই চেয়ারম্যান, মেম্বার, স্থানীয় প্রশাসন, জনগণ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মতো আরও স্টেকহোল্ডারের মাধ্যমে। যারা পেছনে সবসময় ঘুরঘুর করে, তারা কর্মীর দোহাই দিয়েই ঘুরঘুর করে। কর্মী লাগবেই, এটা ভালো দিকও। কিন্তু এটা কখন খারাপ হয়ে যায়, সেটাও আমরা জানি। তারপরও নেতার পেছনে থাকতেই হবে। এটা পুরোপুরি ক্ষমতা সৃষ্টির জন্য, অন্যের কাছে নিজেকে ক্ষমতাবান ভাবানোর উদ্দেশ্যে করা হয়।

এই চর্চা থেকে না বের হলে সবগুলো সূচকে জনসাধারণের উন্নয়ন সম্ভব নয়। রাজনীতি মানে যদি শুধু পরিচালনার প্রতিশব্দ হিসেবে নিয়ে থাকেন, তবে বাইরে থেকে যাবে অনেকগুলো অর্থ। রাজনীতি কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার ভিত্তিতে গঠিত সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে গঠিত। উইলিয়াম কেরি তার বাংলা অভিধানে রাজনীতি শব্দের অর্থ করেছেন রাজন্য + নীতি অর্থাৎ রাজার ন্যায়বিচার। ন্যায়বিচার, পরিচালনা, অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিশেষে যদি বলি বিজ্ঞান, তখন কিছুটা পরিপূর্ণ হতে পারে। বর্তমান সময়ে এসে বিজ্ঞানের যুগে শুধু ডিজিটালিকরণ, আকাশ বিজ্ঞান, আকাশীয় চিন্তা, পরমাণু ও শক্তির ব্যবহারকে বিজ্ঞানের আওতায় নিলেও গবেষণা এবং পরিবেশ বিষয়টি একেবারে ফেলনা বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে এশিয়া প্যাসিফিকের কয়েকটি দেশ বাদে সব দেশের রাজনৈতিক চর্চার ক্ষেত্রে এখনও সুস্থিত কোনো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেখা যায় না। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে রাজনৈতিক চর্চার জায়গায় আরও অনেক কাজ করার আছে। সবগুলো কাজের মধ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ যে রাজনীতি যারা করেন, তারা কাদেরকে তাদের সঙ্গী করবেন

যখন অনেক ধরনের জ্ঞানকে একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়, সুতরাং যারা রাজনীতি করবেন, ভবিষ্যৎ সুন্দর পরিকল্পনার জন্য শিক্ষিত, স্মার্ট, ডায়নামিক এবং যারা সহজে মানুষকে বুঝে পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন, তাদের সঙ্গী করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তি, পরিবেশ বিষয়ক অবস্থান ও কৌশল। এখন এগুলো নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। জনসভায় যাচ্ছেন, তখন আপনার ভাবমূর্তি আপনাকেই পরিবর্তন করতে হবে। এগুলো সময়ের চাওয়া। সামনের নির্বাচনে কি এ ধরনের প্রার্থী আমরা দেখবো, যারা এখনই বোঝাবেন যে তারা বাংলাদেশকে আধুনিক সূচকে মানসম্মত একটি জায়গায় নিতে পারবেন আমরা এমন চিত্র দেখবো যে যারা নীতিভ্রষ্ট, শুধু স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করে এবং মানুষকে দূরে ঠেলে দিয়ে নেতার পাশে ছবি তোলার জন্যই আকুল হয়, তাদের বাইরে রেখে প্রার্থীরা জনসাধারণকে নিয়ে ভাববে কাজটি চ্যালেঞ্জিং তবে অসম্ভব নয়।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

পর্যটন শহরগুলো কেন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে

tab

মতামত » চিঠিপত্র

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের আগে, পেছনে এবং পাশে সর্বত্র যে লোকগুলো দাঁড়িয়ে থাকে, তাদের দিকে তাকালে দেখা যায় যে প্রায় সবাই নেতার সম্মানকে চুষে খাওয়ার জন্য প্রস্তুত একটি দল। বক্তৃতার সময়ও তাকে ঘিরে ধরে সেলফি তোলার দৃষ্টান্ত অনেক আছে, আছে পেছনে দাঁড়িয়ে ঘনিষ্ঠজন পরিচয় দেয়ার মতো হীনমন্য মানুষ। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা কি এটাই পছন্দ করেন? এ কারণেই কি সঠিক ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হয়? বিচার সালিশ ছাড়া রাজনৈতিক ব্যক্তিরা মানুষের কতগুলো সমস্যার কথা জানেন এখন কি আর সময় আছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবকিছু দেখার একজন এমপি যিনি পুরো আসনের সবকিছু দেখার কথা, তিনি কার মাধ্যমে এটি দেখবেন নিশ্চয়ই চেয়ারম্যান, মেম্বার, স্থানীয় প্রশাসন, জনগণ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মতো আরও স্টেকহোল্ডারের মাধ্যমে। যারা পেছনে সবসময় ঘুরঘুর করে, তারা কর্মীর দোহাই দিয়েই ঘুরঘুর করে। কর্মী লাগবেই, এটা ভালো দিকও। কিন্তু এটা কখন খারাপ হয়ে যায়, সেটাও আমরা জানি। তারপরও নেতার পেছনে থাকতেই হবে। এটা পুরোপুরি ক্ষমতা সৃষ্টির জন্য, অন্যের কাছে নিজেকে ক্ষমতাবান ভাবানোর উদ্দেশ্যে করা হয়।

এই চর্চা থেকে না বের হলে সবগুলো সূচকে জনসাধারণের উন্নয়ন সম্ভব নয়। রাজনীতি মানে যদি শুধু পরিচালনার প্রতিশব্দ হিসেবে নিয়ে থাকেন, তবে বাইরে থেকে যাবে অনেকগুলো অর্থ। রাজনীতি কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার ভিত্তিতে গঠিত সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে গঠিত। উইলিয়াম কেরি তার বাংলা অভিধানে রাজনীতি শব্দের অর্থ করেছেন রাজন্য + নীতি অর্থাৎ রাজার ন্যায়বিচার। ন্যায়বিচার, পরিচালনা, অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিশেষে যদি বলি বিজ্ঞান, তখন কিছুটা পরিপূর্ণ হতে পারে। বর্তমান সময়ে এসে বিজ্ঞানের যুগে শুধু ডিজিটালিকরণ, আকাশ বিজ্ঞান, আকাশীয় চিন্তা, পরমাণু ও শক্তির ব্যবহারকে বিজ্ঞানের আওতায় নিলেও গবেষণা এবং পরিবেশ বিষয়টি একেবারে ফেলনা বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে এশিয়া প্যাসিফিকের কয়েকটি দেশ বাদে সব দেশের রাজনৈতিক চর্চার ক্ষেত্রে এখনও সুস্থিত কোনো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেখা যায় না। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে রাজনৈতিক চর্চার জায়গায় আরও অনেক কাজ করার আছে। সবগুলো কাজের মধ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ যে রাজনীতি যারা করেন, তারা কাদেরকে তাদের সঙ্গী করবেন

যখন অনেক ধরনের জ্ঞানকে একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়, সুতরাং যারা রাজনীতি করবেন, ভবিষ্যৎ সুন্দর পরিকল্পনার জন্য শিক্ষিত, স্মার্ট, ডায়নামিক এবং যারা সহজে মানুষকে বুঝে পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন, তাদের সঙ্গী করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তি, পরিবেশ বিষয়ক অবস্থান ও কৌশল। এখন এগুলো নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। জনসভায় যাচ্ছেন, তখন আপনার ভাবমূর্তি আপনাকেই পরিবর্তন করতে হবে। এগুলো সময়ের চাওয়া। সামনের নির্বাচনে কি এ ধরনের প্রার্থী আমরা দেখবো, যারা এখনই বোঝাবেন যে তারা বাংলাদেশকে আধুনিক সূচকে মানসম্মত একটি জায়গায় নিতে পারবেন আমরা এমন চিত্র দেখবো যে যারা নীতিভ্রষ্ট, শুধু স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করে এবং মানুষকে দূরে ঠেলে দিয়ে নেতার পাশে ছবি তোলার জন্যই আকুল হয়, তাদের বাইরে রেখে প্রার্থীরা জনসাধারণকে নিয়ে ভাববে কাজটি চ্যালেঞ্জিং তবে অসম্ভব নয়।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর

back to top