alt

মতামত » চিঠিপত্র

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

: রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

প্রাসঙ্গিক কথা সভ্যতা এগিয়েছে, প্রযুক্তি বদলেছে পৃথিবী,আর আমরা প্রবেশ করেছি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে। খাতা-কলমে নারী ও পুরুষের সমানাধিকারের কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্রটি অনেকটা ‘পুরানো মদ নতুন বোতলে’র মতো। আগেকার দিনের বৈষম্য ছিল প্রকাশ্য যেমন শিক্ষা বা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা। কিন্তু আজকের বৈষম্য অনেক বেশি সূক্ষ্ম,ডিজিটাল এবং মনস্তাত্ত্বিক। একে বলা হচ্ছে ‘অদৃশ্য দেয়াল’ বা ‘গ্লাস সিলিং’,যা খালি চোখে দেখা না গেলেও নারীর অগ্রগতিকে পদে পদে বাধাগ্রস্ত ।নারী পুরুষ বৈষম্য আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় নতুন কোনো বিষয় না। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা এই বৈষম্যের দিকটার প্রমাণ গভীর ভাবে দেখে এসেছি,জেনে এসেছি।আমরা বর্তমান আধুনিক যুগে দাড়িয়ে যতই নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে গলা উঁচিয়ে কথা বলিনা কেন;আদৌ নারীর অধিকার পুরোপুরি ভাবে উদ্ধার হয়নি বা নারীর অধিকার দেয়া হচ্ছে না।প্রথাগত বৈষম্য যেমন শিক্ষা,কর্মসংস্থান বা ভোটাধিকার সীমিত করা এখন সরাসরি চোখে পড়ে না।বরং বৈষম্যটি ধীরে ধীরে সমাজের নানা ক্ষেত্রে লুকিয়ে আছে,যা নারী ও পুরুষের সমানাধিকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ।

আজকের সমাজে নারী পুরুষ বৈষম্য প্রায়শই সামাজিক প্রত্যাশার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।যেমন নারীর শারীরিক চেহারা,পোশাক আচরণ নিয়ে অযথা সমালোচনা।নারীকে প্রায়ই ‘পরিবারের জন্য সময় দেয়া’ বা ‘শান্ত স্বভাবের’ হওয়ার চাপ দেয়া হয়। বিপরীতক্রমে পুরুষকে ‘অগ্রণী’,’আক্রমণাত্মক’,’আর্থিকভাবে সক্ষম ‘হতে বলা হয়।এই সামাজিক নিয়মগুলো নারীর স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত বিকাশের পথকে সীমিত করে।

নারীদের দমানোর নতুন হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।চরিত্র হনন,ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি তৈরি বা অনলাইনে ট্রলিং এর মাধ্যমে নারীদের কন্ঠস্বর রোধ করার চেষ্টা করা হয়। এর ফলে অনেক মেধাবী নারী জনপরিসরে নিজেদের মতপ্রকাশে দ্বিধাবোধ করেন,যা এক ধরনের আধুনিক সেন্সরশিপ।অনলাইন শিক্ষা বা জবের ক্ষেত্রে বৈষম্যও লক্ষ্য করা যায়। প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নারীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলেও,নেতৃত্বের পদে তাদের অংশগ্রহণ এখনো কম।

রাজনীতির ক্ষেত্রে যদি নারীদের কথায় আসা হয় তবে বলতে হয় যে,নারীদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছ তবে প্রকৃত ক্ষমতা বিতরণ এখনো অসম । অনেক ক্ষেত্রেই নারী নেতা থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পুরুষদের প্রভাব বেশি। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়লেও সামাজিক বাধা ও নিরাপত্তা সমস্যা তাদের কার্যকর ভূমিকা সীমিত করে।

পরিবারের ভিতরে প্রায়শই বৈষম্য অদৃশ্য থাকে। বাড়ির কাজ,সন্তান পালন এবং অভ্যন্তরীণ দায়িত্ব মূলত নারীর ওপর চাপানো হয়। যদিও নারী শিক্ষিত এবং চাকরিতে নিয়োজিত কিন্তু ঘরোয়া কাজের বোঝা কম হয়না। পুরুষের ক্ষেত্রে এধরনের চাপ নাই বলতে গেলে। যা স্বাভাবিকভাবেই বৈষম্যের একটি নতুন রূপ।নারী পুরুষ বৈষম্যের আরেকটি নতুন রূপ স্বাস্থ্যসেবায় দেখা যায়। প্রায়শই নারীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য ও সেবা সীমিত থাকে। গর্ভধারণ ও মাতৃত্বকালীন সেবা উন্নত হলেও মানসিক স্বাস্থ্য,যৌন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে নারী এখনো সুযোগ পান না। নিরাপত্তার অভাব ও যৌন হিংসার ঝুঁকি নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে।

এই নতুন রূপের বৈষম্যের মূল কারণ হলো সাংস্কৃতিক স্টেরিওটাইপ,সামাজিক প্রত্যাশা ও নীতি নিয়ন্ত্রণের অমিল। নারীর স্বনির্ভরতা ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় তাদের মানসিক চাপ,আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং কর্মক্ষমতা সীমিত হয়।এছাড়া অর্থনৈতিক অগ্রগতিও ব্যঘাত ঘটে।

নারী পুরুষের বৈষম্য যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কখনো প্রকাশ্য প্রকট রূপে দেখা যেত আবার কখনও গোপনে,সূক্ষ্মভাবে সমাজের প্রত্যেকটা সেক্টরে ।নারীর ক্ষমতায়নের যুগে এসেও বৈষম্য যেন আমাদেরই পিছিয়ে থাকার এক বার্তা।

নারী-পুরুষ বৈষম্য এখন আর কেবল ঘরে আটকে রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি ছড়িয়ে পড়েছে সাইবার স্পেস থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগত পর্যন্ত। আমরা যদি একটি প্রকৃত উন্নত পৃথিবী গড়তে চাই, তবে এই আধুনিক বৈষম্যের শেকলগুলো আগে ভাঙতে হবে। উন্নয়ন তখনই সার্থক হবে যখন সমাজ নারীকে তার লিঙ্গ দিয়ে নয়,বরং মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে বিচার করবে।

তানিয়া আক্তার

গণিত বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

tab

মতামত » চিঠিপত্র

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রাসঙ্গিক কথা সভ্যতা এগিয়েছে, প্রযুক্তি বদলেছে পৃথিবী,আর আমরা প্রবেশ করেছি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে। খাতা-কলমে নারী ও পুরুষের সমানাধিকারের কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্রটি অনেকটা ‘পুরানো মদ নতুন বোতলে’র মতো। আগেকার দিনের বৈষম্য ছিল প্রকাশ্য যেমন শিক্ষা বা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা। কিন্তু আজকের বৈষম্য অনেক বেশি সূক্ষ্ম,ডিজিটাল এবং মনস্তাত্ত্বিক। একে বলা হচ্ছে ‘অদৃশ্য দেয়াল’ বা ‘গ্লাস সিলিং’,যা খালি চোখে দেখা না গেলেও নারীর অগ্রগতিকে পদে পদে বাধাগ্রস্ত ।নারী পুরুষ বৈষম্য আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় নতুন কোনো বিষয় না। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা এই বৈষম্যের দিকটার প্রমাণ গভীর ভাবে দেখে এসেছি,জেনে এসেছি।আমরা বর্তমান আধুনিক যুগে দাড়িয়ে যতই নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে গলা উঁচিয়ে কথা বলিনা কেন;আদৌ নারীর অধিকার পুরোপুরি ভাবে উদ্ধার হয়নি বা নারীর অধিকার দেয়া হচ্ছে না।প্রথাগত বৈষম্য যেমন শিক্ষা,কর্মসংস্থান বা ভোটাধিকার সীমিত করা এখন সরাসরি চোখে পড়ে না।বরং বৈষম্যটি ধীরে ধীরে সমাজের নানা ক্ষেত্রে লুকিয়ে আছে,যা নারী ও পুরুষের সমানাধিকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ।

আজকের সমাজে নারী পুরুষ বৈষম্য প্রায়শই সামাজিক প্রত্যাশার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।যেমন নারীর শারীরিক চেহারা,পোশাক আচরণ নিয়ে অযথা সমালোচনা।নারীকে প্রায়ই ‘পরিবারের জন্য সময় দেয়া’ বা ‘শান্ত স্বভাবের’ হওয়ার চাপ দেয়া হয়। বিপরীতক্রমে পুরুষকে ‘অগ্রণী’,’আক্রমণাত্মক’,’আর্থিকভাবে সক্ষম ‘হতে বলা হয়।এই সামাজিক নিয়মগুলো নারীর স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত বিকাশের পথকে সীমিত করে।

নারীদের দমানোর নতুন হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।চরিত্র হনন,ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি তৈরি বা অনলাইনে ট্রলিং এর মাধ্যমে নারীদের কন্ঠস্বর রোধ করার চেষ্টা করা হয়। এর ফলে অনেক মেধাবী নারী জনপরিসরে নিজেদের মতপ্রকাশে দ্বিধাবোধ করেন,যা এক ধরনের আধুনিক সেন্সরশিপ।অনলাইন শিক্ষা বা জবের ক্ষেত্রে বৈষম্যও লক্ষ্য করা যায়। প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নারীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলেও,নেতৃত্বের পদে তাদের অংশগ্রহণ এখনো কম।

রাজনীতির ক্ষেত্রে যদি নারীদের কথায় আসা হয় তবে বলতে হয় যে,নারীদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছ তবে প্রকৃত ক্ষমতা বিতরণ এখনো অসম । অনেক ক্ষেত্রেই নারী নেতা থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পুরুষদের প্রভাব বেশি। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়লেও সামাজিক বাধা ও নিরাপত্তা সমস্যা তাদের কার্যকর ভূমিকা সীমিত করে।

পরিবারের ভিতরে প্রায়শই বৈষম্য অদৃশ্য থাকে। বাড়ির কাজ,সন্তান পালন এবং অভ্যন্তরীণ দায়িত্ব মূলত নারীর ওপর চাপানো হয়। যদিও নারী শিক্ষিত এবং চাকরিতে নিয়োজিত কিন্তু ঘরোয়া কাজের বোঝা কম হয়না। পুরুষের ক্ষেত্রে এধরনের চাপ নাই বলতে গেলে। যা স্বাভাবিকভাবেই বৈষম্যের একটি নতুন রূপ।নারী পুরুষ বৈষম্যের আরেকটি নতুন রূপ স্বাস্থ্যসেবায় দেখা যায়। প্রায়শই নারীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য ও সেবা সীমিত থাকে। গর্ভধারণ ও মাতৃত্বকালীন সেবা উন্নত হলেও মানসিক স্বাস্থ্য,যৌন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে নারী এখনো সুযোগ পান না। নিরাপত্তার অভাব ও যৌন হিংসার ঝুঁকি নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে।

এই নতুন রূপের বৈষম্যের মূল কারণ হলো সাংস্কৃতিক স্টেরিওটাইপ,সামাজিক প্রত্যাশা ও নীতি নিয়ন্ত্রণের অমিল। নারীর স্বনির্ভরতা ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় তাদের মানসিক চাপ,আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং কর্মক্ষমতা সীমিত হয়।এছাড়া অর্থনৈতিক অগ্রগতিও ব্যঘাত ঘটে।

নারী পুরুষের বৈষম্য যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কখনো প্রকাশ্য প্রকট রূপে দেখা যেত আবার কখনও গোপনে,সূক্ষ্মভাবে সমাজের প্রত্যেকটা সেক্টরে ।নারীর ক্ষমতায়নের যুগে এসেও বৈষম্য যেন আমাদেরই পিছিয়ে থাকার এক বার্তা।

নারী-পুরুষ বৈষম্য এখন আর কেবল ঘরে আটকে রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি ছড়িয়ে পড়েছে সাইবার স্পেস থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগত পর্যন্ত। আমরা যদি একটি প্রকৃত উন্নত পৃথিবী গড়তে চাই, তবে এই আধুনিক বৈষম্যের শেকলগুলো আগে ভাঙতে হবে। উন্নয়ন তখনই সার্থক হবে যখন সমাজ নারীকে তার লিঙ্গ দিয়ে নয়,বরং মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে বিচার করবে।

তানিয়া আক্তার

গণিত বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

back to top