alt

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠিপত্র : ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন

: শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর ২০২০

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়

নজর দিন

বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে এসে মানুষ নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছে। নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। যা অতীতে ছিল না। প্রযুক্তির কল্যাণে অগ্রযাত্রায় দিন দিন বেড়েই চলছে মোবাইল ফোনসহ নানা ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার। সবার হাতে শোভা পাচ্ছে নিত্যনতুন ফোন। আর এসব ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস এক সময় নষ্ট হয়ে যায়। যার ফলে, যেখানে সেখানে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এতে করে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।

দেশে ই-বর্জ্য আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলছে। বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৮ সালে বাংলাদেশে ৪ লাখ টন ই-বর্জ্য হয়েছে। আশংকা করা হচ্ছে, পরবর্তী ৫ বছরের মধ্যে ১২ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে। আর তা রোধ করার জন্য বিভিন্ন সংস্থা উদ্যোগ নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন করছে। এমনকি নষ্ট বা পুরনো মোবাইলে টাকার বিনিময় ফেরত নেওয়ার কথা বলেছে বাংলাদেশ মোবাইল ইমপোর্র্টস এসোসিয়েশন। প্রতিবছর বাংলাদেশে চার কোটি মোবাইল নষ্ট হয়। গত কয়েক বছর ধরে প্রায় তিন কোটি হ্যান্ডসেট আমদানি করা হচ্ছে। ফলে এখান থেকে ই-বর্র্জ্য তৈরি হচ্ছে। আর সেটা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। এসব মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর। যার কারণে, ক্যান্সার পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে মানুষ। তাই, ই-বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাই পরিকল্পিত পদক্ষেপ। যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে নিয়ম জানা থাকতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। পুরনো সামগ্রী ব্যবহার হতে বিরত থাকতে হবে এবং ই-বর্জ্য নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে।

মু. সায়েম আহমাদ

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ, ঢাকা।

সেলফিতে সতর্কতা প্রয়োজন

আজকাল স্মার্টফোনে ‘সেলফি’ তোলা অনেকের নেশা হয়ে গেছে। রাস্তাঘাটে, বাস-ট্রেনে, স্কুল-কলেজে বন্ধুদের আড্ডায়, কোথাও ঘুরতে গেলে, মজার কিছু খেতে গেলেও সেলফি তুলে ফেলছেন। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা আপলোডও করা হচ্ছে। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট ইত্যাদি ভরে যাচ্ছে এসব সেলফিতে। সেলফি তোলার নেশাটা কমবেশি সবারই রয়েছে।

লাইক আর কমেন্টের পেছনে ছুটতে গিয়ে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়েও সেলফি তুলছেন। শুধু অল্প বয়সীরাই নয়, বয়স্ক মানুষও সেলফি-সংস্কৃতির শিকার! তারা জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে সেলফি তুলতে গিয়ে নিহত হন। এমন ভয়ংকর শখের অবশ্যই লাগাম টানা জরুরি। জীবন এক মহামূল্যবান সম্পদ। প্রত্যেকের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিবার ও সমাজ। অনাকাক্সিক্ষত মৃত্যুতে পুরো পরিবারে দুর্ভোগ নেমে আসে। সেলফির নেশা এতই ভয়ংকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর লাগাম টানতে গণমাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির বিকল্প নেই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আল-আমিন আহমেদ

শিক্ষার্থী, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ

লাগামহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার

পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে দেশের আনাচে-কানাচে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিভাগের কোন নিয়মনীতি মানা হচ্ছে না। ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে নেই ন্যূনতম স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগরই নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। নেই ডিউটি ডাক্তার, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, ওয়ার্ডবয়, আয়া, ক্লিনারসহ প্রয়োজনীয় জনবল। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ভবনের এক কোনায় ২-১ একটা রুম নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার খুলে প্রতারণার জাল পেতে বসে থাকে কর্তৃপক্ষ। সেখানে থাকে না কোন ইনস্ট্রুমেন্ট রুম, ওয়েটিং রুম, এমনকি ডাক্তার, নার্সদের জন্য ও থাকে না কোন রুম।

রুগীরা প্রতিনিয়তই হয়রানির শিকার হচ্ছেন মালিকপক্ষ দ্বারা। ত্রুটিপূর্ণ মেশিন দিয়ে করা হচ্ছে পরীক্ষা, দেয়া হচ্ছে ভুল রিপোর্ট দিয়ে নেয়া হচ্ছে বাড়তি টাকা। এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেই কোন মানসম্মত ডাক্তার। ডিপ্লোমাধারী নার্সের পরিবর্তে কাজ চালাচ্ছে সাধারণ মানুষ দিয়ে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে দেশের স্বাস্থ্য খাত ধ্বংসের মুখে ধসে পড়বে। এমনকি এ করোনা মহামারীতেও নেই কর্তৃপক্ষের কোন নজরদারি। স্বাভাবিকভাবেই চলছে সব কার্যক্রম। অপরদিকে চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছেন জনগণ। এমতাবস্থায় যথাযথ পদক্ষেপের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

হাচান মাহমুদ শুভ

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

পর্যটন শহরগুলো কেন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে

বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি: শহরের মানুষের নীরব আর্তনাদ

গণযোগাযোগ কোর্সে অপর্যাপ্ত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ

নদীকেন্দ্রিক পর্যটন: সম্ভাবনার অপমৃত্যু ও আমাদের দায়

tab

মতামত » চিঠিপত্র

চিঠিপত্র : ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর ২০২০

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়

নজর দিন

বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে এসে মানুষ নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছে। নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। যা অতীতে ছিল না। প্রযুক্তির কল্যাণে অগ্রযাত্রায় দিন দিন বেড়েই চলছে মোবাইল ফোনসহ নানা ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার। সবার হাতে শোভা পাচ্ছে নিত্যনতুন ফোন। আর এসব ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস এক সময় নষ্ট হয়ে যায়। যার ফলে, যেখানে সেখানে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এতে করে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।

দেশে ই-বর্জ্য আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলছে। বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৮ সালে বাংলাদেশে ৪ লাখ টন ই-বর্জ্য হয়েছে। আশংকা করা হচ্ছে, পরবর্তী ৫ বছরের মধ্যে ১২ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে। আর তা রোধ করার জন্য বিভিন্ন সংস্থা উদ্যোগ নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন করছে। এমনকি নষ্ট বা পুরনো মোবাইলে টাকার বিনিময় ফেরত নেওয়ার কথা বলেছে বাংলাদেশ মোবাইল ইমপোর্র্টস এসোসিয়েশন। প্রতিবছর বাংলাদেশে চার কোটি মোবাইল নষ্ট হয়। গত কয়েক বছর ধরে প্রায় তিন কোটি হ্যান্ডসেট আমদানি করা হচ্ছে। ফলে এখান থেকে ই-বর্র্জ্য তৈরি হচ্ছে। আর সেটা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। এসব মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর। যার কারণে, ক্যান্সার পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে মানুষ। তাই, ই-বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাই পরিকল্পিত পদক্ষেপ। যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে নিয়ম জানা থাকতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। পুরনো সামগ্রী ব্যবহার হতে বিরত থাকতে হবে এবং ই-বর্জ্য নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে।

মু. সায়েম আহমাদ

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ, ঢাকা।

সেলফিতে সতর্কতা প্রয়োজন

আজকাল স্মার্টফোনে ‘সেলফি’ তোলা অনেকের নেশা হয়ে গেছে। রাস্তাঘাটে, বাস-ট্রেনে, স্কুল-কলেজে বন্ধুদের আড্ডায়, কোথাও ঘুরতে গেলে, মজার কিছু খেতে গেলেও সেলফি তুলে ফেলছেন। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা আপলোডও করা হচ্ছে। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট ইত্যাদি ভরে যাচ্ছে এসব সেলফিতে। সেলফি তোলার নেশাটা কমবেশি সবারই রয়েছে।

লাইক আর কমেন্টের পেছনে ছুটতে গিয়ে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়েও সেলফি তুলছেন। শুধু অল্প বয়সীরাই নয়, বয়স্ক মানুষও সেলফি-সংস্কৃতির শিকার! তারা জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে সেলফি তুলতে গিয়ে নিহত হন। এমন ভয়ংকর শখের অবশ্যই লাগাম টানা জরুরি। জীবন এক মহামূল্যবান সম্পদ। প্রত্যেকের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিবার ও সমাজ। অনাকাক্সিক্ষত মৃত্যুতে পুরো পরিবারে দুর্ভোগ নেমে আসে। সেলফির নেশা এতই ভয়ংকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর লাগাম টানতে গণমাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির বিকল্প নেই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আল-আমিন আহমেদ

শিক্ষার্থী, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ

লাগামহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার

পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে দেশের আনাচে-কানাচে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিভাগের কোন নিয়মনীতি মানা হচ্ছে না। ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে নেই ন্যূনতম স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগরই নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। নেই ডিউটি ডাক্তার, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, ওয়ার্ডবয়, আয়া, ক্লিনারসহ প্রয়োজনীয় জনবল। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ভবনের এক কোনায় ২-১ একটা রুম নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার খুলে প্রতারণার জাল পেতে বসে থাকে কর্তৃপক্ষ। সেখানে থাকে না কোন ইনস্ট্রুমেন্ট রুম, ওয়েটিং রুম, এমনকি ডাক্তার, নার্সদের জন্য ও থাকে না কোন রুম।

রুগীরা প্রতিনিয়তই হয়রানির শিকার হচ্ছেন মালিকপক্ষ দ্বারা। ত্রুটিপূর্ণ মেশিন দিয়ে করা হচ্ছে পরীক্ষা, দেয়া হচ্ছে ভুল রিপোর্ট দিয়ে নেয়া হচ্ছে বাড়তি টাকা। এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেই কোন মানসম্মত ডাক্তার। ডিপ্লোমাধারী নার্সের পরিবর্তে কাজ চালাচ্ছে সাধারণ মানুষ দিয়ে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে দেশের স্বাস্থ্য খাত ধ্বংসের মুখে ধসে পড়বে। এমনকি এ করোনা মহামারীতেও নেই কর্তৃপক্ষের কোন নজরদারি। স্বাভাবিকভাবেই চলছে সব কার্যক্রম। অপরদিকে চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছেন জনগণ। এমতাবস্থায় যথাযথ পদক্ষেপের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

হাচান মাহমুদ শুভ

back to top