alt

অপরাধ ও দুর্নীতি

ডেসটিনির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ : যে কারণে সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের সাজা কম

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : শুক্রবার, ১৩ মে ২০২২

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের দায়ে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে ১২ বছর সাজা দেওয়া হলেও কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের’ কথা বিবেচনায় নিয়ে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ।

ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম বৃহস্পতিবার এই রায়ে ৪৬ আসামির সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা জরিমানা করেছেন।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো অপারেটিভ সোসাইটির প্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই কলাবাগান থানায় এ মামলা করে দুদক। ২০১৬ সালের ২৪ অগাস্টে অভিযোগ গঠন করে আদালত আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

গত কয়েক দশকে বড় যে কটি আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা দেশকে নাড়িয়ে দিয়ে গেছে, ডেসটিনির অর্থ আত্মসাৎ তার একটি।

২০০০ সালে ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেড নামে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানি দিয়ে এই গ্রুপের যাত্রা শুরু। পরের বছরে বিমান পরিবহন, আবাসন, মিডিয়া, পাটকল, কোল্ড স্টোরেজ, বনায়নসহ বিভিন্ন খাতে ৩৪টি কোম্পানিতে ডেসটিনির নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়।

পরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে চার হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে এ কোম্পানির বিরুদ্ধে।

এর মধ্যে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল ডেসটিনি। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। তাতে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

আইন অনুযায়ী অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড। ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনকে সেই দণ্ডই দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাকে ২০০ কোটি টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে রায়ে।

আর ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশীদকে চার বছরের কারাদণ্ড এবং সাড়ে ৩ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। চার বছরের দণ্ড এ আইনে সর্বনিম্ন সাজা।

হারুনকে কম সাজা দেওয়ার ব্যাখ্যায় বিচারক তার রায়ে বলেন, “হারুন-অর-রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের কারণে তাকে সর্বনিম্ন দণ্ডে দণ্ডিত করা হল।”

হারুনের অবরুদ্ধ সম্পত্তি ও ব্যাংক হিসাবে অবমুক্ত (রিলিজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রায়ে। তবে জরিমানার তিন কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকা তাকে পরিশোধ করতে হবে।

৭৪ বছর বয়সী হারুনের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারীর ধলই ইউনিয়নে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত অবস্থায় ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব দেয়।

২০০০ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে আসেন হারুন। ২০০২ সালের জুনে অবসরে যাওয়ার পর সরকার তাকে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ফিজির রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বও দিয়েছিল।

সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সাবেক মহাসচিব হারুন-অর-রশিদ ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দেন ২০০৬ সালে। পরের কয়েক বছরে আরও বহু ক্ষেত্রে ডেসটিনির ব্যবসা বিস্তৃত হতে দেখা যায়।

কিন্তু জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ তুঙ্গে উঠলে ২০১২ সালে হারুন ও রফিকুল আমীনকে কারাগারে যেতে হয়।

পরে ‘স্বাস্থ্য ও সামাজিক অবস্থা’ বিবেচনায় হারুন জামিন পেলেও রফিকুল আমীন কারাগারেই ছিলেন। বৃহস্পতিবার রায়ের পর হারুনকেও সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

পরে রাতে খবর আসে, হৃদরোগের কারণে তাকে কারা তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গোপনে গোসলের ভিডিও ধারণ, হুমিক দিয়ে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জঙ্গি নেতা আবদুল হাই গ্রেপ্তার

ছবি

ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্রকৌশলীর মৃত্যু ঘটনায় ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি

জঙ্গি নেতা আব্দুল হাই: জিজ্ঞাসাবাদে প্রশিক্ষণসহ বোমা হামলার নানা তথ্য স্বীকার করেছে

নোয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি

ছবি

রমনা বটমূলসহ ২ মামলার ফাঁসির আসামি হুজির সাবেক আমির গ্রেপ্তার

ছবি

সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৯ জনের কারাদণ্ড

ছবি

দুদকের মামলায় সিনহার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

ছবি

মিটফোর্ডে নকল ওষুধ মজুদ ও বিক্রি, ভান্ডারি মার্কেটের নাজিমুল গ্রেফতার

ছবি

হাতিরঝিলে বাণিজ্যিক স্থাপনা-ওয়াটার ট্যাক্সি নয়: হাইকোর্ট

ছবি

সম্রাটের জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

ছবি

আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন সম্রাট

ছবি

কুমিল্লার নাশকতার মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন

ছবি

খালাস চেয়ে হাজী সেলিমের আপিল, জামিন আবেদন

১২ কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১১৭ মামলা

ছবি

ই-কমার্স কেলেঙ্কারি: জড়িতদের খুঁজে বের করার নির্দেশ

ছবি

মাস্ক কেনায় কেলেংকারি: ডেল্টার সাবেক প্রশাসক কারাগারে

ছবি

পি কে হালদারকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: আইজিপি

ছবি

নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

ছবি

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে প্রদীপের স্ত্রী চুমকি

সখীপুরে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় অধ্যক্ষ কারাগারে

ঘুমন্ত অবস্থায় পিটিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা

খুলনায় ২ জঙ্গির ২০ বছর কারাদন্ড

নোয়াখালীতে ব্যাংক কর্মকর্তার ৩০ বছরের কারাদণ্ড

চৌমুহনীতে ব্যবসায়ী হত্যাঃ ৩ কিশোরের স্বীকারোক্তি, লাশ দাফন

ছবি

জামিন নয়, নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টিকে পুলিশে দিলো হাইকোর্ট

ইয়াবা নিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা

বরিশালে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় গ্রেপ্তার তিন

ছবি

শরীয়তপুরে একসাথে ৪টি বাড়ীতে দুর্বিত্তদের আগুন, বৃদ্ধা নিহত

ছবি

হাজি সেলিমের আত্মসমর্পণ, যেতে হল কারাগারে

ছবি

বদির আবেদন খারিজ, এক বছরের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ

ছবি

জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছর কারাদণ্ড

থানায় অভিযোগ করায় জেল থেকে বেরিয়ে তরুণকে খুন

ছবি

হাজী সেলিম আজ আদালতে আত্মসমপর্ণ করবেন

ছবি

টেন্ডার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঠিকাদারদের

ছবি

পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে দুদককে সহযোগিতার প্রস্তাব এফবিআইয়ের

tab

অপরাধ ও দুর্নীতি

ডেসটিনির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ : যে কারণে সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের সাজা কম

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

শুক্রবার, ১৩ মে ২০২২

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের দায়ে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে ১২ বছর সাজা দেওয়া হলেও কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের’ কথা বিবেচনায় নিয়ে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ।

ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম বৃহস্পতিবার এই রায়ে ৪৬ আসামির সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা জরিমানা করেছেন।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো অপারেটিভ সোসাইটির প্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই কলাবাগান থানায় এ মামলা করে দুদক। ২০১৬ সালের ২৪ অগাস্টে অভিযোগ গঠন করে আদালত আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

গত কয়েক দশকে বড় যে কটি আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা দেশকে নাড়িয়ে দিয়ে গেছে, ডেসটিনির অর্থ আত্মসাৎ তার একটি।

২০০০ সালে ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেড নামে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানি দিয়ে এই গ্রুপের যাত্রা শুরু। পরের বছরে বিমান পরিবহন, আবাসন, মিডিয়া, পাটকল, কোল্ড স্টোরেজ, বনায়নসহ বিভিন্ন খাতে ৩৪টি কোম্পানিতে ডেসটিনির নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়।

পরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে চার হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে এ কোম্পানির বিরুদ্ধে।

এর মধ্যে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল ডেসটিনি। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। তাতে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

আইন অনুযায়ী অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড। ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনকে সেই দণ্ডই দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাকে ২০০ কোটি টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে রায়ে।

আর ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশীদকে চার বছরের কারাদণ্ড এবং সাড়ে ৩ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। চার বছরের দণ্ড এ আইনে সর্বনিম্ন সাজা।

হারুনকে কম সাজা দেওয়ার ব্যাখ্যায় বিচারক তার রায়ে বলেন, “হারুন-অর-রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের কারণে তাকে সর্বনিম্ন দণ্ডে দণ্ডিত করা হল।”

হারুনের অবরুদ্ধ সম্পত্তি ও ব্যাংক হিসাবে অবমুক্ত (রিলিজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রায়ে। তবে জরিমানার তিন কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকা তাকে পরিশোধ করতে হবে।

৭৪ বছর বয়সী হারুনের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারীর ধলই ইউনিয়নে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত অবস্থায় ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব দেয়।

২০০০ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে আসেন হারুন। ২০০২ সালের জুনে অবসরে যাওয়ার পর সরকার তাকে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ফিজির রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বও দিয়েছিল।

সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সাবেক মহাসচিব হারুন-অর-রশিদ ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দেন ২০০৬ সালে। পরের কয়েক বছরে আরও বহু ক্ষেত্রে ডেসটিনির ব্যবসা বিস্তৃত হতে দেখা যায়।

কিন্তু জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ তুঙ্গে উঠলে ২০১২ সালে হারুন ও রফিকুল আমীনকে কারাগারে যেতে হয়।

পরে ‘স্বাস্থ্য ও সামাজিক অবস্থা’ বিবেচনায় হারুন জামিন পেলেও রফিকুল আমীন কারাগারেই ছিলেন। বৃহস্পতিবার রায়ের পর হারুনকেও সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

পরে রাতে খবর আসে, হৃদরোগের কারণে তাকে কারা তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

back to top