মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
সরকার সরবরাহকৃত র্যাবিস ভ্যাকসিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বর্তমানে অনুপস্থিত। ফলে রোগীকে বাইরে থেকে নিজ খরচে ভ্যাকসিন কিনে এনে তা প্রয়োগ করতে হচ্ছে। একটি সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এমন একটি অত্যাবশ্যক ভ্যাকসিনের অভাব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি করে। র্যাবিস একটি মারাত্মক কিন্তু সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন না পেলে এর পরিণতি প্রাণঘাতী হতে পারে। বিশেষ করে কুকুর বা অন্যান্য প্রাণীর কামড়ের পর প্রথম কয়েক দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সংকটময় সময়ে সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন না পাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি। চিকিৎসা বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
আরও দুঃখজনক হলো, একসময় বাংলাদেশেই স্বল্প খরচে র্যাবিস ভ্যাকসিন উৎপাদনের ব্যবস্থা ছিল। জানা যায়, আন্তর্জাতিক সংস্থার হস্তক্ষেপ ও নীতিগত পরিবর্তনের ফলে সেই উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় এবং এখন আমাদের আমদানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সেই সক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় এখন সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে সরাসরি জনস্বাস্থ্যের ওপর। জীবনরক্ষাকারী একটি টিকার ক্ষেত্রে এমন অব্যবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, র্যাবিস ভ্যাকসিনের সরবরাহ সংকটের কারণ দ্রুত খতিয়ে দেখা জরুরি। সরকারি হাসপাতালগুলোতে এই ভ্যাকসিনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় উৎপাদনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা রাষ্ট্রের কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ থাকা উচিত নয়।
হৃদয় পান্ডে
খিলগাঁও, ঢাকা
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সরকার সরবরাহকৃত র্যাবিস ভ্যাকসিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে বর্তমানে অনুপস্থিত। ফলে রোগীকে বাইরে থেকে নিজ খরচে ভ্যাকসিন কিনে এনে তা প্রয়োগ করতে হচ্ছে। একটি সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এমন একটি অত্যাবশ্যক ভ্যাকসিনের অভাব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি করে। র্যাবিস একটি মারাত্মক কিন্তু সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন না পেলে এর পরিণতি প্রাণঘাতী হতে পারে। বিশেষ করে কুকুর বা অন্যান্য প্রাণীর কামড়ের পর প্রথম কয়েক দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সংকটময় সময়ে সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন না পাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি। চিকিৎসা বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
আরও দুঃখজনক হলো, একসময় বাংলাদেশেই স্বল্প খরচে র্যাবিস ভ্যাকসিন উৎপাদনের ব্যবস্থা ছিল। জানা যায়, আন্তর্জাতিক সংস্থার হস্তক্ষেপ ও নীতিগত পরিবর্তনের ফলে সেই উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় এবং এখন আমাদের আমদানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সেই সক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় এখন সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে সরাসরি জনস্বাস্থ্যের ওপর। জীবনরক্ষাকারী একটি টিকার ক্ষেত্রে এমন অব্যবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, র্যাবিস ভ্যাকসিনের সরবরাহ সংকটের কারণ দ্রুত খতিয়ে দেখা জরুরি। সরকারি হাসপাতালগুলোতে এই ভ্যাকসিনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় উৎপাদনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা রাষ্ট্রের কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ থাকা উচিত নয়।
হৃদয় পান্ডে
খিলগাঁও, ঢাকা