alt

সম্পাদকীয়

পদ্মা সেতুর কাছে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে

: বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২

পদ্মা সেতুর এক কিলোমিটার পূর্বে ও পাইনপাড়া গ্রামের পাশে সারি সারি অবৈধ ড্রেজার। এসব ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে উত্তোলন করা হচ্ছিল লাখ লাখ ঘনফুট বালু। এভাবে বালু উত্তোলন করার অপরাধে ১৫ জনকে ৭ দিন করে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত শনিবার রাতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের পাইনপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালীদের সেখানে বালু উত্তোলনের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও এভাবে বালু উত্তোলন করায় পাইনপাড়া গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে, এখনও ঝুঁকিতে রয়েছে। পদ্মা সেতু দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো। এ সেতুর কাছাকাছি নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন সঙ্গত কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্রোতের গতি ও পানিপ্রবাহের পরিমাণের দিক থেকে আমাজনের পর পদ্মাই সবচেয়ে শক্তিশালী। এটি পৃথিবীর অন্যতম খরস্রোতা নদী। তাই পদ্মা সেতুর জন্য ১৪ কিলোমিটার নদী শাসন করে তীর বাঁধাই করা হয়েছে। সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হলেও নদীশাসন এখনও শেষ হয়নি। ২০২৩ সালে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

পদ্মা সেতু চালুর পর নিয়মিত তদারকি করার কথা বলা হয়েছে। পানিপ্রবাহের ধরনে কোন পরিবর্তন আসছে কিনা, নদীতে পলি কী পরিমাণ আসছে-এসব বিষয় খেয়াল রাখার কথা বলা হয়েছে। সেখানে সেতুর মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে কীভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল-সেটি ভেবে আমরা উদ্বিগ্ন হই। প্রশ্ন হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এটা কীভাবে সম্ভব হলো।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ভ্রাম্যমাণ আদলতের মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হয়েছে সেটা ভালো কথা। তবে জরুরি হচ্ছে, বালু উত্তোলন বন্ধ করা। যে কোন মূল্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। এজন্য নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে হাল ছাড়লে চলবে না

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি সেনাদের আত্মত্যাগ

হাইওয়ের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে

জাতীয় গ্রিড বারবার বিপর্যয়ের কারণ কী

সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার নিশ্চিত করতে হবে

সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার নিশ্চিত করতে হবে

কেঁচো সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার নামে হরিলুট বন্ধ করুন

পর্যটকদের নিরাপত্তায় কোন ছাড় নয়

কন্যাশিশু নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র

মুহিবুল্লাহ হত্যার সুষ্ঠু বিচার করা জরুরি

অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন প্রসঙ্গে

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার বিচার কি হবে

নদী খননে জোর দিন

জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে তেল পরিশোধনের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি

বাল্যবিয়ে বন্ধে কাজীদের ভূমিকা

নদী দখল-দূষণ বন্ধে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল হতে হবে

পাহাড় কাটা বন্ধে ব্যবস্থা নিন

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়মের মধ্যে আনা যাচ্ছে না কেন

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা কঠোরভাবে বন্ধ করুন

নৌকাডুবিতে মর্মান্তিক মৃত্যু

বিদ্যালয়ে কেন ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম

যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভোগান্তি কমবে কবে

বন্যপ্রাণীর খাবারের সংকট দূর করতে হবে

রাস্তাটি সংস্কার করুন

মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেদের পর্যাপ্ত সহায়তা দিন

টিসিবির পণ্য বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিন

কৃষককে কেন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে

শিশুর সুরক্ষায় সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে

রুখতে হবে বাল্যবিয়ে

দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করুন

নারী ফুটবল দলকে অভিনন্দন

খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ বন্ধ করুন

নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ

অবৈধ গ্যাস সংযোগ প্রসঙ্গে

tab

সম্পাদকীয়

পদ্মা সেতুর কাছে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে

বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২

পদ্মা সেতুর এক কিলোমিটার পূর্বে ও পাইনপাড়া গ্রামের পাশে সারি সারি অবৈধ ড্রেজার। এসব ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে উত্তোলন করা হচ্ছিল লাখ লাখ ঘনফুট বালু। এভাবে বালু উত্তোলন করার অপরাধে ১৫ জনকে ৭ দিন করে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত শনিবার রাতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের পাইনপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালীদের সেখানে বালু উত্তোলনের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও এভাবে বালু উত্তোলন করায় পাইনপাড়া গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে, এখনও ঝুঁকিতে রয়েছে। পদ্মা সেতু দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো। এ সেতুর কাছাকাছি নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন সঙ্গত কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্রোতের গতি ও পানিপ্রবাহের পরিমাণের দিক থেকে আমাজনের পর পদ্মাই সবচেয়ে শক্তিশালী। এটি পৃথিবীর অন্যতম খরস্রোতা নদী। তাই পদ্মা সেতুর জন্য ১৪ কিলোমিটার নদী শাসন করে তীর বাঁধাই করা হয়েছে। সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হলেও নদীশাসন এখনও শেষ হয়নি। ২০২৩ সালে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

পদ্মা সেতু চালুর পর নিয়মিত তদারকি করার কথা বলা হয়েছে। পানিপ্রবাহের ধরনে কোন পরিবর্তন আসছে কিনা, নদীতে পলি কী পরিমাণ আসছে-এসব বিষয় খেয়াল রাখার কথা বলা হয়েছে। সেখানে সেতুর মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে কীভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল-সেটি ভেবে আমরা উদ্বিগ্ন হই। প্রশ্ন হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এটা কীভাবে সম্ভব হলো।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ভ্রাম্যমাণ আদলতের মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হয়েছে সেটা ভালো কথা। তবে জরুরি হচ্ছে, বালু উত্তোলন বন্ধ করা। যে কোন মূল্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। এজন্য নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

back to top